মুখ্যমন্ত্রীর নির্দেশে সোমবার উচ্চ-পর্যায়ের বৈঠক নবান্নে

কলকাতা: রাজ্য সরকারকে কেন্দ্র করে গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত ও নীতি নির্ধারণের জন্য মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় সোমবার বিকেল ৪টায় নবান্নে (Nabanna) ডাকলেন উচ্চ-পর্যায়ের বৈঠক। এই বৈঠক রাজ্যের…

CM Summons Key Officials for Strategic High-Level Meeting at Nabanna

কলকাতা: রাজ্য সরকারকে কেন্দ্র করে গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত ও নীতি নির্ধারণের জন্য মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় সোমবার বিকেল ৪টায় নবান্নে (Nabanna) ডাকলেন উচ্চ-পর্যায়ের বৈঠক। এই বৈঠক রাজ্যের প্রশাসনিক কার্যক্রম, বিভিন্ন উন্নয়ন প্রকল্প এবং সামাজিক সমস্যার সমাধানকে ঘিরে অনুষ্ঠিত হবে বলে জানা গেছে।

Advertisements

সুত্রে জানা গেছে, উচ্চ-পর্যায়ের বৈঠকের আগে মুখ্যমন্ত্রীর পরিকল্পনায় ইমামদের সঙ্গে একটি পৃথক বৈঠকও রয়েছে। এই বৈঠকে ধর্মীয় নেতাদের সঙ্গে রাজ্যের সম্প্রদায়িক শান্তি, সামাজিক সম্প্রীতি এবং বিভিন্ন ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান সম্পর্কিত বিষয়গুলো নিয়ে আলোচনা করা হবে। মুখ্যমন্ত্রী বিভিন্ন ধর্মীয় সম্প্রদায়ের সঙ্গে সরাসরি সংযোগের মাধ্যমে জনসাধারণের মধ্যে সম্প্রীতি বজায় রাখার চেষ্টা করছেন।

   

রাজ্য প্রশাসনের অভ্যন্তরীণ সূত্রের খবর অনুযায়ী, নবান্নে অনুষ্ঠিত এই উচ্চ-পর্যায়ের বৈঠকে রাজ্যের বিভিন্ন বিভাগের মন্ত্রী ও শীর্ষ আধিকারিকরা অংশগ্রহণ করবেন। বৈঠকে প্রধানত নিম্নলিখিত বিষয়গুলো আলোচনা হবে:

সরকারি প্রকল্পের অগ্রগতি এবং বাজেট বরাদ্দের কার্যক্রম।

প্রশাসনিক ব্যবস্থার উন্নয়ন এবং জনসাধারণের সমস্যা সমাধান।

সামাজিক ও ধর্মীয় সম্প্রদায়ের সঙ্গে সমন্বয় এবং শান্তি বজায় রাখার কৌশল।

গুরুত্বপূর্ণ আইন ও নীতি প্রণয়নের প্রক্রিয়া।

রাজ্য রাজনীতির বিশ্লেষকরা মনে করছেন, মুখ্যমন্ত্রীর উচ্চ-পর্যায়ের বৈঠক শুধুমাত্র প্রশাসনিক নয়, বরং রাজনৈতিক ও সামাজিক দিক থেকেও গুরুত্বপূর্ণ। কারণ এটি রাজ্যের উন্নয়ন, জনসাধারণের সমস্যা সমাধান এবং ধর্মীয় সম্প্রদায়ের সঙ্গে সম্পর্ক সুদৃঢ় করার ক্ষেত্রে কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারে।

মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের পরিকল্পনা অনুযায়ী, বৈঠকের মধ্যে আঞ্চলিক সমস্যাগুলি চিহ্নিত করে সমাধান প্রস্তাবনা আনা হবে। এছাড়াও সরকারের চলমান প্রকল্পের অগ্রগতি এবং প্রশাসনিক উন্নয়নের মান যাচাই করা হবে। প্রশাসনিক কর্মকর্তারা বিভিন্ন ডেটা ও রিপোর্ট নিয়ে উপস্থিত থাকবেন যাতে সিদ্ধান্ত গ্রহণ প্রক্রিয়া দ্রুত ও কার্যকর হয়।ইমামদের সঙ্গে বৈঠকটি বিশেষভাবে গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করা হচ্ছে। ধর্মীয় নেতাদের সঙ্গে আলোচনার মাধ্যমে **সম্প্রদায়িক শান্তি ও সহযোগিতা** বজায় রাখা এবং কোনো অনাকাঙ্ক্ষিত সংঘর্ষ বা ভুল বোঝাবুঝি এড়ানো সম্ভব হবে। মুখ্যমন্ত্রী আশা করছেন, এই বৈঠক থেকে উঠে আসা সুপারিশগুলি প্রশাসনের কাজের মান আরও উন্নত করবে।

 

Advertisements