সারা বিশ্বে গুরুত্ব নেই। তবুও আলোচনার কেন্দ্রবিন্দু হতে চেয়ে চরম অপমানিত পাকিস্তান। (Pakistan mediation)দিল্লিতে ইসরায়েলের রাষ্ট্রদূত রেউভেন আজার স্পষ্ট বার্তা দিয়েছেন পাকিস্তান কি বলছে তাতে মাথা ব্যাথা নেই ইসরায়েল কিংবা আমেরিকার। ইরানের বিরুদ্ধে চলতে থাকা সংঘাতের মাঝে পাকিস্তান যদি আমেরিকা-ইসরায়েল ও ইরানের মধ্যে মধ্যস্থতার প্রস্তাব নিয়ে এগিয়ে আসে, তাহলে ইসরায়েলের অবস্থান অত্যন্ত পরিষ্কার। কোনও মধ্যস্থতাকারীর কথা শুনে সিদ্ধান্ত নেবে না তারা এমনটাই স্পষ্ট করে দিয়েছে।
দিল্লিতে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলার সময় রেউভেন আজার বলেন, “যতক্ষণ আমাদের অবস্থান ও শর্তগুলো পূরণ না হয়, ততক্ষণ আমেরিকা ঠিক করবে তারা কোথায় আলোচনা করতে চায়। আমি মনে করি না এর খুব বেশি গুরুত্ব আছে। শেষ পর্যন্ত আমরা এখানে আছি আমাদের নিজস্ব স্বার্থ রক্ষা করতে। যতক্ষণ আমেরিকার স্বার্থের সঙ্গে আমাদের স্বার্থ সামঞ্জস্যপূর্ণ থাকবে, ততক্ষণ আমরা সন্তুষ্ট।”
আরও দেখুনঃ দুই প্রধানের কারা সুযোগ পেলেন জাতীয় শিবিরে?
ইরানের সঙ্গে আমেরিকার সম্ভাব্য আলোচনার সময় ইসরায়েল তার অভিযান বন্ধ করবে কি না এই প্রশ্নের উত্তরে রাষ্ট্রদূত সরাসরি বলেন, “আমরা এখন যা করছি, তা-ই করছি।” অর্থাৎ, আলোচনা চলাকালীনও ইসরায়েল তার সামরিক অভিযান চালিয়ে যাচ্ছে, তবে শর্তসাপেক্ষে। তিনি জোর দিয়ে বলেন যে, ইসরায়েল কোনো আলোচনায় নিজেদের নিরাপত্তা ও স্বার্থের সঙ্গে আপস করবে না।এই মন্তব্য আসছে এমন এক সময়ে, যখন মধ্যপ্রাচ্যে ইসরায়েল-ইরান সংঘাত তৃতীয় সপ্তাহে পড়েছে।
ইরান সম্প্রতি তেল আভিভসহ ইসরায়েলের বিভিন্ন শহরে নতুন ধরনের মিসাইল হামলা চালিয়েছে, যাতে একাধিক স্থানে ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। অন্যদিকে ইসরায়েল ও আমেরিকা যৌথভাবে ইরানের মিসাইল কারখানা ও সামরিক ঘাঁটিতে আঘাত হেনে চলেছে। পাকিস্তান এই পরিস্থিতিতে নিজেকে একজন সম্ভাব্য মধ্যস্থতাকারী হিসেবে উপস্থাপন করার চেষ্টা করছে বলে খবর রয়েছে।
রেউভেন আজার আরও বলেন, ইরান তার আগ্রাসী নীতি থেকে সরে আসছে না, বরং আরও জোরালোভাবে অবস্থান নিচ্ছে। তিনি উল্লেখ করেন যে, আমেরিকা ও ইসরায়েলের লক্ষ্য ইরান আক্রমণ করে দখল করা নয়, বরং ইরানের অভ্যন্তরীণ চাপ তৈরি করে তার নীতি বা নেতৃত্বে পরিবর্তন আনা। “ইরানি জনগণ যাতে তাদের দেশের নীতিতে পরিবর্তন আনতে পারে, সেই পরিবেশ তৈরি করাই আমাদের উদ্দেশ্য,” এমনটাই বলেন তিনি।




















