
গত রবিবার সন্ধ্যায় আর ও একবার স্বপ্ন ভঙ্গ হয়েছে ইস্টবেঙ্গলের (East Bengal Super Cup)। আইএফএ শিল্ড ফাইনালের হতাশা ভুলে এবার দেশের সর্বভারতীয় কাপ টুর্নামেন্ট তথা সুপার কাপ চ্যাম্পিয়ন হওয়ার লক্ষ্য থাকলেও সেটা সম্ভব হয়নি।
গ্ৰুপ পর্বে হাড্ডাহাড্ডি লড়াইয়ের পর সেমিফাইনালে দল অনায়াসেই পরাজিত করেছিল প্যানাজিওটিস ডিলমপেরিসের পাঞ্জাব এফসিকে। তারপর ফাইনালে লড়াই করতে হয়েছিল মানোলো মার্কেজের শক্তিশালী এফসি গোয়ার বিপক্ষে। পুরনো সমস্ত পরিসংখ্যান দূরে ঠেলে এই ম্যাচে জয় ছিনিয়ে নেওয়ার টার্গেট থাকলেও সেটা সম্ভব হয়নি।
শেষ পর্যন্ত নিজেদের ঘরের মাঠেই দ্বিতীয়বারের জন্য এই খেতাব চ্যাম্পিয়ন হয় এফসি গোয়া। তবে লড়াইটা খুব একটা সহজ ছিল না মানোলোর ছেলেদের। সেদিন প্রথম থেকেই যথেষ্ট আক্রমণাত্মক ভঙ্গিতে দেখা গিয়েছিল লাল-হলুদ ফুটবলারদের।
SIR নিয়ে ফের শুরু কমিশন মমতা তরজা
বিপিন সিং থেকে শুরু করে মিগুয়েল ফেরেইরা, ক্রমে ক্রমে একাধিকবার আক্রমণ সংগঠিত করলেও গোলের মুখ খোলা একেবারেই সম্ভব হয়নি। যারফলে স্বাভাবিকভাবেই অমীমাংসিত ফলাফলে শেষ হয়েছিল ম্যাচের প্রথমার্ধ। তারপর দ্বিতীয়ার্ধে বেশ কয়েকবার গোলের সুযোগ তৈরি করেছিলেন দেজান ড্রাজিচ থেকে শুরু করে বোরহা হেরেরা ও ব্রাইসন ফার্নান্দেজরা।
তবে আনোয়ার আলি থেকে শুরু করে কেভিন সিবিলের মতো ফুটবলারদের সক্রিয়তায় বিপদ ঘটেনি। এমনকি পরবর্তীতে পিভি বিষ্ণু গোল তুলে নেওয়ার মতো পরিস্থিতি তৈরি করলেও গোয়ার গোলরক্ষকের সক্রিয়তায় নিয়ন্ত্রণে এসে গিয়েছিল পরিস্থিতি।
স্বাভাবিকভাবেই ম্যাচ গড়িয়ে ছিল টাইব্রেকারে। কিন্তু সেখানে ও ম্যাচের সুরাহা হয়নি। স্বাভাবিকভাবেই খেলা চলে গিয়েছিল সাডেন ডেথে। সেখানেই বাজিমাত করে এফসি গোয়া। পিভি বিষ্ণু শট মিস করার পরেই সাহিল টাভোরা বল গোলে ঠেলে দিতেই খেতাব নিশ্চিত হয়ে যায় গোয়ার।
দাপিয়ে খেলে ও এমন পরাজয় যেন কিছুতেই মেনে নিতে পারছেন না সমর্থকরা। তবে এই ধাক্কা কাটিয়ে শীঘ্রই ঘুরে দাঁড়ানোর ইঙ্গিত দিতে দেখা গেল লাল-হলুদের বিদেশি সহকারী কোচ আদ্রিয়ান রুবিওকে। বেশকিছু ঘন্টা আগেই নিজের সোশ্যাল সাইটে রানার্স আপের মেডেলের ছবি আপলোড করে তিনি লেখেন, ‘২৪ ঘন্টা পর, যখন তীব্র ব্যথা প্রতিফলিত হয়, তখন আমি কেবল এই দলে, আমাদের কাজে এবং আমরা যা তৈরি করছি তাতে গর্ব অনুভব করতে পারি।
এটি আমাদের দৈনন্দিন জীবন: আপনি পড়ে যান এবং আপনি উঠে দাঁড়ান, এবং আপনি পরবর্তী চ্যালেঞ্জের জন্য লড়াই করেন।’ তবে এই ধাক্কা কাটিয়ে উঠে আগামী দিনে আদৌও ঘুরে দাঁড়ানো কতটা সহজ হবে সেটাই দেখার বিষয়।










