ঘুষ-কাণ্ডে আদানিদের বিরুদ্ধে তদন্তে ভারতের সাহায্য চাইল আমেরিকা

ওয়াশিংটন: ঘুষকাণ্ডে নতুন করে অস্বস্তিতে ভারতীয় শিল্পপতি গৌতম আদানি। ভারতীয় শিল্পপতি ও তাঁর ভাইপো সাগর আদানির বিরুদ্ধে তদন্তের জন্য ভারতের সরকারের কাছে সাহায্য চাইল মার্কিন…

ঘুষ-কাণ্ডে আদানিদের বিরুদ্ধে তদন্তে ভারতের সাহায্য চাইল আমেরিকা

ওয়াশিংটন: ঘুষকাণ্ডে নতুন করে অস্বস্তিতে ভারতীয় শিল্পপতি গৌতম আদানি। ভারতীয় শিল্পপতি ও তাঁর ভাইপো সাগর আদানির বিরুদ্ধে তদন্তের জন্য ভারতের সরকারের কাছে সাহায্য চাইল মার্কিন সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (SEC)৷  গৌতম এবং তাঁর ভাইপো সাগর আদানির বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করেছিল আমেরিকার আদালত৷ তাঁদের বিরুদ্ধে সিকিউরিটিজ জালিয়াতি ও ২৬৫ মিলিয়ন ডলার ঘুষের অভিযোগ রয়েছে৷

নিউ ইয়র্ক জেলা আদালতে SEC জানায়, তাদের তদন্ত চলছে এবং গৌতম ও সাগর আদানির বিরুদ্ধে অভিযোগ জানিয়ে নোটিশ পাঠানোর চেষ্টা চলছে। এজন্য তাঁরা ভারতের আইন মন্ত্রকের সহায়তা চেয়েছে।

   

গত বছরের নভেম্বর মাসে, মার্কিন প্রসিকিউটররা গৌতম আদানি ও তার সহযোগীদের বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়ের করেন। ভারতের বিভিন্ন রাজ্যে সৌরবিদ্যুৎ প্রকল্পের বরাত পেতে আদানি গোষ্ঠী বিভিন্ন সরকারি আধিকারিকদের ২০০০ কোটি টাকার বেশি ঘুষ দিয়েছিল বলে অভিযোগ৷ আমেরিকার বাজার থেকেই সেই টাকা তোলা হয়েছিল এবং বিনিয়োগকারীদের কাছে সেই তথ্য গোপন রাখা হয়েছিল বলে জানা যায়। অভিযোগ, গৌতম আদানি বিনিয়োগকারীদের মিথ্যা আর্থিক তথ্য সরবরাহ করে তাদেরকে প্রতারিত করেছেন। যদিও আদানি গ্রুপ এসব অভিযোগকে ভিত্তিহীন বলে উড়িয়ে দিয়েছে। তারা জানিয়েছে, তারা সমস্ত আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ করবে।

Advertisements

গত মাসে, মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ফরেন করাপ্ট প্র্যাকটিস অ্যাক্ট (FCPA) এর কার্যকারিতা স্থগিত করে দেন। এটি আদানি মামলায় প্রযোজ্য ছিল।

ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় আগেই জানিয়েছিল যে, আদানি সংক্রান্ত আইনি কার্যক্রমে ভারত সরকারের কোনো ভূমিকা নেই। মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র রণধীর জয়স্বাল জানিয়েছিলেন, “এটি একটি ব্যক্তিগত আইনি বিষয়, যা মার্কিন বিচার বিভাগে চলছে।” তিনি আরও বলেন, “আমরা আইনি প্রক্রিয়া অনুসরণ করব।”

অন্যদিকে, আদানি গ্রুপের বিরুদ্ধে এই ঘুষ কেলেঙ্কারি বিষয়ে ভারতের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ বলেছেন, “সরকার কোনো মিডিয়া রিপোর্টের ভিত্তিতে পদক্ষেপ নেবে না।” তিনি আরও বলেন, “যখন আমাদের কাছে সঠিক নথি থাকবে, তখনই সরকার প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেবে।”