হিন্দুত্ববাদী মিছিলে পুলিশি হস্তক্ষেপ নিয়ে সরব শুভেন্দু অধিকারী

কলকাতা: বাংলাদেশ হাইকমিশনের সামনে হিন্দুত্ববাদী সংগঠনের বিক্ষোভে পুলিশের লাঠিচার্জের ঘটনা নিয়ে সরব হয়েছেন বিজেপি নেতা শুভেন্দু অধিকারী (Suvendhu Adhikari)। তিনি তীব্র নিন্দা জানিয়ে বলেন, “কলকাতার…

Kolkata Police Intervention in Hindutva Rally Draws Rebuke from Suvendu Adhikari

কলকাতা: বাংলাদেশ হাইকমিশনের সামনে হিন্দুত্ববাদী সংগঠনের বিক্ষোভে পুলিশের লাঠিচার্জের ঘটনা নিয়ে সরব হয়েছেন বিজেপি নেতা শুভেন্দু অধিকারী (Suvendhu Adhikari)। তিনি তীব্র নিন্দা জানিয়ে বলেন, “কলকাতার বর্তমান প্রশাসন হিন্দুত্ববাদী আন্দোলনকারীদের শান্তিপূর্ণ প্রতিবাদও সহ্য করতে পারছে না। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ও মুহাম্মদ ইউনূসের মধ্যে কোনও পার্থক্য নেই।”

Advertisements

শুভেন্দু অধিকারী আরও বলেন, “বাংলাদেশে হিন্দু সংখ্যালঘুদের উপর যেসব নিপীড়ন ও নির্যাতন চলছে, তার প্রতিবাদে কলকাতায় হিন্দু জাগরণ মঞ্চের উদ্যোগে বিক্ষোভ অনুষ্ঠিত হয়। কিন্তু পুলিশ প্রশাসন এই শান্তিপূর্ণ আন্দোলনকে লাঠিচার্জ করে দমন করার চেষ্টা করেছে। এটি গণতান্ত্রিক দেশের জন্য অত্যন্ত উদ্বেগজনক।”

   

তিনি মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের প্রশাসনের সমালোচনা করে বলেন, “একদিকে তারা মানবাধিকার ও ধর্মীয় স্বাধীনতার কথা বলেন, কিন্তু বাস্তবে হিন্দুত্ববাদী সংগঠনের শান্তিপূর্ণ মিছিলকেই বাধাগ্রস্ত করা হয়। এ ধরনের আচরণ বাংলাদেশের সরকারের সঙ্গে তাদের নীতি ও আচরণের মিল দেখায়, যেখানে সংখ্যালঘু হিন্দুদের নিরাপত্তা প্রায়শই উপেক্ষিত হয়।”

শুভেন্দু অধিকারী আরও বলেন, “কলকাতার পুলিশি হস্তক্ষেপ শুধুমাত্র একটি স্থানীয় ঘটনা নয়। এটি স্পষ্ট করে যে, পশ্চিমবঙ্গ সরকারের নীতি হিন্দু সংখ্যালঘুদের স্বাভাবিক অধিকার এবং শান্তিপূর্ণ প্রতিবাদের ওপর অত্যাচারমূলক হস্তক্ষেপে ভর করে। এটি গণতান্ত্রিক মূলনীতির প্রতি অবমাননা।”

এই প্রসঙ্গে, শুভেন্দু বলেন, “বাংলাদেশে হিন্দু সম্প্রদায়ের নিরাপত্তা রক্ষায় আন্তর্জাতিক সম্প্রদায় এবং ভারতীয় সরকারকে পদক্ষেপ নিতে হবে। কিন্তু বাংলার সরকার শান্তিপূর্ণ প্রতিবাদকে দমন করছে। তাই আমি বলছি, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ও মুহাম্মদ ইউনূসের মধ্যে কোনও পার্থক্য নেই।” শুভেন্দু অধিকারী বলেন, “আমরা চাই, শান্তিপূর্ণ প্রতিবাদে অংশ নেওয়া মানুষের নিরাপত্তা নিশ্চিত হোক। আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়, ভারতের নাগরিকরা এবং রাজ্য প্রশাসন সবাই সচেতন হোক। গণতান্ত্রিক দেশে এই ধরনের লাঠিচার্জ গ্রহণযোগ্য নয়।”

 

 

 

Advertisements