পশ্চিমবঙ্গের SSC শিক্ষক নিয়োগ (SSC Scam) কেলেঙ্কারি আবারও নতুন বিতর্কের কেন্দ্রবিন্দুতে এসেছে। টিএমসি নেতা এবং আইনজীবী কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়ের সাম্প্রতিক মন্তব্যে জানা যায়, হাইকোর্টের দেওয়া কিছু আদেশ বর্তমানে সুপ্রিম কোর্টে স্থগিত রয়েছে এবং বেদাগ শিক্ষকদের জন্যই বয়স ছাড় প্রযোজ্য হবে।
কলকাতা হাইকোর্ট আগে এমন একটি নির্দেশ দিয়েছিল, যেখানে বলা হয়েছিল যে, যে সমস্ত যোগ্য শিক্ষকেরা নিয়োগ পায়নি, তাদের ইন্টারভিউতে অংশ নেওয়ার সুযোগ দেওয়া হবে এবং (SSC Scam) SSCকে তাদের সাক্ষাৎকার রেকর্ড করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল। তবে এই আদেশ সুপ্রিম কোর্টে স্থগিত হয়ে গেছে। এই প্রসঙ্গে ক্যাল্যান বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, “হাইকোর্ট যে আদেশ দিয়েছিল, তা শিক্ষক নিয়োগের (SSC Scam) ক্ষেত্রে অনিয়মের শিকার ব্যক্তিদের জন্যই ছিল। কিন্তু এই আদেশ বর্তমানে সুপ্রিম কোর্টে স্থগিত হয়েছে। তাই বয়স ছাড় কেবল সৎ, বেদাগ শিক্ষকদের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হবে, যারা ইতিমধ্যেই চাকরিতে আছেন।”
SSC (SSC Scam) কেলেঙ্কারি দীর্ঘদিন ধরেই সংবাদমাধ্যম এবং রাজনীতির আলোচনার বিষয়। এই নিয়োগ কেলেঙ্কারির অভিযোগে জানা যায়, অনেকে অনৈতিকভাবে চাকরি পেয়েছেন, যা সাধারণ শিক্ষার্থীদের মধ্যে আক্ষেপের সৃষ্টি করেছে। হাইকোর্টের আদেশ ছিল যে, যারা চাকরি পাননি, তাদের ইন্টারভিউয়ে সুযোগ দেওয়ার মাধ্যমে ন্যায্যতা প্রতিষ্ঠা করা হবে। কিন্তু সুপ্রিম কোর্টের স্থগিতাদেশ এই প্রক্রিয়াকে আপাতত বন্ধ করেছে।
কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায় আরও বলেন, “এটি খুবই গুরুত্বপূর্ণ যে, বয়স ছাড় শুধু তাদের জন্য প্রযোজ্য হবে যারা সৎ এবং ইতিমধ্যেই শিক্ষাক্ষেত্রে সেবা দিচ্ছেন। অনিয়মে জড়িত বা সন্দেহভাজন শিক্ষকদের এই সুযোগ দেওয়া হবে না। এটি নিশ্চিত করবে নিয়োগ প্রক্রিয়ার স্বচ্ছতা এবং ন্যায্যতা।” SSC স্ক্যামটি শুধুমাত্র নিয়োগ প্রক্রিয়ার অনিয়ম নয়, এটি শিক্ষাক্ষেত্রে বিশ্বাস এবং নৈতিকতার প্রশ্নও তুলেছে। ক্যাল্যান বন্দ্যোপাধ্যায়ের মতে, সৎ শিক্ষকরা যাতে ক্ষতিগ্রস্ত না হন এবং তাদের অধিকার সংরক্ষিত থাকে, তা নিশ্চিত করা সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ। বয়স ছাড়ের নীতি প্রযোজ্য হবে শুধুমাত্র যারা ইতিমধ্যেই শিক্ষকতা করছেন এবং যাদের বিরুদ্ধে কোনো অভিযোগ নেই।
