
পশ্চিমবঙ্গ জুড়ে তৃণমূল সরকারের বিরুদ্ধে চুরি-দুর্নীতি, নারী নির্যাতন এবং (BJP)এসআইআর (স্পেশাল ইনটেনসিভ রিভিশন) নিয়ে মিথ্যাচারের অভিযোগ তুলে পূর্ব মেদিনীপুরের ময়নায় বিজেপির ‘পরিবর্তন সংকল্প সভা’ অনুষ্ঠিত হল। এই সভায় উপস্থিত ছিলেন বিজেপি নেত্রী লকেট চ্যাটার্জি। সভামঞ্চ থেকে বিজেপির নেতৃত্ব তীব্র নিন্দা জানান শনিবার ঘটে যাওয়া বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারীর কনভয়ে হামলার ঘটনার।
আর ২০২৬ সালের বিধানসভা নির্বাচনকে সামনে রেখে এই মঞ্চ থেকেই উঠল নতুন স্লোগান “চোরেদের এনার্জি মমতা ব্যানার্জি”। এই স্লোগানকে হাতিয়ার করে এবার ভোট প্রচারে নামছে বিজেপি।সভাটি শুরু হয়েছে সকাল থেকেই উত্তেজনাপূর্ণ পরিবেশে। পূর্ব মেদিনীপুরের এই এলাকায় বিজেপির কর্মী-সমর্থকরা ব্যাপক সংখ্যায় জড়ো হন। লকেট চ্যাটার্জি তার বক্তব্যে বলেন, “তৃণমূল সরকারের আমলে পশ্চিমবঙ্গে চুরি-দুর্নীতির সীমা ছাড়িয়ে গেছে।
ইন্ডিয়ান অয়েলে ৪৯৩টি পদে নিয়োগ, শীঘ্রই আবেদন করুন
সন্দেশখালি থেকে শুরু করে রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্তে নারী নির্যাতনের ঘটনা ঘটছে, কিন্তু প্রশাসন নীরব। এসআইআর প্রক্রিয়ায় ভোটার তালিকা নিয়ে যে মিথ্যাচার চলছে, তা জনগণের অধিকার কেড়ে নেওয়ার চক্রান্ত। আমরা এসবের বিরুদ্ধে লড়াই করব।”সভায় সবচেয়ে আলোচিত ছিল শুভেন্দু অধিকারীর উপর হামলার প্রসঙ্গ। গতকালই পশ্চিম মেদিনীপুরের চন্দ্রকোনা রোডে পুরুলিয়া থেকে ফেরার পথে তার কনভয়ে আক্রমণের অভিযোগ ওঠে তৃণমূল কর্মীদের বিরুদ্ধে।
শুভেন্দু নিজে অভিযোগ করেন যে, পুলিশের সামনেই আক্রমণ হয়েছে, কিন্তু পুলিশ নিষ্ক্রিয় ছিল। তিনি থানায় বসে ধর্না দেন এবং এফআইআর দাবি করেন। ময়নার সভায় বিজেপি নেতারা একবাক্যে বলেন, “এটা শুধু শুভেন্দু অধিকারীর উপর হামলা নয়, এটা গণতন্ত্রের উপর আক্রমণ। তৃণমূলের গুন্ডারাজ চলছে, বিরোধীদের কণ্ঠ রোধ করতে চাইছে তারা।”
এই প্রেক্ষাপটে সভামঞ্চ থেকে উঠে আসে নতুন স্লোগান “চোরেদের এনার্জি মমতা ব্যানার্জি”। কর্মীরা এই স্লোগানে মুখরিত করে তোলেন ময়নার মাঠ। বিজেপি নেতৃত্ব বলছেন, এই স্লোগানটি রাজ্যের দুর্নীতি, স্বজনপোষণ এবং প্রশাসনিক অক্ষমতার প্রতীক। তৃণমূলের শাসনামলে যে ‘এনার্জি’ বা শক্তি চুরির পেছনে ব্যয় হচ্ছে, তা মমতা ব্যানার্জির নেতৃত্বেই চলছে বলে অভিযোগ। এই স্লোগানকে এখন থেকে বিজেপির প্রচারের মূল অস্ত্র করা হবে।










