ওদের ১ টি আমাদের ৩-৪ টি ! আমেরিকাকে মুসলিম রাষ্ট্র বানানোর প্রতিজ্ঞা ইসলামিক স্কলারের

ওয়াশিংটন: আমেরিকার রাজনৈতিক অঙ্গনে এখন একটি বিতর্কিত বক্তব্য ঘিরে তোলপাড় চলছে। (Islamic scholar)পাকিস্তানি বংশোদ্ভূত এক ইসলামিক স্কলার আমেরিকায় খোলাখুলি দাবি করেছেন যে, শিগগিরই আমেরিকাকে মুসলিম রাষ্ট্র হিসেবে ঘোষণা ...

By Sudipta Biswas

Published:

Follow Us
islamic-scholar-us-controversy-demographic-statement-debate-usa

ওয়াশিংটন: আমেরিকার রাজনৈতিক অঙ্গনে এখন একটি বিতর্কিত বক্তব্য ঘিরে তোলপাড় চলছে। (Islamic scholar)পাকিস্তানি বংশোদ্ভূত এক ইসলামিক স্কলার আমেরিকায় খোলাখুলি দাবি করেছেন যে, শিগগিরই আমেরিকাকে মুসলিম রাষ্ট্র হিসেবে ঘোষণা করা হবে। তিনি বলেছেন, “আজ আমাদের মুসলিম মেয়র রয়েছে, শিগগিরই মুসলিম প্রেসিডেন্ট আসবে। শ্বেতাঙ্গ আমেরিকানদের একটি সন্তান, আর মুসলিমদের তিন-চারটি। আমরা অন্যদের ধর্মান্তরিত করছি। কয়েক বছরের মধ্যেই আমরা আমেরিকার দখল নেব।”

   

এই বক্তব্যটি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল হয়ে গেছে এবং দেশজুড়ে তীব্র প্রতিক্রিয়ার সৃষ্টি করেছে। বিশেষ করে ডোনাল্ড ট্রাম্পের সমর্থকরা এটিকে আমেরিকার সাংস্কৃতিক ও জনসংখ্যাগত পরিবর্তনের একটি স্পষ্ট হুমকি বলে অভিহিত করছেন। স্কলারের নাম উঠে এসেছে উসমান ফারুক বা অনুরূপ কয়েকজন ইমাম-স্কলারের সঙ্গে যুক্ত। তিনি ক্যালিফর্নিয়া বা অন্য কোনো অঙ্গনে বক্তব্য দিয়েছেন বলে জানা যায়।

আরও দেখুনঃ ভয়ে কাঁপছে পাকিস্তান! নতুন ব্রহ্মোস-এনজির শক্তি হবে দ্বিগুণ

বক্তব্যে তিনি জোর দিয়ে বলেছেন যে, মুসলিম পরিবারগুলোতে সন্তান সংখ্যা বেশি হওয়ায় জনসংখ্যাগত ভারসাম্য দ্রুত বদলে যাচ্ছে। শ্বেতাঙ্গ আমেরিকানদের গড় সন্তান সংখ্যা একের কাছাকাছি, অন্যদিকে মুসলিম পরিবারে তা তিন থেকে চার। সঙ্গে চলছে ধর্মান্তরিতকরণের প্রক্রিয়া। তিনি দাবি করেন, এই প্রক্রিয়ায় মুসলিম সম্প্রদায়ের প্রভাব ক্রমশ বাড়ছে এবং শিগগিরই রাজনৈতিক ক্ষমতায় তারা নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠা করবে।

ইতিমধ্যে কয়েকটি শহরে মুসলিম মেয়র নির্বাচিত হয়েছেন যেমন ম্যাসাচুসেটসের কেমব্রিজে পাকিস্তানি বংশোদ্ভূত মেয়রের খবর উঠে এসেছে। এসব দেখিয়ে তিনি বলছেন, এটি শুরু মাত্র।এই বক্তব্য প্রকাশ্যে আসার পর আমেরিকার রক্ষণশীল মহলে তীব্র ক্ষোভ দেখা দিয়েছে। অনেকে বলছেন, এটি শুধু একজন ব্যক্তির মতামত নয়, বরং একটি সংগঠিত পরিকল্পনার অংশ যা আমেরিকার খ্রিস্টীয়-সেকুলার মূল্যবোধকে চ্যালেঞ্জ করছে।

ট্রাম্পের দ্বিতীয় মেয়াদে অভিবাসন নিয়ন্ত্রণ, সীমান্ত নিরাপত্তা এবং ‘আমেরিকা ফার্স্ট’ নীতির কথা উঠে আসছে। ট্রাম্প সমর্থকরা বলছেন, এ ধরনের বক্তব্য প্রমাণ করে যে, অনিয়ন্ত্রিত অভিবাসন এবং উচ্চ জন্মহারের কারণে সাংস্কৃতিক পরিবর্তন দ্রুত ঘটছে। কেউ কেউ একে ‘গ্রেট রিপ্লেসমেন্ট’ তত্ত্বের সঙ্গে যুক্ত করছেন।

ইসলামিক স্কলারের এই মন্তব্যে সাধারণ আমেরিকানদের মধ্যে উদ্বেগ বাড়ছে। অনেকে প্রশ্ন তুলছেন যদি জনসংখ্যাগত পরিবর্তন এভাবে চলতে থাকে, তাহলে ভবিষ্যতে আমেরিকার সংস্কৃতি, আইন ও জীবনযাত্রা কেমন হবে? ইউরোপের অনেক দেশে এমন পরিবর্তনের ফলে সামাজিক অস্থিরতা দেখা দিয়েছে ফ্রান্স, সুইডেন, ব্রিটেন তার উদাহরণ রয়েছে। আমেরিকানরা চান না তাদের দেশও সেই পথে যাক।

ভিডিও নিউজ দেখুন

Sudipta Biswas

Sudipta Biswas is a senior correspondent at Kolkata24x7, covering national affairs, politics and breaking news.

Follow on Google