
পশ্চিম মেদিনীপুর জেলার গড়বেতা বিধানসভা এলাকায় শনিবার (Suvendu Adhikari)রাতে বিরোধী দলনেতা ও নন্দীগ্রামের বিধায়ক শুভেন্দু অধিকারীর গাড়ির ওপর হামলার অভিযোগ উঠেছে। পুরুলিয়া থেকে জনসভা সেরে ফেরার পথে চন্দ্রকোনা রোড বাজারের চৌরাস্তার কাছে শাসকদল তৃণমূল কংগ্রেসের কর্মী-সমর্থকরা বাঁশ ও লাঠি দিয়ে গাড়িতে আঘাত করে এবং রাস্তা আটকে দিয়ে প্রায় দেড় ঘণ্টারও বেশি সময় ধরে অবরোধ করে রাখেন বলে অভিযোগ।
এই ঘটনায় রাজ্যের রাজনৈতিক মহলে নতুন করে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়েছে। চন্দ্রকোনা থানায় অবস্থানে বসেছেন শুভেন্দু অধিকারী। তিনি জানিয়েছেন যতক্ষণ না পুলিশ অভিযোগ নেবে ততক্ষন তিনি সেখানে অবস্থান করবেন। শনিবার সন্ধ্যায় পুরুলিয়ায় একটি জনসভা শেষ করে শুভেন্দু অধিকারী তাঁর কনভয় নিয়ে কাঁথি-মেদিনীপুর রুট ধরে ফিরছিলেন। রাত সাড়ে আটটা নাগাদ চন্দ্রকোনা রোডের চৌরাস্তা পার হওয়ার পরই হঠাৎ একদল লোক রাস্তা আটকে দাঁড়ায়। শুভেন্দুর দাবি, তাঁরা তৃণমূলের কর্মী।
মোদী-শাহের চালে ২০২৬ বাংলা জয়ের স্বপ্নপূরণ হবে বিজেপির?
কয়েকজন বাঁশ দিয়ে গাড়ির গ্লাসে আঘাত করে এবং চিৎকার-চেঁচামেচি শুরু করে। কনভয়ের অন্যান্য গাড়িগুলোকেও ঘিরে ধরা হয়। শুভেন্দু অধিকারী বলেন, “এটা স্পষ্ট রাজনৈতিক হামলা। আমাকে ভয় দেখিয়ে চুপ করাতে চাইছে। কিন্তু আমি ভয় পাই না।”পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রের খবর, হামলাকারীরা রাস্তায়বিক্ষোভ দেখিয়ে যান চলাচল বন্ধ করে দেয়।
শুভেন্দুর গাড়ি আটকে যাওয়ার পর তিনি নেমে এসে স্থানীয়দের সঙ্গে কথা বলেন এবং অভিযোগ করেন যে, একজন দুষ্কৃতী প্রথমে পথ আটকায়। পরিস্থিতি উত্তপ্ত হলে শুভেন্দু সিদ্ধান্ত নেন যে, অভিযুক্তদের গ্রেফতার না হওয়া পর্যন্ত তিনি চন্দ্রকোনা বাজারে অবস্থান বিক্ষোভ করবেন।
বিরোধী দলনেতা চন্দ্রকোনা থানার মেঝেতেই বসে পড়েন এবং অভিযোগ লেখান। সেখানেই তিনি অভিযোগ করেন তৃণমূল কংগ্রেস শাসনে প্রশাসন দলদাসে পরিণত হয়েছে। এখনও তৃণমূলের তরফ থেকে কোনো আনুষ্ঠানিক বিবৃতি পাওয়া যায়নি তবে এখন দেখার পুলিশ অভিযোগ নেয় কিনা এবং নিলেও প্রশাসনের কি ভূমিকা থাকে।










