কলকাতা: মেসির আগমন এবং তারপর যুবভারতীতে বিশৃঙ্খলা ভাঙচুর (Messi Kolkata chaos)। সব মিলিয়ে মুখ পুড়েছে তিলোত্তমা কলকাতার। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দোপাধ্যায় ক্ষমা চেয়ে তদন্ত কমিশন তৈরী করেছেন। কিন্তু এতেই থেমে নেই রাজনৈতিক তরজা। মেসি ইস্যুতে সরব হয়ে বঙ্গ বিজেপি দাবি করেছে যে আয়োজক শতদ্রু দত্তকে বলির পাঁঠা বানিয়ে আসল দোষীদের বাঁচানো হচ্ছে।
বিজেপি দাবি করেছে ক্রীড়া মন্ত্রী অরূপ বিশ্বাস এবং দমকল মন্ত্রী সুজিত বোসকে আড়াল করতেই শতদ্রুকে গ্রেফতার করা হয়েছে। বিজেপি নেতা তরুণজ্যোতি তিওয়ারি বলেছেন “নাটক যদি কেউ করতে পারে, তা মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ও তাঁর পুলিশই পারে। এটা পুরোপুরি optics তৈরি করার নাটক।” তাঁর অভিযোগ, জনরোষ বুঝতে পেরেই সরকার তড়িঘড়ি একটি ‘ভিজুয়াল এফেক্ট’ তৈরি করতে চেয়েছে, যাতে সাধারণ মানুষের ক্ষোভ সামাল দেওয়া যায়।
পাকিস্তানের বিরুদ্ধে ২৪০ এ গুটিয়ে গেল অনূর্ধ ১৯ ভারতের ইনিংস
বিজেপির দাবি অনুযায়ী, শতদ্রু দত্তকে যেভাবে গ্রেফতার করে আদালতে পেশ করা হয়েছে, তা শুধুমাত্র এই ‘ভিজুয়াল এফেক্ট’-এর জন্যই। তরুণজ্যোতি তিওয়ারি বলেন, “মমতা বুঝে গিয়েছেন যে পশ্চিমবঙ্গের মানুষ রেগে গিয়েছে। তাই দেখানোর জন্য একটা নাটক দরকার ছিল। শতদ্রুকে সামনে এনে বোঝানো হচ্ছে, সরকার নাকি কড়া পদক্ষেপ নিচ্ছে।”
“নাটক যদি কেউ করতে পারে, তা মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ও তাঁর পুলিশই পারে। এটা পুরোপুরি optics তৈরি করার নাটক।” তাঁর অভিযোগ, জনরোষ বুঝতে পেরেই সরকার তড়িঘড়ি একটি ‘ভিজুয়াল এফেক্ট’ তৈরি করতে চেয়েছে, যাতে সাধারণ মানুষের ক্ষোভ সামাল দেওয়া যায়।
বিজেপির দাবি অনুযায়ী, শতদ্রু দত্তকে যেভাবে গ্রেফতার করে আদালতে পেশ করা হয়েছে, তা শুধুমাত্র এই ‘ভিজুয়াল এফেক্ট’-এর জন্যই। তরুণজ্যোতি তিওয়ারি বলেন, “মমতা বুঝে গিয়েছেন যে পশ্চিমবঙ্গের মানুষ রেগে গিয়েছে। তাই দেখানোর জন্য একটা নাটক দরকার ছিল। শতদ্রুকে সামনে এনে বোঝানো হচ্ছে, সরকার নাকি কড়া পদক্ষেপ নিচ্ছে।”
শুভেন্দু অধিকারী আজ সংবাদিক সম্মেলনে স্পষ্ট ভাষায় বলেছেন মমতা বন্দোপাধ্যায় তার পুরোনো খেলা শুরু করে দিয়েছেন। তিনি বলেন সারদা কাণ্ডে টাকা খেয়েছেন মমতা কিন্তু বলির পাঁঠা হয়েছে সুদীপ্ত সেন। আরজিকর কান্ডেও সেই একই রকমভাবে বলির পাঁঠা হয়েছে সঞ্জয়। এবার মেসি কাণ্ডে তেমনই শতদ্রুকে ফাঁসানো হয়েছে।
রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, মেসি-কাণ্ড এখন শুধুমাত্র প্রশাসনিক ব্যর্থতার প্রশ্ন নয়, বরং ২০২৬-এর আগে জনমত গঠনের একটি বড় ইস্যু হয়ে উঠছে। কলকাতার ভাবমূর্তি, আন্তর্জাতিক ইভেন্ট পরিচালনার সক্ষমতা এবং শাসকদলের জবাবদিহি—সবকিছুই একসঙ্গে প্রশ্নের মুখে। বিজেপির অভিযোগ, “মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বরাবরই পাঁঠাবলির জায়গায় কুমড়ো বলি দিতে ভালোবাসেন”—অর্থাৎ বড় দায় এড়িয়ে ছোট মাথা কেটে পরিস্থিতি সামাল দেওয়াই তাঁর কৌশল।
