
বর্তমানে যথেষ্ট ভালো ছন্দে রয়েছে ইস্টবেঙ্গলের (East Bengal ) মহিলা দল। বলা যায় গতবার ঠিক যেখানে শেষ করেছিল সেখান থেকেই এবার ইন্ডিয়ান ওমেন্স লিগ শুরু করল ময়দানেরই প্রধান। নির্ধারিত সূচি অনুসারে এদিন টুর্নামেন্টের প্রথম ম্যাচে নেমেছিল অ্যান্থনি অ্যান্ড্রজের মেয়েরা। যেখানে তাঁদের প্রতিপক্ষ হিসেবে ছিল গোয়ার শক্তিশালী সেতু এফসি। সম্পূর্ণ সময় শেষে ১-০ গোলের ব্যবধানে এই ম্যাচে জয় ছিনিয়ে নিল মশাল কন্যারা। দলের হয়ে একটিমাত্র গোল করেন সৌম্যা গুগুলথ। দলের এই জয় নিয়ে খুশি ম্যানেজমেন্ট। আগামী ম্যাচগুলিতে এই পারফরম্যান্স ধরে রাখাই এখন অন্যতম চ্যালেঞ্জ সকলের।
গতবার এই সর্বভারতীয় খেতার জয়ের সুবাদেই এবার আন্তর্জাতিক মঞ্চে প্রতিনিধিত্ব করার সুযোগ পেয়েছিল মশাল কন্যারা। এএফসির টুর্নামেন্টে যথেষ্ট দাপটের সাথে খেলতে দেখা গিয়েছিল ফাজিলা ইয়কপুতদের। পরবর্তীতে গ্রুপ পর্বের প্রথম ম্যাচে জয় আসলেও আর এগোনো সম্ভব হয়নি। স্বাভাবিকভাবেই গ্রুপ তেজ খেলেই টুর্নামেন্ট থেকে বিদায় নিতে হয়েছিল দলকে। তবে সেই হতাশা ভুলে ওমেন্স সাফ চ্যাম্পিয়নশিপে চূড়ান্ত সাফল্য পাওয়ার লক্ষ্য ছিল সুলঞ্জনা রাউলদের। সেক্ষেত্রে খুব একটা ঝক্কি পোহাতে হয়নি দলকে। শেষ পর্যন্ত নেপালের এপিএফ এফসিকে তিন গোলে হারিয়ে গত কয়েকদিন আগেই এসেছে সাফল্য।
তারপর আর খুব একটা বিশ্রাম নেওয়ার সুযোগ পাননি মহিলা ফুটবলাররা। তারপরেই আজ ইন্ডিয়ান ওমেন্স লিগের নতুন সিজনের প্রথম ম্যাচ খেলতে হয়েছিল ফুটবলারদের। এক্ষেত্রে ফুটবলারদের ক্লান্তি যথেষ্ট চাপে রেখেছিল কোচকে। তবুও শেষ পর্যন্ত সেতুকে আটকে দিতে সক্ষম হয়েছে লাল-হলুদ। এদিন প্রথম থেকেই পাসিং ফুটবল খেলে ম্যাচে প্রতিপত্তি বাড়াতে শুরু করেছিল ইস্টবেঙ্গল। অপরদিকে, সুযোগ বুঝেই পাল্টা চাপ বাড়াতে শুরু করেছিল সেতু। প্রথমার্ধে একবার গোলের সহজ সুযোগ আসলেও সেটি কাজে লাগাতে পারেননি কেউ।
নাহলে প্রথমার্ধে এগিয়ে থেকেই দ্বিতীয়ার্ধ শুরু করতে পারত দল। পরবর্তীতে একবার এগিয়ে যাওয়ার সুযোগ এসেছিল প্রতিপক্ষ দলের কাছে। কিন্তু কাজের কাজ কিছুই হয়নি। বলতে গেলে সহজ সুযোগ হেলায় হারায় সেতু দল। অপরদিকে, ম্যাচের ষষ্ঠ কোয়ার্টারের শুরুতে সুলঞ্জনা রাউলের পাস থেকে গোল করে যান সৌম্যা। তাঁর গোলেই শেষ পর্যন্ত আসে জয়।










