
বিশ্বকাপের আগে ফুটবলপ্রেমীদের (Football) জন্য অপেক্ষা করছে আরেকটি রাজকীয় মঞ্চ। ইউরোপ ও দক্ষিণ আমেরিকার দুই চ্যাম্পিয়ন স্পেন ও আর্জেন্টিনা মুখোমুখি হবে ফাইনালিসিমা ২০২৬। ভেন্যু কাতারের ঐতিহাসিক লুসাইল স্টেডিয়াম, তারিখ ২৭ মার্চ ২০২৬। একদিকে অভিজ্ঞতার প্রতীক লিওনেল মেসি। অন্যদিকে স্পেনের বিস্ময়বালক লামিন ইয়ামাল।দুই প্রজন্মের দ্বন্দ্বে জমে উঠতে চলেছে ম্যাচটি।
নিলামে নজর কাড়ল এক নাম, KKR জার্সিতে খেলবেন এই সাংসদের ছেলে
কবে ও কোথায়?
কাতারের স্থানীয় আয়োজক কমিটির ঘোষণায় নিশ্চিত, এক ম্যাচের এই শিরোপা নির্ধারণী লড়াই হবে লুসাইলে। নির্ধারিত ৯০ মিনিটেই ফল নির্ধারিত হবে, অতিরিক্ত সময় নেই। সমতা থাকলে সরাসরি পেনাল্টি শুটআউট। প্রযুক্তিগত দিক থেকে ম্যাচে থাকবে পূর্ণ সাপোর্ট VAR, গোল-লাইন টেকনোলজি ও সেমি-অটোমেটেড অফসাইড। রেফারি মনোনয়ন দেবে যৌথভাবে UEFA ও CONMEBOL।
লুসাইলে আর্জেন্টিনার আবেগী প্রত্যাবর্তন
লুসাইল আর্জেন্টিনার কাছে কেবল একটি স্টেডিয়াম নয়, স্মৃতির নাম। ২০২২ বিশ্বকাপে এখানেই ফ্রান্সকে হারিয়ে ৩৬ বছরের অপেক্ষা ঘুচিয়ে ট্রফি জিতেছিল আলবিসেলেস্তে। সেই মাঠেই বিশ্বকাপের আগে আরেকটি বড় ম্যাচে নামবে তারা। কোপা আমেরিকা ২০২৪ জিতে ফাইনালিসিমার টিকিট কেটেছে আর্জেন্টিনা। ফ্লোরিডায় অতিরিক্ত সময়ে কলম্বিয়াকে ১–০ হারিয়ে এসেছে ১৬তম শিরোপা।
স্পেনের নতুন প্রজন্ম বনাম মেসির অভিজ্ঞতা
স্পেন আসছে ইউরো ২০২৪ চ্যাম্পিয়ন হয়ে। বার্লিনে ইংল্যান্ডকে ২–১ হারিয়ে রেকর্ড চতুর্থ ইউরো জিতেছে লা রোহা। এই ম্যাচে সবচেয়ে বড় আকর্ষণ প্রজন্মের লড়াই, মেসির নেতৃত্ব ও ম্যাচ-ম্যানেজমেন্টের অভিজ্ঞতার বিপরীতে লামিন ইয়ামালের গতি, সাহস আর সৃজনশীলতা। বিশ্বকাপের আগে নিজেদের শক্তি যাচাইয়ের বড় পরীক্ষা হিসেবে ফাইনালিসিমাকে দেখছে দুই দলই।
কেন ফাইনালিসিমা গুরুত্বপূর্ণ
ফাইনালিসিমা UEFA–CONMEBOL কৌশলগত অংশীদারিত্বের ফ্ল্যাগশিপ ইভেন্ট। ২০২১ সালের সমঝোতা নবীকরণের পর এই সহযোগিতা বিস্তৃত হয়েছে মেয়েদের ফুটবল, যুব টুর্নামেন্ট, রেফারি এক্সচেঞ্জ ও টেকনিক্যাল ডেভেলপমেন্টে। নিরপেক্ষ ভেন্যুতে দুই মহাদেশের চ্যাম্পিয়নদের লড়াই, গ্লোবাল ফুটবলের উদযাপনই যেন।
সাম্প্রতিক বছরগুলোতে কাতার ধারাবাহিকভাবে বড় টুর্নামেন্ট আয়োজন করেছে। ৪৮ দলীয় ফিফা অনূর্ধ্ব ১৭ বিশ্বকাপ, Gulf Cup (U-17 ও U-23), ইন্টার ন্যাশেনাল কাপের ফাইনাল পর্ব, আরব কাপ। আয়োজকদের দাবি, বিশ্বমানের অবকাঠামো ও দর্শক-অভিজ্ঞতার মানদণ্ডে কাতার নিজেকে প্রমাণ করেছে।










