
cricket news: অভিষেক ম্যাচের প্রথম রান, প্রথম ক্যাচ, প্রথম উইকেট, প্রথম স্টাম্পিং- মোটামুটি যা কিছুই প্রছুই, সব কিছুই বিশেষ রকমের কাছের হয়। ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিরুদ্ধে ভারতের হয়ে দুজন তরুণ খেলোয়াড়ের অভিষেক হয়। প্রথমজন যশশ্বী জয়সওয়াল এবং দ্বিতীয় জন ঈশান কিশান (Ishan Kishan)।
যশশ্বী জয়সওয়াল অবশ্য মাঠে ব্যাট হাতে নেমেই প্রমাণ করে দিয়েছিলেন নিজেকে। সেঞ্চুরি করা মাত্র তাঁকে জড়িয়ে ধরেন অপর প্রান্তে থাকা অধিনায়ক রোহিত শর্মা (Rohit Sharma)। তৃতীয় দিন ১৭১ রান করে আউট হয়ে যখন প্যাভিলিয়ন ফিরলেন, দলের প্রত্যেকে দাঁড়িয়ে উঠে সংবর্ধনা জানান তাঁকে। মনে রাখার মতো অভিষেক ম্যাচ যশশ্বী জয়সওয়ালের।
অবশ্য ওপেনার হলে সময় সুযোগ পাওয়া যায় বেশি। কিন্তু কম রানের ম্যাচে সাত নম্বরে নেমে রান করার আর সুযোগ কোথায় আর থাকে সেরকম! বেচারা ঈষান কিষান সাতে নেমে তাই ব্যাট হাতে কিছু করতে পারলেন না।
ডমিনিকার মাঠও খুব বিশেষ ব্যাটিং সহায়ক নয়। তবে টিকে থাকতে পারলে রান করা যায়। এই জিনিসটা প্রমানও করে দিয়ে যান রোহিত শর্মা এবং যশস্বী। তবে পিচ বা আউটফিল্ড ঠিক কি, তা বুঝতে ব্যাটারদের স্ট্রাইক রেট দেখলেই চলে। কেউ ৫০ টপকায়নি। যিনি টপকেছেন, অর্থাৎ শুভমন গিল, তিনি ৬ রানেই কুপোকাত।
ঈশানও মাঠে নেমে একই সমস্যায় কবলে পড়েন। একটা রানও কিছুতেই করতে পারছিলেন না। তাতেই একপ্রকার ক্ষেপে যান রোহিত। ডাগ আউটে এসে হাত নাড়িয়ে একপ্রকার রেগে গিয়ে বোঝাবার চেষ্টা করেন, যাতে ডিক্লেয়ার করার আগে একটা রান অন্তত করে ঈশান।
— Nihari Korma (@NihariVsKorma) July 15, 2023
ঈশান মান রাখেন। ২০ বলে অবশেষে ১ রান করেন তিনি। তৎক্ষনাৎ ইনিংস ডিক্লেয়ার করে দেয় ভারত। ভারত এক ইনিংসে জিতেও যায় ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিরুদ্ধে।
পরে রোহিত এসে খোলসা করে বলেন সব। যশশ্বীর প্রশংসা করেন। বললেন, “দক্ষতা আছে ওর। ও এখানে থাকতেই এসেছে।” আরো আভাস দিলেন, পরের টেস্টে দেখা যেতে পারে নতুন মুখ।
পাশাপাশি বললেন ঈশানের কথা। বললেন, “প্রথম ম্যাচ, চাইছিলাম ডিক্লেয়ার করার আগে একটা রান পাক অন্তত। বুঝতে পারছিলাম যে ও ব্যাট করতে চাইছে, কিন্তু প্রতিপক্ষেরও তো বিরক্তিকর লাগতে পারে।” সত্যিই তো, প্রথম ম্যাচে একটা রানও না পেলে কেমন করে হয়!










