১৮ মাসের মধ্যেই মহানগরে পাইপে গ্যাস বিলির আশ্বাস গেইলের

দেড় বছরের মধ্যেই কলকাতায় শুরু হবে পাইপলাইনের মাধ্যমে গ্যাস সরবরাহ। বেঙ্গল গ্যাস এবং গেইলের কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, আগামী দেড় বছরের মধ্যে কলকাতার কাছে পাইপলাইনে কম্প্রেসড ন্যাচারাল…

১৮ মাসের মধ্যেই মহানগরে পাইপে গ্যাস বিলির আশ্বাস গেইলের

দেড় বছরের মধ্যেই কলকাতায় শুরু হবে পাইপলাইনের মাধ্যমে গ্যাস সরবরাহ। বেঙ্গল গ্যাস এবং গেইলের কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, আগামী দেড় বছরের মধ্যে কলকাতার কাছে পাইপলাইনে কম্প্রেসড ন্যাচারাল গ্যাস সরবরাহের কাজ শুরু হবে। ২০২৬ সালের মাঝামাঝি সময়ের মধ্যে পাইপবাহিত গ্যাস (কম্প্রেসড ন্যাচারল গ্যাস বা সিএনজি) চলে আসবে কলকাতার লাগোয়া নিউ টাউনে। এটি শহরের বিভিন্ন এলাকায় ধাপে ধাপে পৌঁছাবে, যার মধ্যে চিংড়িঘাটা থেকে গড়িয়া পর্যন্ত এলাকায় প্রথমে পাইপলাইনের মাধ্যমে গ্যাস সরবরাহ হবে।

বেঙ্গল গ্যাসের সিইও অনুপম মুখোপাধ্যায় জানিয়েছেন, গ্যাসের পাইপলাইন বর্তমানে গয়েশপুর পর্যন্ত চলে এসেছে। এখন কল্যাণী এক্সপ্রেসওয়ে ধরে ব্যারাকপুর পর্যন্ত এই পাইপলাইন বিস্তৃত করা হবে। এরপর এটি নিউ টাউনে পৌঁছাবে, যেখানে ইতিমধ্যেই অভ্যন্তরীণ পাইপলাইন প্রস্তুত। হলদিরামের কাছে পাইপলাইন স্থাপন শেষ হলেই নিউ টাউনে গ্যাস সরবরাহ শুরু হতে পারে।

   

তবে কলকাতার মধ্যে কোথায় এবং কবে গ্যাস সরবরাহ শুরু হবে, সে বিষয়ে এখনও কোনো নির্দিষ্ট সময়সূচি ঘোষণা করা হয়নি। বিশেষত বারাসত থেকে এয়ারপোর্ট এক নম্বর গেট পর্যন্ত পাইপলাইন স্থাপনের ক্ষেত্রে কিছু সমস্যা দেখা দিতে পারে বলে বেঙ্গল গ্যাসের সিইও উল্লেখ করেছেন। এই রাস্তা খুবই ব্যস্ত এবং যানজটপূর্ণ হওয়ায় সেখানে কাজ করা বেশ কঠিন হতে পারে। তবে রাজ্য সরকারের পূর্ত দফতরের কাছ থেকে অনুমোদন ইতিমধ্যেই পাওয়া গেছে। এছাড়াও সরকারের অন্যান্য দফতর থেকেও অনুমোদন প্রয়োজন হবে বলে জানানো হয়েছে।

Advertisements

অন্যদিকে রাজ্য সরকারের অর্থ দফতরের প্রতিমন্ত্রী চন্দ্রিমা ভট্টাচার্য বুধবার রাজ্য বাজেট পেশের সময় জানান যে, বর্তমানে ৭৯৫ কিলোমিটার পাইপলাইন বসানো হয়েছে, যার জন্য খরচ হয়েছে ৫,৩২২ কোটি টাকা। তবে, বাকি কাজ কবে শেষ হবে এবং গ্যাস কলকাতায় পৌঁছাবে, সেই বিষয়ে কিছু জানানো হয়নি।
এছাড়া রাজ্য সরকার পুনর্নবীকরণ শক্তির ব্যবহার বাড়ানোর পরিকল্পনা নিয়ে কাজ করছে। তাদের লক্ষ্য হলো, রাজ্যে বিদ্যুতের ২০ শতাংশ অংশ অচিরাচরিত শক্তি উৎস থেকে পাওয়া নিশ্চিত করা, এবং কৃষিক্ষেত্রের জন্য সৌরশক্তি ব্যবহারে আরও জোর দেওয়া হবে।