গতবারের পর এবার ও ইন্ডিয়ান ওমেন্স লিগে দুরন্ত ছন্দে রয়েছে ইস্টবেঙ্গল (East Bengal) ফুটবল ক্লাব। গত ২৪শে ডিসেম্বর সেতু এফসিকে পরাজিত করে এই সর্বভারতীয় ফুটবল টুর্নামেন্ট শুরু করেছিল ময়দানের এই প্রধান। তারপর থেকে সময় যত এগিয়েছে ততই নিজেদের পুরনো ছন্দে ধরা দিয়েছে মশাল ব্রিগেড। গাড়ওয়াল হোক কিংবা সেসা ফুটবল ক্লাব। জয় ছিনিয়ে নিতে খুব একটা সমস্যা হয়নি তাঁদের পক্ষে। এমনকি গত শুক্রবার কল্যাণী স্টেডিয়ামে চতুর্থ ম্যাচ খেলতে নেমেছিল গতবারের বিজয়ীরা। যেখানে তাঁদের প্রতিপক্ষ হিসেবে ছিল নীতা ফুটবল অ্যাকাডেমি।
সম্পূর্ণ সময়ের শেষে প্রতিপক্ষ দলকে পাঁচ গোলের মালা দেয় সুলঞ্জনা রাউলরা। এদিন সুলঞ্জনা থেকে শুরু করে গোল পান যথাক্রমে সৌম্যা গুগুলথ, রেস্টি নানজিরি, ফাজিলা ইয়কপুত এবং নাওরেম প্রিয়াঙ্গা দেবী। বলাবাহুল্য, চোট সমস্যা কাটিয়ে ওঠার পর এটাই প্রথম ম্যাচ ছিল এই মহিলা ফুটবলারের। সেই ম্যাচে পরিবর্ত হিসেবে মাঠে নেমে গোল করে যান তিনি। যা নিঃসন্দেহে আত্মবিশ্বাস বাড়াবে দলের। তাঁর এমন অভূতপূর্ব পারফরম্যান্স নিয়ে যথেষ্ট খুশি সমর্থকরা। এছাড়াও তাঁর খেলায় খুশি কোচ অ্যান্থনি অ্যান্ড্রুজ।
হাতে কয়েকদিন সময়। তারপরেই আগামী ৬ই জানুয়ারি পরবর্তী ম্যাচে নামবে লাল-হলুদ শিবির। যেখানে তাঁদের লড়াই করতে হবে বেঙ্গালুরুর ফুটবল ক্লাব কিকস্টার্ট দলের সঙ্গে। ধারে ও ভারে এই মুহূর্তে কিকস্টার্টের থেকে অনেকটাই এগিয়ে ইস্টবেঙ্গল ক্লাব। তবুও প্রতিপক্ষ দল নিয়ে যথেষ্ট সাবধানী লাল-হলুদ কোচ অ্যান্থনি অ্যান্ড্রুজ। ম্যাচ শেষে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে তিনি বলেন, ‘আমাদের দল এই ম্যাচে যথেষ্ট ভালো ফুটবল খেলেছে। আপাতত বিশ্রাম নিয়ে আমরা পরবর্তী ম্যাচের জন্য এগোবো। প্রতিপক্ষ দল শ্রীভূমির বিপক্ষে এক গোলের ব্যবধানে জয় পেয়েছে। কাজেই ওরা আত্মবিশ্বাস নিয়ে খেলতে নামবে। তবে আশা করব আমাদের খেলোয়াড়রা নিজেদের খেলাটাই খেলবে। পুরো পয়েন্ট নিয়ে আসতে সক্ষম হবে।’
