টানা ১১ ম্যাচ অপরাজিত ইস্টবেঙ্গল, খুঁটিনাটি বিশ্লেষণ অ্যান্থনির

Anthony Andrews

বর্তমানে দেশের মহিলা ফুটবল লিগে অপ্রতিরোধ্য ইস্টবেঙ্গল ফুটবল দল (East Bengal Women)। এএফসির গ্ৰুপ পর্বে হাড্ডাহাড্ডি লড়াই করে ছিটকে যেতে হলেও সেখান থেকে ঘুরে দাঁড়াতে খুব একটা সমস্যা হয়নি। পরবর্তীতে সাফ চ্যাম্পিয়নশিপে দেশের হয়ে প্রতিনিধিত্ব করে মশাল কন্যারা। ভুটানের ট্রান্সপোর্ট ইউনাইটেড এফসি হোক কিংবা করাচি সিটি। অতি অবলীলায় একের পর এক দলকে টেক্কা দিয়ে চ্যাম্পিয়নশিপের অন্যতম দাবিদার হিসেবে উঠে এসেছিল ইস্টবেঙ্গল ক্লাব। শেষ ম্যাচে প্রতিবেশী দেশ নেপালের এপিএফ ক্লাবকে পরাজিত করে আন্তজার্তিক মঞ্চে ভারতবর্ষের মুখ উজ্জ্বল করে ময়দানের এই প্রধান।

যেটা নিঃসন্দেহে বিরাট বড় পাওনা সকলের কাছে। এই নিয়ে পঞ্চমবার আন্তর্জাতিক খেতাব জয় করল ইস্টবেঙ্গল। ভারতীয় ক্লাব ফুটবলের ইতিহাসে যা অন্য কোনও দলের নেই। তবে সেখানেই থেমে যায়নি লড়াই। কিছু দিনের ব্যবধানে দেশের প্রথম ডিভিশন ফুটবল লিগ তথা আইডাব্লুএলের অভিযান শুরু করে মশাল কন্যারা। সেখানেও রয়েছে সুলঞ্জনা রাউলদের দাপট। সেতু এফসি থেকে শুরু করে গাড়ওয়াল হোক কিংবা সেসা, কিকস্টার্ট গোকুলাম। একের পর এক ম্যাচে অতি সহজেই জয় ছিনিয়ে নিয়েছে দল। এখানেও দুরন্ত ছন্দে ধরা দিয়েছেন উগান্ডার তারকা ফুটবলার ফাজিলা ইয়কপুত।

   

তাঁর দৌলতে জয় ছিনিয়ে নিতে খুব একটা অসুবিধা হয়নি ইস্টবেঙ্গলের। যারফলে টানা ছয়টি ম্যাচ জিতে ১৮ পয়েন্ট নিয়ে প্রথম লেগের শেষে পয়েন্ট টেবিলের শীর্ষস্থানে রয়েছে লাল-হলুদ। এই ছন্দ বজায় রেখেই দ্বিতীয় লেগে সাফল্য পাওয়ার লক্ষ্য থাকবে সকলের। দলের এমন অভূতপূর্ব পারফরম্যান্স নিয়েই এবার নেট মাধ্যমে বিশেষ পোস্ট করলেন কোচ অ্যান্থনি অ্যান্ড্রুজ। যেখানে লেখা রয়েছে, ‘ শেষ মুহূর্তের গোলে এএফসি চ্যাম্পিয়ন্স লিগের শীর্ষ ৮-এ স্থান হারানো থেকে শুরু করে – যে মুহূর্তটি সাফ ক্লাব চ্যাম্পিয়নশিপ এবং আইডাব্লুএলের প্রথম পর্ব জুড়ে আমাদের কি প্রতিক্রিয়া ছিল তা জানাতে পারি। ৩১ দিনে ১১টি ম্যাচ। ১০টি জয়। ১টি ড্র। মাত্র ১টি গোল হজম।’

আরও যোগ করেন, ‘ এটা সহজ ছিল না। শারীরিকভাবে কঠিন। মানসিকভাবে ক্লান্তিকর। কিন্তু এই দলের খেলোয়াড় এবং আমার সহকর্মীদের নিয়ে আমি আরও গর্বিত। প্রতিদিন যে স্থিতিস্থাপকতা, শৃঙ্খলা এবং ঐক্য দেখানো হয়েছে তা এই দলের সম্পর্কে অনেক কিছু বলে। যখন আমরা একটি ছোট বিরতিতে পা রাখি, তখন প্রতিফলন, পুনরায় সেট করার এবং আরও গুরুত্বপূর্ণভাবে, ৩১ দিনের তীব্র ভ্রমণের পর মনকে কিছুটা বিশ্রাম দেওয়ার সময়। আমাদের পাশে থাকা সমর্থকদের আন্তরিক ধন্যবাদ‌। স্ট্যান্ডে হোক বা বিমানবন্দরে – আপনাদের সমর্থন কখনোই অলক্ষিত থাকে না। আমরা আরও শক্তিশালী হয়ে ফিরে আসছি। আমরা খেতাবের জন্য লড়াই করছি। এখনও ৮টি ম্যাচ বাকি।’

এই ধরনের গুরুত্বপূর্ণ খবর পেতে Google News-এ Kolkata24x7 ফলো করুন