কলকাতা: মহাভারতে ধৃতরাষ্ট্রের কথা সবারই জানা (West Bengal)। ১০০ জন সন্তানের পিতা ছিলেন তিনি। ঠিক তেমনই মহাভারত পার্ট ২ খুঁজে পাওয়া গেল খোদ বাংলায়। এবার ধৃতরাষ্ট্রের সংখ্যা ১ নয় সাত সাত জন। নির্বাচন কমিশনের আইনজীবী রাকেশ দ্বিবেদী এমনটাই জানিয়েছেন দেশের সর্বোচ্চ আদালকে। তিনি আদালতের কাছে বলেছেন বাংলায় এমন ৭ জন আছে যাদের প্রত্যেকের ১০০ টি করে সন্তান।
যদিও সেই ৭ জনের নাম এখনও প্রকাশ্যে আসেনি। তবে সামাজিক মহল থেকে রাজনৈতিক মহলে প্রশ্ন উঠছে একজন ব্যাক্তির কি করে ১০০ সন্তান হতে পারে। এর আগেও ভোটার তালিকায় অনেক রকম গরমিল দেখা গিয়েছে যেমন বাবা ছেলের বয়েসের হিসেবে অসঙ্গতি। ঠাকুমা এবং নাতির বয়েসের ফারাক। এই ধরণের ঘটনা নিয়েও এর আগে অনেক চর্চা হয়েছে।
ইন্ডিয়ান অয়েল কর্পোরেশনে ৪০৫টি পদে নিয়োগের ঘোষণা, আবেদনের শেষ তারিখ ৩১ জানুয়ারি
হয়েছে রাজনৈতিক তরজাও। তবে আজ দেশের প্রধান বিচারপতি বলেছেন “যে দেশে বাল্যবিবাহ বন্ধ করা যায়নি, সেই দেশে কি এই ফারাক খুব অসঙ্গত?” তবে বয়েসের ফারাক এক রকম কিন্তু একজন ব্যাক্তির ১০০ জন সন্তান এ যেন অবিশাস্য। এই ইস্যুতেও রাজনৈতিক মহলে চলছে জোর চাপানউতোর। শাসক গোষ্ঠীর দাবি এই ধরণের তথ্য নির্বাচন কমিশন এবং কেন্দ্রীয় সরকার মিলে তৈরী করে কিন্তু তার পরে আর কোনো প্রমান দেখতে পারে না। ঠিক যেমনটা হয়েছিল রোহিঙ্গা ইস্যুতে কিংবা অনুপ্রবেশ ইস্যুতে।
স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকের কাছে অনুপ্রবেশের ডাটা চাইলে স্বরাষ্ট্র দফতর থেকে তারা কোনও সদুত্তর পাওয়া যায়নি। তাই এখন এই এক ব্যাক্তির ১০০ সন্তান ইস্যুতেই তথ্য প্রমান দাবি করছে রাজ্যের শাসক গোষ্ঠী। এই মুহূর্তে ভোটার তালিকার নিবিড় সংশোধন এবং পরবর্তী শুনানি নিয়ে এমনিতেই বাংলার আবহাওয়া উত্তপ্ত। এখনও পর্যন্ত ১ কোটি ৩৬ লক্ষ ভোটার আন ম্যাপড।
এর মাঝেই আবার শুরু হয়েছে ফর্ম ৭ নিয়ে এক জটিলতা। শাসক গোষ্ঠী স্পষ্ট অভিযোগ তুলেছে যে বৈধ ভোটারদের ভোটাধিকার কেড়ে নিতেই এই ব্যবস্থা বিজেপির। শুধু তাই নয় নির্বাচন কমিশনের উপরে বিজেপির রাজনৈতিক প্রভাব নিয়েও সরব হয়েছে তারা। তবে যাই হোক আইনজীবী রাকেশ দ্বিবেদীর অভিযোগের ভিত্তিতে কি সিদ্ধান্ত নেয় আদালত এবং আইনজীবী ও কি প্রমান দেন তার উপরে নজর থাকবে সকলের।
