সপ্তাহ কয়েক আগেই নয়া রেকর্ড সৃষ্টি করেছে ইস্টবেঙ্গলের ওমেন্স দল (IWL)। নেপালের বুকে শক্তিশালী এপিএফ দলকে হারিয়ে দক্ষিণ এশিয়ার সেরা দল হিসেবে মনোনীত হয়েছে মশাল কন্যারা। পাশাপাশি পঞ্চম আন্তর্জাতিক ট্রফি এসেছে ঘরে।
এখনও পর্যন্ত ভারতের একমাত্র দল হিসেবে সাফ চ্যাম্পিয়নশিপ জিতেছে সৌম্যা গুগুলথরা। এছাড়াও গত কয়েক মরসুম ধরেই অনবদ্য পারফরম্যান্স করে আসছে মশাল কন্যারা। কোচ অ্যান্থনি অ্যান্ড্রুজ দলের দায়িত্ব গ্ৰহন করার পর থেকেই একেবারে অন্য ছন্দে ধরা দিয়েছে দল। এখনও বজায় রয়েছে সেই ছন্দ।
সন্তান উৎপাদনে মুসলিমদের সঙ্গে পাল্লা দিতে বলে বিতর্কিত মুখ্যমন্ত্রী
আন্তর্জাতিক খেতাব জয়ের পর গত কয়েকদিন আগে থেকেই আইডাব্লুএলের অভিযান শুরু করেছে ইস্টবেঙ্গল। যেখানে তাঁদের প্রথম প্রতিপক্ষ হিসেবে ছিল সেতু এফসি। অনায়াসেই তাঁদের বিরুদ্ধে এসেছিল। তারপর দ্বিতীয় ম্যাচে ও এসেছিল।
নির্ধারিত সূচি অনুযায়ী আজ টুর্নামেন্টের তৃতীয় ম্যাচ খেলতে নেমেছিল অ্যান্থনি অ্যান্ড্রুজের মেয়েরা। যেখানে তাঁদের প্রতিপক্ষ হিসেবে ছিল গোয়ার শক্তিশালী ফুটবল ক্লাব সেসা এফসি। সম্পূর্ণ সময়ের শেষে ৯-০ গোলের ব্যবধানে এই ম্যাচে জয় ছিনিয়ে নিয়েছে লাল-হলুদ ব্রিগেড। এদিন দলের হয়ে গোল করেছেন সৌম্যা গুগুলথ, ফাজিলা ইয়কপুত, সুলঞ্জনা রাউল এবং রেস্টি নানজিরি।
এমন গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচে হ্যাটট্রিক করেছেন সৌম্যা। এছাড়াও চারটি গোল করেছেন উগান্ডার তারকা ফাজিলা ইয়কপুত। যারফলে টানা তিনটি ম্যাচ জিতে নয় পয়েন্ট নিয়ে লিগ টেবিলের দ্বিতীয় স্থানছ রয়েছে গতবারের চ্যাম্পিয়নরা।
এক ম্যাচ বেশি খেলে এক পয়েন্টের পার্থক্যে টেবিলের শীর্ষস্থানে রয়েছে নিতা ফুটবল অ্যাকাডেমি। বলাবাহুল্য, এদিন ম্যাচের শুরু থেকেই যথেষ্ট আক্রমণাত্মক ফুটবল খেলতে দেখা গিয়েছিল কলকাতার এই দলকে। তাই গোল তুলে নিতে খুব একটা সমস্যা হয়নি। মাত্র ৬ মিনিটের মাথায় গোল করে দলকে এগিয়ে দেন সৌম্যা। ঠিক তিন মিনিটের মাথায় দলের হয়ে দ্বিতীয় গোল করে যান ফাজিলা।
তারপর বেশ কিছুক্ষণ পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে পেরেছিল সেসা। তবে ১৮ মিনিটের মাথায় ফের গোল হজম করে প্রতিপক্ষ দল। এবার গোল করে যান সুলঞ্জনা রাউল। সেই গোল কাটতে না কাটতেই পর পর দুইটি গোল করে নিজের হ্যাটট্রিক সম্পন্ন করেন ফাজিলা। কিন্তু সেখানেই শেষ নয়। প্রথমার্ধের শেষের দিকে অর্থাৎ ৪০ মিনিটের মাথায় আসে ফের গোল।
এবার ব্যবধান বাড়িয়ে দেন রেস্টি নানজিরি। প্রথমার্ধের শেষে ৬-০ গোলের ব্যবধানে এগিয়ে ছিল ইস্টবেঙ্গল ফুটবল ক্লাব। দ্বিতীয়ার্ধে সেই ব্যবধান আরও বাড়ানোর লক্ষ্যে নেমেছিলেন সকলে। সেটাই হয়। ৫৪ মিনিটের মাথায় নিজের দ্বিতীয় গোল করে যান সৌম্যা গুগুলথ। তারপর ৮৬ মিনিটের মাথায় নিজের হ্যাটট্রিক সম্পন্ন করেন সৌম্যা। যদিও তার কিছু সময় আগেই নিজের চতুর্থ গোল পান ফাজিলা।
