সোনভদ্রা (উত্তরপ্রদেশ): উত্তরপ্রদেশের সোনভদ্রা জেলার করমা থানা (Shiva temple)এলাকার বহেরা গ্রামে একটা শিব মন্দিরে ঘটে গেল একটা অত্যন্ত ঘৃণ্য ও ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত করা ঘটনা। পাঁচজন মুসলিম সম্প্রদায়ের নাবালক ছেলে মন্দিরের ভিতরে প্রস্রাব করে এবং শিবলিঙ্গের কাছে আপত্তিজনক ও অশোভন কাজ করেছে বলে অভিযোগ উঠেছে।
যখন মন্দিরের পুজারির ছেলে এতে বাধা দিয়ে প্রতিবাদ করে, তখন তারা মেরে লাশ গায়েব করে দেওয়ার হুমকিও দেয়। এই ঘটনা গ্রামে তীব্র উত্তেজনা ও আক্রোশের সৃষ্টি করেছে, হিন্দু সংগঠনগুলো প্রতিবাদে সরব হয়েছে।সোমবার সকালে এই ঘটনার খবর ছড়িয়ে পড়তেই গ্রামবাসী ও স্থানীয় হিন্দু সংগঠনের লোকজন মন্দিরে জড়ো হয়। পুজারি ও তার ছেলে করমা থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন।
রাজনৈতিক উত্তেজনার মধ্যেই পশ্চিমবঙ্গ সফরে ইডি অধিকর্তা
অভিযোগে বলা হয়েছে যে, পাঁচজন নাবালক মন্দিরের দেয়ালে ও ভিতরে প্রস্রাব করে এবং প্রতিমার সামনে অশ্লীল আচরণ করে। পুজারির ছেলে যখন তাদের থামাতে যায়, তখন তারা উত্তেজিত হয়ে উঠে হুমকি দেয় যে তার লাশ গায়েব করে দেবে। এই হুমকিতে ছেলেটি ভয় পেয়ে যায় এবং পরে পরিবারের সঙ্গে থানায় যায়। পুলিশ অভিযোগের ভিত্তিতে পাঁচ নাবালকসহ মোট দশজনের বিরুদ্ধে মামলা রুজু করেছে। তিনজন নাবালককে হেফাজতে নেওয়া হয়েছে, বাকিদের খোঁজ চলছে।
পুলিশ জানিয়েছে, অতিরিক্ত এসপি ও এডিএম সহ ভারী পুলিশবাহিনী ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে এনেছে। মন্দির ও গ্রামে নিরাপত্তা বাড়ানো হয়েছে যাতে আর কোনও অশান্তি না ছড়ায়। তদন্ত চলছে, সিসিটিভি ফুটেজ ও সাক্ষীদের জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। কিন্তু গ্রামবাসীরা বলছেন, এই ধরনের কাজ শুধু অপরাধ নয়, ধর্মীয় অনুভূতিতে গভীর আঘাত। একজন স্থানীয় বাসিন্দা বলেন, “এটা কোনও ছেলেমানুষি নয়, ইচ্ছাকৃতভাবে ধর্মীয় স্থান অপবিত্র করার চেষ্টা।
যদি এমনটা অন্য কোনও ধর্মের জায়গায় হতো, তাহলে কী হতো?”হিন্দু সংগঠনগুলো এই ঘটনাকে ‘ধর্মীয় অনুভূতি আহত করার চক্রান্ত’ বলে বর্ণনা করেছে। তারা দাবি করছে যে, এমন ঘটনা বারবার ঘটছে এবং প্রশাসনের নীরবতা বা নরম নীতির কারণে অপরাধীরা উৎসাহিত হচ্ছে। স্থানীয় বিজেপি নেতারা বলেছেন, “এটা শুধু একটা মন্দিরের ঘটনা নয়, হিন্দু ধর্মের প্রতি অসম্মান। যোগী সরকারের আমলে এমন অপরাধীদের কঠোর শাস্তি হওয়া উচিত।” তারা দ্রুত বিচার ও কঠোর শাস্তির দাবি তুলেছেন।
