৩ দিন পর বেলডাঙায় ইউসুফ, ব‌্যাখা করলেন কারণ…

থমথমে গোটা এলাকা। মুর্শিদাবাদের বেলডাঙায় অশান্তি আজও স্থিতিশীল হয়নি। বৃহস্পতিবার ঝাড়খণ্ডে এক পরিযায়ী শ্রমিক আলাউদ্দিন শেখের রহস্যজনক মৃত্যুর খবর ছড়িয়ে পড়ার পর থেকেই এলাকায় উত্তেজনা…

"Yusuf Pathan Joins Centre's All-Party Anti-Terror Delegation to Foreign Countries" Yusuf Pathan Joins Centre's All-Party Anti-Terror Delegation to Foreign Countries

থমথমে গোটা এলাকা। মুর্শিদাবাদের বেলডাঙায় অশান্তি আজও স্থিতিশীল হয়নি। বৃহস্পতিবার ঝাড়খণ্ডে এক পরিযায়ী শ্রমিক আলাউদ্দিন শেখের রহস্যজনক মৃত্যুর খবর ছড়িয়ে পড়ার পর থেকেই এলাকায় উত্তেজনা তৈরি হয়েছে। নিহত শেখের দেহ গ্রামের কাছে পৌঁছানোর সঙ্গে সঙ্গে স্থানীয়রা জাতীয় সড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ শুরু করেন এবং ট্রেন পরিষেবা বন্ধ হয়ে যায়, ভাঙচুর ও উত্তেজনার পরিস্থিতি সৃষ্টি হয়। বিক্ষোভকারীরা দাবি তুলেছেন দোষীদের বিরুদ্ধে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়া হোক। এছাড়া রেল রোকো কর্মসূচি ও জাতীয় সড়কে অবরোধের ঘটনায় পুলিশ ও অন্যান্য সরকারি সম্পত্তি ভাঙচুরের ঘটনাও ঘটেছে।

Advertisements

পুলিশের উদ্যোগে একাধিক ব্যক্তিকে গ্রেফতার করা হয়েছে, মোট প্রায় ৩০ জনকে আটক করা হয়েছে বলে পুলিশ জানিয়েছে। এসময় সাংবাদিকদের উপর হামলাও ঘটেছে বলে দাবি করা হয়। এই উত্তেজনা আর অবরোধের মধ্যেই অনেকেই প্রশ্ন তুলেছেন বেলডাঙায় সাংসদ ইউসুফ পাঠান  (Yusuf Pathan) কোথায় ছিলেন? কেন প্রথম দু’দিন তাকে এলাকায় দেখা যায়নি? বিরোধীরাও এই প্রশ্ন বারবার তুলেছেন। এটি নিয়ে রাজনৈতিক চাপানউতোর তৈরি হয়েছে এবং তৃণমূল কংগ্রেসের বিভিন্ন নেতা এই প্রসঙ্গে মন্তব্য করেছেন।  

   

তবে ইউসুফ পাঠানের (Yusuf Pathan) নিজের বক্তব্য এই যে তিনি প্রথম থেকেই সদস্য হিসেবে এলাকায়ই ছিলেন এবং পরিস্থিতি মোকাবিলায় প্রচেষ্টা চালাচ্ছেন। নির্বাচনী ঘোষণার পর বহরমপুরে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের বক্তব্য ছিল, ইউসুফ ফোন করে জানিয়েছিলেন তিনি বেলডাঙায় যেতে চান, কিন্তু তৎক্ষণাৎ রোড শো ও রাজনৈতিক কর্মসূচির কারণে তিনি তা একেবারেই পরে করতে পেরেছেন। অভিষেক জানান, তার মিটিং শেষে স্থায়ী বিধায়কসহ সাংসদরা একসাথে আলাউদ্দিন শেখের পরিবারের পাশে যাবেন। এরপর ইউসুফ নিজে বেলডাঙায় আসেন এবং নিহত শ্রমিক আলাউদ্দিনের বাড়িতে যান। পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে কথা বলে তিনি তাদের পাশে থাকার বার্তা দেন। এছাড়া তিনি পরিবারকে আর্থিক সহায়তা ও চাকরির আশ্বাসও দেন বলে জানা গেছে।

ইউসুফ পাঠান(Yusuf Pathan) নিজেও সাংবাদিকদের বলেছেন, “এই ধরনের ঘটনা খুবই দুর্ভাগ্যজনক। পরিযায়ী শ্রমিকরা শুধু নিজের জন্য কাজ করেন না, তারা ওই রাজ্যের সামগ্রিক উন্নয়নে অবদান রাখেন। তাই এই ধরনের ঘটনা যাতে না ঘটে, সে জন্য সবার উচিত সচেতন ও সহানুভূতিশীল হওয়া।”

 

 

Advertisements