
চলতি সিজনে দ্বিতীয় খেতাব জয় করল ইস্টবেঙ্গলের পুরুষ দল (East Bengal)। এবারের কলকাতা ফুটবল লিগের পর কুলদাকান্ত শিল্ড চ্যাম্পিয়ন হল কলকাতা ময়দানের এই প্রধান। পূর্ব নির্ধারিত সূচি অনুসারে এদিন দুপুরে রায়গঞ্জে টুর্নামেন্টের ফাইনাল ম্যাচে নেমেছিল লাল-হলুদের জুনিয়র দল। যেখানে তাঁদের প্রতিপক্ষ হিসেবে ছিল বাংলার আরেক শক্তিশালী ফুটবল দল ডায়মন্ড হারবার এফসি। সম্পূর্ণ সময়ের শেষে ৩-০ গোলের ব্যবধানে এই ম্যাচে জয় ছিনিয়ে নিল মশাল ব্রিগেড।
দলের হয়ে গোল পান যথাক্রমে সায়ন বন্দোপাধ্যায়, শ্যামল বেসরা ও নাসিব রহমান। বছরের শেষে ঘরে এই খেতাব আশায় যথেষ্ট খুশি সমর্থকরা। বলতে গেলে এবার বড়দের হাড়ের বদলা নিল ছোটরা। গত কয়েক মাস আগেই ঐতিহ্যবাহী ডুরান্ড কাপের সেমিফাইনালে এই ডায়মন্ড হারবার দলের মুখোমুখি হয়েছিল ইস্টবেঙ্গল ফুটবল দল।
উদীচী-ছায়ানট ভাঙচুরে কার উস্কানি? ফাঁস চাঞ্চল্যকর তথ্য
সেবার সমর্থকদের বহু প্রত্যাশা থাকলেও শেষ পর্যন্ত কার্যকরী হয়নি। একমাত্র বোনের ব্যবধানে পরাজিত হয়ে টুর্নামেন্ট থেকে ছিটকে যেতে হয়েছিল অস্কার ব্রুজোর ছেলেদের। সেই নিয়ে ব্যাপক হতাশ ছিলেন সমর্থকরা। আজ ফের মুখোমুখি হয়েছিল উভয় দল।
তবে এবার লড়াই করেছে উভয়ের জুনিয়র দল। শেষ পর্যন্ত বাজিমাত করল কলকাতা ময়দানে এই প্রধান। এদিন ম্যাচের দ্বিতীয় কোয়ার্টারের মধ্যেই দলকে এগিয়ে দিয়েছিলেন সায়ন। ফাইনাল ম্যাচে অগ্রগমন নিঃসন্দেহে অনেকটাই আত্মবিশ্বাস বাড়িয়ে দেয় যেকোনও দলের ক্ষেত্রে। সেটাই হয়েছে। তারপর কিছু সময়ের মধ্যেই চলে এসেছিল দ্বিতীয় গোল।
এবার প্রায় ৩৪ মিনিটের মাথায় দলের হয়ে দ্বিতীয় গোল করে যান শ্যামল বেসরা। কিন্তু সেখানেই শেষ নয়। মিনিট দুয়েকের ব্যবধানে ফের গোল। এবার বল জালে জড়িয়ে দেন নাসিব। প্রথমার্ধের শেষে এই ব্যবধানেই এগিয়েছিল মশাল ব্রিগেড। পরবর্তীতে উভয় দল বেশ কয়েকবার গোলের সুযোগ পেলেও সেগুলি কাজে লাগাতে পারেনি কেউ। যারফলে সহজেই নিশ্চিত হয়ে যায় এই খেতাব।










