
আইপিএল ২০২৬ (IPL 2026)কলকাতা নাইট রাইডার্স (KKR) এক বড় চমক এনে দিয়েছিল। ৯ কোটি ২০ লক্ষ টাকায় দলে নেওয়া হয় বাংলাদেশি পেসার মুস্তাফিজুর রহমানকে (Mustafizur Rahman)। কিন্তু বিসিসিআই-এর হঠাৎ সিদ্ধান্তে এই তারকা ক্রিকেটারকে আইপিএল থেকে বাদ দেওয়া হলে শুরু হয়েছে আর্থিক ও আইনি জটিলতার পাল্লা।
নিজের বান্ধবীর সঙ্গে বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হতে চলেছেন কিয়ান
আইপিএল নিলামের নিয়ম অনুযায়ী, কোনও ক্রিকেটারকে কেনার পর সেই অর্থ ফ্র্যাঞ্চাইজির পার্স থেকে ‘লক’ হয়ে যায়। সাধারণত মরশুম শুরুর আগে ক্রিকেটারের চুক্তির ১৫ শতাংশ অর্থ দেওয়া হয়। যদি ফ্র্যাঞ্চাইজির পক্ষ থেকে ক্রিকেটারকে বাদ দেওয়া হয়, তবে পুরো অর্থ দেওয়া বাধ্যতামূলক।
তবে মুস্তাফিজুরের ঘটনা স্বাভাবিক পরিস্থিতির বাইরে চলে গেছে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এটি এখন ‘ফোর্স মেজ্যুর’ বা অপ্রত্যাশিত পরিস্থিতির আওতায় পড়ছে। অর্থাৎ কেকেআর নিজে থেকে তাকে ছাড়েনি; বরং বিসিসিআই সরকারিভাবে নির্দেশ দিয়েছে তাকে আইপিএল থেকে বাদ দিতে। তাই কেকেআরের উপর আর্থিক বা চুক্তিগত কোনো বাধ্যবাধকতা নেই।
কাটছে ISL জট, এই দিন সামনে আসবে আইএসএলের দিনক্ষণ!
কেকেআরের সবচেয়ে বড় চিন্তার বিষয় হল ৯ কোটি ২০ লক্ষ টাকা। বোর্ড সচিব দেবজিৎ সাইকিয়া জানিয়েছেন, দল বিকল্প ক্রিকেটার নিতে পারবে। কিন্তু লক থাকা অর্থ ফেরত পাওয়া যাবে কিনা, সে বিষয়ে কোনো স্পষ্ট নির্দেশ নেই। আইপিএলের ইতিহাসে একবার লক হয়ে গেলে অর্থ রিফান্ডের নিয়ম খুব স্পষ্ট নয়। ফলে কেকেআরের জন্য এই অর্থের ব্যবহার নিয়ে বড় ধাঁধা তৈরি হয়েছে।
অন্যদিকে মুস্তাফিজুরের সামনে এখন বিসিসিআই বা কেকেআরের কাছে ক্ষতিপূরণ দাবি করার আইনি পথও খোলা রয়েছে। তবে যদি তিনি দাবি করেন, সেই অর্থ কার মাধ্যমে মেটানো হবে, তা নিয়ে কোনো স্পষ্ট গাইডলাইন নেই।
মুস্তাফিজুর ইস্যুতে BCCI সিদ্ধান্তে ক্ষুব্ধ বাংলাদেশ বোর্ড, আসবে না বিশ্বকাপ খেলতে?
সব মিলিয়ে, মুস্তাফিজুর বনাম কেকেআর মামলাটি এখন শুধুমাত্র ক্রিকেটের ময়দানের সীমা ছাড়িয়ে আইনি ও আর্থিক আলোচনার মঞ্চে চলে গেছে। খেলা না খেলেও, মুস্তাফিজুরর আর্থিক পরিসর নিয়ে শুরু হয়েছে ক্রিকেট মহলে নতুন বিতর্ক।










