যুবভারতী কাণ্ডে আটক করা হয়েছে ক্রীড়া ব্যাবসায়ী শতদ্রু দত্তকে (Satadru Dutta arrest)। মেসিকে দেখতে এসে স্বপ্ন ভঙ্গ হয়েছে হাজার হাজার দর্শকের। আয়োজকদের অব্যবস্থা এবং রাজনীতিবিদদের সেলফি তোলার হিড়িকে মেসিকে দেখতে পেলেন না সাধারণ মানুষ। তখন থেকেই ক্ষোভে ফেটে পড়েছিলেন দর্শকরা উঠেছিল শতদ্রুকে গ্রেফতারির অভিযোগ। অবশেষে বিধাননগর থানায় FIR দায়ের হওয়ার পরে শতদ্রু দত্তকে আটক করে বিধাননগর থানার থানার পুলিশ।
মেসিকে দেখার জন্য আজ যুবভারতী জুড়ে ফেটে পড়েছিলেন দর্শকরা (Messi Kolkata ticket scam)। কিন্তু শেষে সেই দর্শকরাই হলেন বঞ্চিত। কেউ কেউ ১২০০০ টাকা দিয়ে কিনেছিলেন একটি টিকিট। কিন্তু সেই টাকা জলে গিয়েছে। ক্ষোভে ফেটে পড়েছেন দর্শকরা। মাঠে চলেছে বেলাগাম ভাঙচুর। দর্শকরা অভিযোগ করেছেন প্রশাসন এবং আয়োজকদের উপরে। দর্শকরা ক্ষোভে ফেটে পড়ে বলছেন যে মন্ত্রীরা সেলফি তুলছেন আর বড়লোকরা তাকে ঘিরে আছে।
তবে সাধারণ মানুষ কি করে দেখবে মেসিকে। মেসিকে দেখার জন্য অনেক দাম দিয়ে অনেকে টিকিট কেটেছিলেন কিন্তু তারাই অভিযোগ করছেন এই টিকিট নিয়ে বেলাগাম দুর্নীতির। তারা বলছেন আয়োজকরা টিকিট নিয়ে দুর্নীতি করেছেন।
ব্যবসা করার জন্য সাধারণ দর্শকদের কাছ থেকে টাকা নিয়েছেন কিন্তু মাঠে ঢুকিয়ে দিয়েছেন মন্ত্রীদের এবং বড়লোকদের যারা মেসিকে ঘিরে ছিল এবং কাউকে কিছু দেখতে দেয়নি। সেখান থেকেই এই ক্রীড়া ব্যাবসায়ীকে গ্রেফতার করার দাবি জানাতে থাকেন দর্শক মহল।
প্রমোশনাল ট্যুরে গতকাল রাতে কলকাতায় এসে পৌঁছন লিও মেসি। আজ হোটেল থেকেই ভার্চুয়ালি মূর্তি উন্মোচন করেন তিনি। নির্ধারিত সময় অনুযায়ী ১১:৩০ মিনিটে যুবভারতীতে পৌঁছান আর্জেন্টাইন মহাতারকা।
সেই সময় মাঠে চলছিল মোহনবাগান অলস্টার বনাম ডায়মন্ড হারবার এফসি অলস্টার প্রীতি ম্যাচ। কিন্তু মেসি মাঠে পা রাখা মাত্র, তাঁকে ঘিরে রাখেন নিরাপত্তারক্ষীরা। যদিও মেসিকে ভারত সফরে আনার প্রধান উদ্যোক্তা সকলকে বাইরে যাওয়ায় জন্য অনুরোধ করতে থাকেন। একই কথা বলতে শোনা যায় রাজ্যের ক্রীড়ামন্ত্রী অরুপ বিশ্বাসের গলায়।
এরই মধ্যে ১১:৫২ মিনিটে যুবভারতী ছাড়েন মেসি। এরপর ক্ষোভ উগড়ে দেন যুবভারতীতে উপস্থিত থাকা কয়েক হাজার ভক্ত। দর্শকাসন থেকে ক্রমাগত উড়ে আসতে থাকে ভাঙা চেয়ার। তারপরই ভেঙে ফেলা হয় মাঠে থাকা মেসির পোস্টার, ব্যানার এবং ফেসটোন। রাজ্য পুলিশকে কার্যত নিশ্চুপ অবস্থায় দাঁড়িয়ে থেকে দেখা যায়।
