
যেখানে শেষ হয়েছিল সেখান থেকেই শুরু। আগের মরসুমে কলিঙ্গ সুপার কাপ (FC Goa Anbadya Ritwik)জয়ের মধ্য দিয়েই সিজন শেষ করেছিল এফসি গোয়া। সেই নিয়ে যথেষ্ট খুশি ছিল সমর্থকরা। এই সর্বভারতীয় খেতাব জয়ের সুবাদেই এবার এএফসির টুর্নামেন্টে অংশ নেওয়ার ছাড়পত্র পেয়েছিল গোয়া শিবির। সেখানে ভালো পারফরম্যান্স করার লক্ষ্য নিয়ে অনেক আগে থেকেই প্রস্তুতি শুরু করে দিয়েছিল এই ফুটবল ক্লাব। পাশাপাশি সুপার কাপের নয়া সিজনে ও নিজেদের ছন্দ বজায় রাখার লক্ষ্য বোরহা হেরেরাদের। তবে দাপিয়ে ফুটবল খেলেও এএফসিতে এখনও জয়ের মুখ দেখেনি ভারতের এই ফুটবল ক্লাব।
টানা চারটি ম্যাচে পরাজিত হওয়ার দরুন এএফসি চ্যাম্পিয়নস লিগ টায়ার টুয়ের গ্ৰুপ পর্বের একেবারে তলানিতে গিয়ে ঠেকেছে গোয়া। গত কয়েকদিন আগেই দ্বিতীয় লেগের ম্যাচে আল নাসেরের বিপক্ষে খেলতে নেমেছিল সন্দেশ ঝিঙ্গানরা।
মোদীর ‘বঙ্কিমদা’ সম্বোধনে তোলপাড়: সংসদের বাইরে তৃণমূলের বিক্ষোভ
সম্পূর্ণ সময়ের শেষে বিরাট বড় ব্যবধানে পরাজিত হতে হলেও খেলোয়াড়দের লড়াকু পারফরম্যান্স যথেষ্ট নজর কেড়েছিল সকলের। আগামী ২৪শে ডিসেম্বর গোয়ার ফতোরদা স্টেডিয়ামে ইস্তিকালোলের বিপক্ষে শেষ ম্যাচ খেলতে নামবে মানোলো মার্কুয়েজের ছেলেরা। তবে এবারের এই আন্তর্জাতিক টুর্নামেন্টে পরের রাউন্ডে যাওয়া যে সম্ভব নয় সেটা পরিষ্কার।
স্বাভাবিকভাবেই নিজেদের ভুলত্রুটি থেকে শিক্ষা নিয়ে আগামী সিজনে ফের আন্তর্জাতিক টুর্নামেন্টে ফিরে আসতে বদ্ধপরিকর আইএসএলের এই শক্তিশালী ফুটবল ক্লাব। সেক্ষেত্রে এবার ও সুপার কাপকে পাখির চোখ করেছিলেন মানোলো মার্কেজ। যার প্রথম থেকেই ব্যাপক দাপট ছিল এফসি গোয়ার।
একের পর এক শক্তিশালী দলকে টেক্কা দিয়ে অনায়াসেই এসেছিল জয়। তারপর গত রবিবার নিজেদের ঘরের মাঠে ইস্টবেঙ্গলের বিপক্ষে খেলতে নেমেছিল গোয়া শিবির। শেষ পর্যন্ত সাডেন ডেথে একটি গোলের ব্যবধানে ট্রফি নিশ্চিত করেছে দল। পরপর টানা দুইবার এই খেতাব জয় করল বোরহা হেরেরাদের দল।
পাশাপাশি গোটা ম্যাচ জুড়ে অনবদ্য পারফরম্যান্স করেছিলেন দলের গোলরক্ষক ঋত্বিক তিওয়ারি। এমন অভূতপূর্ব সাফল্য জুবিন গর্গকে উৎসর্গ করলেন এই ভারতীয় গোলরক্ষক। বেশকিছু ঘন্টা আগেই নিজের সোশ্যাল সাইটে এই সম্পর্কিত বেশকিছু ছবি আপলোড করে তিনি লেখেন, ‘মনে রাখার মতো একটি রাত।
গর্ব করার মতো একটি দল। শেষ পর্যন্ত লড়াইয়ে পর পর দুটি সুপার কাপ চ্যাম্পিয়ন। আন্তরিক গর্বের সাথে, আমি এই জয়টি আমাদের সবচেয়ে প্রিয় আইকন জুবিন গার্গকে উৎসর্গ করছি, যার কালজয়ী চেতনা এবং সঙ্গীত খেলার বাইরেও আমাদের পথপ্রদর্শন এবং অনুপ্রাণিত করে চলেছে। তোমাকে ভালোবাসি, জুবিন দা।









