আজ, ১২ জানুয়ারি ২০২৬, স্বামী বিবেকানন্দের ১৬৫তম জন্মদিবস উপলক্ষে কলকাতার সিমলা স্ট্রিটেSuvendu-Sukanta তাঁর মূর্তিতে মাল্যদান ও শ্রদ্ধার্ঘ অর্পণ করলেন বিজেপির (Suvendu-Sukanta) শীর্ষ নেতারা। স্বামীজির আদর্শ এবং কর্মপরিকল্পনা আজও প্রতিটি ভারতবাসীর জীবনে অনুপ্রেরণা যোগাচ্ছে। এই বিশেষ দিনে স্বামীজির প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদনের জন্য বিজেপির নেতৃত্বে একটি বড় ধরনের অনুষ্ঠান আয়োজন করা হয়, যা ছিল একদিকে মহাত্মীয় শ্রদ্ধার্ঘ্য প্রদর্শন, অন্যদিকে দেশপ্রেম ও আত্মমর্যাদার চেতনা জাগানোর একটি গুরুত্বপূর্ণ কর্মসূচি।
সিমলা স্ট্রিটে স্বামী বিবেকানন্দের মূর্তির কাছে মাল্যদান এবং শ্রদ্ধা নিবেদন করেন বিজেপি নেতা শুভেন্দু অধিকারী ও সুকান্ত মজুমদার,(Suvendu-Sukanta) এবং দলের অন্যান্য নেতারা। নেতারা স্বামী বিবেকানন্দের মূর্তিতে ফুলের মাল্য অর্পণ করে তাঁর চিরকালীন আদর্শ, দেশপ্রেম, মানবতার পক্ষে কাজ করার সংকল্পের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জানান। এ সময় উপস্থিত ছিলেন বহু কর্মী এবং সমর্থকরা, যারা স্বামীজির আদর্শে উদ্বুদ্ধ হয়ে উপস্থিত হন এবং এই মহৎ দিনে তাঁদের শ্রদ্ধা নিবেদন করেন।
এরপর, সিমলা স্ট্রিট (Suvendu-Sukanta) থেকে শুরু হয় বিজেপির ঐতিহাসিক ‘বিবেক যাত্রা’, যা স্টার থিয়েটার পর্যন্ত চলে। এই মিছিলে অংশগ্রহণ করেন বিজেপির রাজ্য নেতারা, সাংসদ, বিধায়করা, এবং দলে যোগ দেওয়া সাধারণ মানুষ। মিছিলের মধ্যে নেতারা ‘বিবেকানন্দ জিন্দাবাদ’, ‘হিন্দু ধর্ম জিন্দাবাদ’, ‘ভারত মাতা কি জয়’ স্লোগান দিয়ে পথচলা শুরু করেন। মিছিলে ভারতীয় সংস্কৃতি, দেশপ্রেম এবং মানবতার পক্ষে স্বামী বিবেকানন্দের জীবন ও কর্মের বার্তা তুলে ধরা হয়।
বিজেপি নেতারা (Suvendu-Sukanta) এদিনের বক্তব্যে স্বামী বিবেকানন্দের মহৎ আদর্শ ও চিন্তাধারার গুরুত্ব তুলে ধরেন। শুভেন্দু অধিকারী বলেন, ‘‘স্বামী বিবেকানন্দের শিক্ষা ও জীবন আমাদের প্রত্যেকের জন্য এক অনুপ্রেরণার উৎস। তাঁর পথই আমাদের পথ, তিনি যা বলেছিলেন—‘উন্নতির জন্য আত্মবিশ্বাসী হতে হবে’, সে কথাটি আজও আমাদের মধ্যে প্রবলভাবে প্রভাবিত করে।’’ সুকান্ত মজুমদারও নিজের বক্তব্যে বলেন, ‘‘স্বামী বিবেকানন্দ শুধু ভারতীয় জাতির জন্য নয়, সমগ্র বিশ্বের জন্য এক মহান শিক্ষক। তাঁর জীবনদর্শন এক অনন্য উদাহরণ। আজ আমরা তাঁর জন্মদিনে তাঁর চিরকালীন আদর্শের প্রতি শ্রদ্ধা জানাই।’’
বিজেপির ‘বিবেক যাত্রা’ শুধুমাত্র একটি রাজনৈতিক মিছিল নয়, এটি স্বামী বিবেকানন্দের দার্শনিক চিন্তা ও আদর্শকে বাংলার প্রতিটি মানুষের মনে জায়গা করে দেওয়ার এক গুরুত্বপূর্ণ উদ্যোগ। মিছিলটি স্টার থিয়েটার পৌঁছানোর পর, সেখানে এক সংক্ষিপ্ত সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভায় উপস্থিত ছিলেন বিজেপির বিভিন্ন নেতা এবং স্থানীয় নেতা-কর্মীরা, যারা স্বামীজির জীবন ও আদর্শ নিয়ে আলোচনা করেন।
