মহামেডান ম্যাচের পর ক্ষোভ উগরে দিলেন দেবব্রত সরকার

East Bengal Top Official Debabrata Sarkar

শনিবার আইএসএলের সপ্তম ম্যাচ খেলতে নেমেছিল ইমামি ইস্টবেঙ্গল (East Bengal)। মরসুমের এই তৃতীয় ডার্বি ম্যাচ নিয়ে প্রথম থেকেই সরগরম ছিল সল্টলেকের যুবভারতী ক্রীড়াঙ্গন। একদিকে যেমন টুর্নামেন্টে প্রথম জয়ের স্বাদ পাওয়ার পরিকল্পনা ছিল লাল-হলুদ ব্রিগেডের অন্যদিকে টানা তিন ম্যাচ পরাজিত হওয়ার পর পয়েন্ট পেতে মরিয়া ছিল ব্ল্যাক প্যান্থার্সরা। শুরু থেকেই সাদা-কালো ফুটবলারদের দাপট ইস্টবেঙ্গল রক্ষণভাগে চাপ সৃষ্টি করলেও অত্যন্ত বুদ্ধিদীপ্ত ভাবে গোটা পরিস্থিতি সামাল দেন লালচুংনুঙ্গা থেকে শুরু করে আনোয়ার আলির মতো ফুটবলাররা।

যারফলে প্রথমার্ধের তৃতীয় কোয়ার্টারের শুরুতে দল জোড়া লাল কার্ড দেখলেও প্রতিপক্ষ দলকে আটকাতে খুব একটা সমস্যা হয়নি অস্কার ব্রুজনের ছেলেদের। বলাবাহুল্য, এই ম্যাচে মহামেডানের আক্রমণ সামাল দেওয়ার পাশাপাশি প্রতি আক্রমণে উঠতে ছাড়েননি দিমিত্রিওস ডায়মান্তাকস থেকে শুরু করে হিজাজি মাহেররা। কিন্তু পরিস্থিতির প্রতিকূলে গিয়ে গোল তুলে আনা যথেষ্ট কঠিন হয়ে উঠে মশাল ব্রিগেডের কাছে।‌ এসবের মাঝেই প্রতিপক্ষের গোল বক্সের সামনে ফাউল আদায় করে নেন দিমিত্রিওস ডায়মান্তাকস।

   

এক্ষেত্রে দলের প্রত্যেকে পেনাল্টির আবেদন করলেও নির্দ্বিধায় সেটি নাকচ করে দেন ম্যাচ রেফারি হরিশ কুন্ডু। যা রীতিমত চমকে দেয় সকলকে। ম্যাচ শেষে তাঁর এই বিতর্কিত সিদ্ধান্ত নিয়েই ক্ষোভ উগড়ে দেন লাল-হলুদ শীর্ষকর্তা দেবব্রত সরকার (Debabrata Sarkar)। সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে তিনি বলেন, “এটা রেফারির জয়। রেফারি, ম্যাচ কমিশনার এদের কৃতিত্ব রয়েছে। ইস্টবেঙ্গলকে টপ সিক্সে যেতে না দেওয়ার একটা পরিকল্পনা বলেই আমার ধারনা। আমরা যতগুলো ম্যাচ মিস করেছি প্রতিটি ক্ষেত্রেই আমরা বঞ্চিত হয়েছি।”

অর্থাৎ ম্যাচ রেফারি সিদ্ধান্ত নিয়ে তিনি যে কতটা হতাশ সেটা পরিষ্কার। আগামী ২৯শে নভেম্বর নিজেদের ঘরের মাঠে শক্তিশালী নর্থইস্ট ইউনাইটেডের বিপক্ষে খেলতে নামবে ইমামি ইস্টবেঙ্গল। তাঁর আগে রয়েছে বেশ কিছুটা সময়। সেটা কাজে লাগিয়েই নিজের সেরা একাদশ সাজিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করবেন ব্রুজন।

এই ধরনের গুরুত্বপূর্ণ খবর পেতে Google News-এ Kolkata24x7 ফলো করুন