
রাজস্থানে কোভিড-কালীন মিড-ডে মিল (MDM) স্কিমে ২,০০০ কোটি টাকার (Rajasthan)বিরাট অনিয়মের অভিযোগে নতুন করে তদন্ত শুরু হয়েছে। এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট (ইডি) এখন মানি লন্ডারিংয়ের অভিযোগে মামলা দায়ের করতে চলেছে। রাজস্থানের অ্যান্টি-করাপশন ব্যুরো (এসিবি) ৭ জানুয়ারি ২০২৬-এ একটি এফআইআর দায়ের করেছে, যাতে ২১ জন অভিযুক্তের নাম রয়েছে।
এর মধ্যে আশোক গেহলট যুগের দুই মন্ত্রীর ছেলেরাও রয়েছেন বলে সূত্রের খবর।এই কেলেঙ্কারি কোভিড-১৯ মহামারীর সময় ঘটেছে, যখন স্কুল বন্ধ ছিল। রাজ্য সরকার তখন ১ম থেকে ৮ম শ্রেণির প্রায় ৩ কোটি ছাত্রছাত্রীকে শুকনো রেশন প্যাকেট (ডাল, তেল, মশলা ইত্যাদি) সরবরাহ করার সিদ্ধান্ত নেয়। ২০২০-২৩ সালের মধ্যে পাঁচ দফায় এই কাজ হয়েছে এবং সরকার মোট ২,০২৩.৯১ কোটি টাকা খরচ করেছে।
অসুস্থ হয়ে হাসপাতালে জগদীপ ধনকড়
রাজস্থান স্টেট কোঅপারেটিভ কনজুমার ফেডারেশন লিমিটেড (CONFED) এবং কেন্দ্রীয় ভাণ্ডারের মাধ্যমে এই সরবরাহ করা হয়েছে।এসিবি-র তদন্তে দেখা গেছে, পুরো প্রক্রিয়ায় ইচ্ছাকৃত অনিয়ম হয়েছে। টেন্ডারের নিয়ম বদল করে যোগ্য কোম্পানিগুলোকে বাদ দেওয়া হয়েছে, পছন্দের বেসরকারি সাপ্লায়ারদের (যেমন তিরুপতি সাপ্লায়ার্স, জাগ্রত এন্টারপ্রাইজেস, এম.টি. এন্টারপ্রাইজেস, সাই ট্রেডিং) অতিরিক্ত দামে বিল দেওয়া হয়েছে, সরবরাহ দেরি করা হয়েছে, কোয়ালিটি চেক করা হয়নি এবং এমনকি পণ্য না পৌঁছালেও পেমেন্ট করা হয়েছে।
এতে রাজ্যের খজনায় প্রায় ২,০০০ কোটি টাকার ক্ষতি হয়েছে। অভিযুক্তদের মধ্যে CONFED-এর অবসরপ্রাপ্ত কর্মকর্তা, ম্যানেজার, সুপারভাইজার এবং বেসরকারি ব্যক্তি-প্রতিষ্ঠান রয়েছে।এই মামলায় গেহলট যুগের দুই মন্ত্রীর ছেলের নাম উঠে এসেছে।
বিশেষ করে প্রাক্তন মন্ত্রী রাজেন্দ্র যাদবের ছেলে মধুর যাদব এবং ত্রিভুবন যাদবের নাম এফআইআর-এ রয়েছে। রাজেন্দ্র যাদব এখন বিজেপিতে যোগ দিয়েছেন, কিন্তু তার ছেলেরা এখনও অভিযুক্ত। এটি রাজনৈতিক মহলে ব্যাপক আলোড়ন তুলেছে।
আকর্ষণীয় বিষয় হলো, ২০২৩ সালের বিধানসভা নির্বাচনের ঠিক আগে রাজস্থান পুলিশ এই মামলায় ক্লোজার রিপোর্ট দাখিল করে অভিযুক্তদের ক্লিন চিট দিয়েছিল। কিন্তু ইডি ২০২৪ সালে রেফারেন্স পাঠিয়ে অনিয়মের প্রমাণ উন্মোচন করে। এর ফলে এসিবি নতুন করে তদন্ত করে এফআইআর দায়ের করে। এখন ইডি মানি লন্ডারিংয়ের অভিযোগে ইসিআইআর (ECIR) দায়ের করতে চলেছে।










