আইএসএলের আগে প্রস্তুতিতে ব্যস্ত East Bengal FC। গোলকিপার কোচ সন্দীপ নন্দীর বিদায়ের পর নতুন কোচ খোঁজ চলছে। শোনা যাচ্ছে, প্রাক্তন ফুটবলার Felix De Souza–এর নামই এগিয়ে রয়েছে। চূড়ান্ত সিদ্ধান্তের অপেক্ষায় লাল–হলুদ শিবির।
গত ৫ই জানুয়ারি থেকে পুনরায় অনুশীলন শুরু করেছে ইস্টবেঙ্গল ফুটবল ক্লাব। পুরনো সমস্ত ব্যর্থতা ভুলে এবার ঘুরে দাঁড়ানোর লড়াই। সপ্তাহ কয়েক আগেই ঘোষণা হয়ে গিয়েছে আইএসএলের দিনক্ষণ। সেই অনুযায়ী আগামী মাসের মাঝামাঝি সময় থেকেই শুরু হয়ে যাবে দেশের এই প্রথম ডিভিশন ফুটবল লিগ। স্বাভাবিকভাবেই হাতে যে খুব একটা সময় নেই সেটা বলাই চলে। তাছাড়া এবার বদল এসেছে টুর্নামেন্টের ফরম্যাটে। যারফলে কমতে চলেছে ম্যাচ সংখ্যা। কাজেই লড়াই এবার আগের থেকে অনেকটাই কঠিন। সেটা নতুন করে বলার অপেক্ষা রাখে না। তাই সবদিক মাথায় রেখেই দলকে তৈরি করতে চাইছেন অস্কার।
গত বৃহস্পতিবার বিকেলে সকল সমর্থক ও সাংবাদিকদের জন্য উন্মুক্ত ছিল দলের অনুশীলন। কাজেই সেদিন যুবভারতীর অনুশীলন গ্ৰাউন্ডে ভিড় জমাতে দেখা গিয়েছিল বহু সভ্য সমর্থকদের। যুবভারতী চত্বর জুড়ে ভেসে এসেছিল লাল-হলুদ সমর্থকদের সেই চেনা স্লোগান। তারপর অনুশীলন শেষে কোচ ও প্রিয় ফুটবলারদের ঘিরে সেই পরিচিত উন্মাদনা ও সেলফি তোলার ধুম ও ছিল নজরকাড়া। কিন্তু এসবের মাঝেই যেন কিছুটা চিন্তায় রাখছে দলের চোট সমস্যা। এদিনের অনুশীলনে ফিজিক্যাল ট্রেনিংয়ের পর দলের অধিকাংশ ফুটবলার বল পায়ে অনুশীলন করলেও সাইড লাইনেই সময় কাটান স্প্যানিশ তারকা সাউল ক্রেসপো।
তাঁর সঙ্গে কোচ অস্কার ব্রুজোকে কথা বলতে দেখা যায় দীর্ঘক্ষণ। যতদূর খবর, খুব শীঘ্রই দলের সঙ্গে অনুশীলনে যোগদান করবেন সাউল। তবে ইতিমধ্যেই দল ছেড়েছেন দুই তারকা ফরোয়ার্ড। হামিদ আহদাদ এবং হিরোশি ইবুসুকি। তাঁদের বিকল্প হিসেবে কাদের সই করায় ইস্টবেঙ্গল সেদিকে নজর থাকবেই সকলের। পাশাপাশি গত মাস থেকেই বারংবার উঠে এসেছে দলের গোলকিপার কোচের ভূমিকা। বলাবাহুল্য, গত সুপার কাপের সময় দায়িত্ব ছেড়েছিলেন সন্দীপ নন্দী। তারপর সাময়িকভাবে অস্কার ব্রুজোর সহকারী দলের দায়িত্ব পালন করলেও আইএসএলের আগে নতুন কোচ আনতে তৎপর ম্যানেজমেন্ট।
শোনা যাচ্ছিল এক্ষেত্রে হয়তো ভারতীয় কোচ নিয়োগ করতে পারে মশাল ব্রিগেড। যদিও এখনও পর্যন্ত চূড়ান্ত ঘোষণা আসেনি। তবে মনে করা হচ্ছে, সব ঠিকঠাক থাকলে দলের দায়িত্ব পেতে পারেন প্রাক্তন ফুটবলার ফেলিক্স ডি সুজা। নিজের ফুটবল ক্যারিয়ারে গোয়ার অন্যতম শক্তিশালী তিন ফুটবল ক্লাব তথা সালগাওকার, চার্চিল ব্রাদার্স এবং স্পোর্টিং ক্লুব দ্যা গোয়ার হয়ে খেলেছিলেন তিনি। তাঁর অভিজ্ঞতার উপর দল ভরসা রাখে কিনা এখন সেটাই দেখার।


