বিধানসভা নির্বাচনের আগে বৃহস্পতিবার কলকাতায় শাসকদল তৃণমূলের মহাবৈঠক। এটি কার্যত রাজ্য সম্মেলন বলেই চিহ্নিত হয়েছে। সম্মেলনেই তীব্র আলোচনা বিরোধী দল বিজেপিতে ধস নামছে।
উত্তর থেকে দক্ষিণ-বাংলা জুড়ে ধসাতঙ্কে বিজেপি। নেতা-বিধায়ক-সাংসদ মিলিয়ে কমপক্ষে তিন ডজন নেতা-নেত্রী BJP ছাড়তে তৈরি। এদের অনেক্ই প্রাক্তন তৃণমূল। তারা বিজেপিতে গেছিলেন। ফের তৃণমূলে ঢুকবেন।
বিজেপি ছাড়তে পারেন ৬ জন জেলা সভাপতি, প্রাক্তন সাংসদ দশরথ তিরকে ও গত লোকসভা নির্বাচনের বিজেপি প্রার্থীরা। কানাঘুষো তারা নিরাপত্তাহীনতা ভূগছেন। কারন, তাদের কেন্দ্রীয় নিরাপত্তা বলয় তুলে নেওয়া হয়েছে। বিজেপির উত্তর দিনাজপুর, নদিয়া, মুর্শিদাবাদ, বীরভূম, ঘাটাল ও কলকাতা উত্তর সাংগঠনিক জেলার সভাপতিদের কেন্দ্রীয় নিরাপত্তা তুলে নেওয়া হয়েছে।
বিজেপির মোট ৩২ জন নেতা-নেত্রীর কেন্দ্রীয় নিরাপত্তা বলয় তুলে নিয়েছে কেন্দ্রের মোদী সরকার। এতেই চরম ক্ষুব্ধ তারা। জানা যাচ্ছে নিরাপত্তাহীনতার আতঙ্কে এই বিজেপি নেতা-নেত্রীরা যোগাযোগ করেছেন তৃণমূলের সঙ্গে। তারা আশ্বাস পাচ্ছেন বলেই ইঙ্গিত আসছে।
আলিপুরদুয়ারে জন বারলার ক্ষোভ তুঙ্গে। তিনি প্রাক্তন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী। ২০২৪ সালের লোকসভা ভোটে টিকিট পাননি। বারলাকে ছেঁটে মাদারিহাটের প্রাক্তন বিধায়ক মনোজ টিগ্গাকে আলিপুরদুয়ার কেন্দ্র থেকে প্রার্থী করে বিজেপি। তিনি বর্তমান সাংসদ। নির্বাচনের সময় থেকে বারলা-টিগ্গা সংঘাত চলছে। সম্প্রতি মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় উত্তরবঙ্গ সফরে যান। তাঁর সঙ্গে একমঞ্চে দেখা গেছিল বারলাকে। তারপর থেকেই আলিপুরদুয়ারের প্রাক্তন বিজেপি সাংসদের দলবদল নিশ্চিত বলেই ধরে নিয়েছে বিজেপি।