
বঙ্গে বিধানসভা নির্বাচনের আবহে ফের কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা ও রাজ্য পুলিশের সংঘাত প্রকাশ্যে। পশ্চিমবঙ্গের পর এবার প্রতিবেশী ঝাড়খণ্ডে (Jharkhand)। রাঁচিতে এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট (ED) আঞ্চলিক দফতরে আচমকা অভিযান চালাল রাজ্য পুলিশের এয়ারপোর্ট থানার একটি দল। অভিযোগের কেন্দ্রে জিজ্ঞাসাবাদের নামে শারীরিক নির্যাতন। ঘটনায় রাজনৈতিক উত্তাপ তুঙ্গে।
#WATCH | Ranchi, Jharkhand: A Ranchi police team, including a DySP and the airport police station in-charge, has reached the ED office to investigate a case registered against ED officials, accusing them of beating a state government employee during an investigation. pic.twitter.com/IBaoWF0tPx
— ANI (@ANI) January 15, 2026
আইএসএল শুরুর আগে ‘বিরাট’ সুখবর ভারতীয় ফুটবলে
ঘটনার সূত্রপাত পৌরসভার ক্লার্ক সন্তোষ কুমারের অভিযোগ থেকে। তাঁর দাবি, গত ১২ জানুয়ারি তাঁকে ED অফিসে ডেকে পাঠানো হয়। সেখানে অ্যাসিস্ট্যান্ট ডিরেক্টর প্রতীক এবং তাঁর সহযোগী শুভম জোর করে স্বীকারোক্তি দিতে চাপ দেন। সন্তোষের অভিযোগ, তিনি রাজি না হওয়ায় তাঁকে নির্মমভাবে মারধর করা হয়। মাথা ফেটে যায়, পরে সদর হাসপাতালে নিয়ে গেলে মাথায় ছয়টি সেলাই পড়ে।
সিসিটিভি ফুটেজ মুছলে চলবে না! আইপ্যাক মামলায় রাজ্যকে কড়া নির্দেশ সুপ্রিম কোর্টের
সন্তোষ আরও দাবি করেছেন, হাসপাতালে তাঁকে হুমকি দেওয়া হয়। আঘাতের প্রকৃত কারণ প্রকাশ করলে বিপদ বাড়বে। হাসপাতাল থেকে থানায় ফেরানোর পর রক্তে ভেজা জামা খুলে নেওয়া হয়, নতুন জামা পরিয়ে ‘ইনসিডেন্ট রিপোর্ট’ জোর করে সই করানো হয়। এমনকি সংবাদমাধ্যম বা আইনজীবীর সঙ্গে কথা বললে স্ত্রী ও সন্তানদের জেলে পাঠানোর হুমকিও দেওয়া হয় বলে অভিযোগ।
মুখ্যমন্ত্রীর উদ্যোগে ইনভেস্টর জট কাটতেই উচ্ছ্বসিত মহামেডান সমর্থকরা
এই অভিযোগের ভিত্তিতেই এয়ারপোর্ট থানায় এফআইআর দায়ের হয়। তার পরই বৃহস্পতিবার ভোরে রাঁচি পুলিশের একটি দল ED অফিসে পৌঁছে তদন্ত শুরু করে। সিসিটিভি ফুটেজ, ডিজিটাল নথি এবং অন্যান্য প্রমাণ খতিয়ে দেখা হচ্ছে। জিজ্ঞাসাবাদের নামে মানবাধিকার লঙ্ঘন হয়েছে কি না, সেই প্রশ্নও তদন্তের কেন্দ্রে।
ঘটনাটি সামনে এসেছে এমন এক সময়ে, যখন পশ্চিমবঙ্গে I-PAC সংক্রান্ত মামলায় ED ও রাজ্য সরকারের সংঘাত সুপ্রিম কোর্ট পর্যন্ত গড়িয়েছে। সেই প্রেক্ষাপটে ঝাড়খণ্ডে পুলিশের সরাসরি ED অফিসে অভিযান কেন্দ্র-রাজ্য সম্পর্কের টানাপোড়েন আরও বাড়াল বলেই মনে করছে রাজনৈতিক মহল।
ED অবশ্য এই পদক্ষেপে তীব্র অসন্তোষ প্রকাশ করেছে। তাদের দাবি, ভোর ছ’টায় পুলিশের এই উপস্থিতি নিয়মবহির্ভূত ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত। গুরুত্বপূর্ণ তদন্তে বাধা দেওয়ার চেষ্টা করা হচ্ছে বলেও অভিযোগ কেন্দ্রীয় সংস্থার। ঝাড়খণ্ড পুলিশের সদর দফতরকে বিষয়টি জানানো হয়েছে।
বিশ্বকাপে কত নম্বরে খেলবেন? জানালেন নাইটদের পাওয়ার হিটার
রাজনৈতিক প্রতিক্রিয়াও এসেছে দ্রুত। বিজেপি নেতা ও বিরোধী দলনেতা বাবুলাল মারান্ডি কড়া ভাষায় রাজ্য সরকারকে আক্রমণ করে বলেন, “হাজার হাজার কোটি টাকার দুর্নীতির গুরুত্বপূর্ণ নথি নষ্ট করার চেষ্টা হচ্ছে। হেমন্ত সোরেন মনে রাখবে, ঝাড়খণ্ডকে বাংলা হতে দেব না। দুর্নীতির শাস্তি পেতেই হবে।”
रांची के एयरपोर्ट रोड स्थित ईडी के क्षेत्रीय कार्यालय को @ranchipolice द्वारा घेरने की सूचना प्राप्त हो रही है। ईडी कार्यालय में मुख्यमंत्री @HemantSorenJMM एवं पुलिस-प्रशासन से जुड़े हजारों करोड़ रुपये के भ्रष्टाचार मामलों से संबंधित महत्वपूर्ण साक्ष्य मौजूद हैं। आशंका है कि…
— Babulal Marandi (@yourBabulal) January 15, 2026
উল্লেখ্য, বেআইনি খনন, সাহিবগঞ্জ টোল টেন্ডারসহ একাধিক মামলায় আগেও ED ও ঝাড়খণ্ড পুলিশের মধ্যে সংঘাত দেখা গেছে। এমনকি কেন্দ্রীয় সংস্থার এক্তিয়ার নিয়ে রাজ্য সরকার বিশেষ SOP তৈরি করলেও তা মানতে নারাজ ED। এর মধ্যেই মুখ্যমন্ত্রী হেমন্ত সোরেন-সহ একাধিক হাই প্রোফাইল রাজনৈতিক ব্যক্তিত্বের বিরুদ্ধে তদন্ত চালাচ্ছে কেন্দ্রীয় সংস্থা।









