আন্তর্জাতিক মঞ্চে এবার খুব একটা সুবিধা করতে পারেনি এফসি গোয়া (FC Goa)। গতবার সুপার কাপ জয়ের সুবাদে এবার এএফসি চ্যাম্পিয়নস লিগ টায়ার টুয়ে খেলার ছাড়পত্র পেয়েছিল মানোলো মার্কেজের ছেলেরা। কিন্তু একের পর এক গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচে দাপটের সাথে ফুটবল খেললেও পয়েন্ট পাওয়া সম্ভব হয়নি তাঁদের পক্ষে। যারফলে এবার হার দিয়েই এবারের এএফসির টুর্নামেন্ট শেষ করেছে দল। গত বুধবার রাতে নিজেদের ঘরের মাঠ অর্থাৎ জওহরলাল নেহেরু ফতোরদা স্টেডিয়ামে গ্ৰুপ পর্বের শেষ ম্যাচ খেলতে নেমেছিল দেজান ড্রাজিচরা।
যেখানে তাঁদের প্রতিপক্ষ হিসেবে ছিল তাজিকিস্তানের দল ইস্তিকলোল এফসি। শেষ পর্যন্ত একটি গোলের ব্যবধানে এই ম্যাচে পরাজিত হয়েছে টানা দুইবারের সুপার কাপ জয়ীরা। প্রতিপক্ষ দলের হয়ে গোল করেছিলেন পল সেউন কোমোলাফে, এবং আমিরবেক জুরাবোয়েভ। অন্যদিকে, এফসি গোয়ার হয়ে একটি মাত্র গোল করেছিলেন দেজান দ্রাজিক। যদিও সেটা কাজে আসেনি। ছয় ম্যাচ খেলে খালি হাতে পয়েন্ট টেবিলের একেবারে তলানিতে শেষ করে ভারতের এই ফুটবল দল। যদিও লড়াইটা একেবারেই সহজ ছিল না। চোট আঘাতের পাশাপাশি কার্ড সমস্যার জন্য দল নামাতে হিমশিম খেতে হয়েছিল কোচকে।
তবুও এই ম্যাচের শুরুতে গোল করে দলকে লিড এনে দিয়েছিলেন দেজান। কিন্তু প্রতিপক্ষের ঘন ঘন আক্রমণে কার্যত তাসের দেশের মতো ভেঙে পড়ে গোয়া ডিফেন্স। শেষ পর্যন্ত বদলে যায় ফলাফল। যারফলে ইতিমধ্যেই বছরের শেষ ম্যাচ খেলে ফেলল এফসি গোয়া। সব ঠিকঠাক থাকলে আগামী বছরের প্রথম দিকেই হয়তো শুরু হবে ইন্ডিয়ান সুপার লিগ। এখন সেদিকেই নজর রয়েছে প্রত্যেকের। সেই নিয়েই নেট মাধ্যমে বিশেষ পোস্ট করেন দলের ফুটবলার লারা শর্মা। এই ম্যাচের বেশকিছু ছবি আপলোড করে তিনি লেখেন, ‘ বছরের শেষ খেলা ছিল এটি। সবাই একশো শতাংশ দিয়ে লড়াই করেছে।
এটা সহজ ছিল না। ভারতীয় ফুটবলকে ঘিরে এত নেতিবাচকতার মধ্যে প্রশিক্ষণ, খেলা এবং মনোযোগী থাকা আমাদের প্রতিদিন পরীক্ষা করেছে। কিন্তু আমরা সফল হয়েছি। আমরা কাজ করেছি। আমরা বিশ্বাস করেছি।অনিশ্চয়তা এবং নীরবতার মধ্য দিয়ে, এই খেলার প্রতি ভালোবাসা আমাদের এগিয়ে যেতে সাহায্য করেছে।’
আরও লেখেন, ‘ আগামী দিনের জন্য আরও ভালো দিন আশা করছি যাতে আমরা ফিরে আসতে পারি, আরও শক্তিশালী হয়ে দাঁড়াতে পারি এবং আমরা যে খেলাটির জন্য বেঁচে থাকি তা চালিয়ে যেতে পারি। আশা করি এটাই শেষ নয়।’


