HomeBharat'আমাদের শরীয়তের সঙ্গে খেলনা!' AIMIM নেতার মন্তব্যে চাঞ্চল্য

‘আমাদের শরীয়তের সঙ্গে খেলনা!’ AIMIM নেতার মন্তব্যে চাঞ্চল্য

- Advertisement -

হায়দ্রাবাদ: সোশ্যাল মিডিয়ায় একটি ভিডিও ক্লিপ ছড়িয়ে পড়েছে যা দেশের রাজনৈতিক পরিস্থিতিকে আরও উত্তপ্ত করে তুলেছে। অল ইন্ডিয়া মজলিস-ই-ইত্তেহাদুল মুসলিমিন (AIMIM) নেতা মজিদ হুসেনের একটি বক্তব্যে বলা হয়েছে, “যখন আমাদের পালা আসবে, তখন তোমরা পালানোর জন্য রাস্তাও পাবে না… আমাদের শরীয়তের সাথে খেলো না।” AIMIM এর এই বিতর্কিত বক্তব্য দেশের সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির উপর প্রশ্ন তুলেছে, এবং এখন এটি পুলিশের তদন্তের আওতায় এসেছে।

ভিডিওটি প্রথম প্রকাশিত হয় হায়দ্রাবাদের একটি স্থানীয় সভায়, যেখানে মজিদ হুসেন স্থানীয় ইস্যুগুলো নিয়ে কথা বলছিলেন। তাঁর কথায় একটা স্পষ্ট হুমকির সুর ঝরে পড়ছে, যা অনেকের কাছে সাম্প্রদায়িক উসকানি বলে মনে হচ্ছে। সোশ্যাল মিডিয়ায় এই ক্লিপ শেয়ার করে অনেকে প্রশ্ন তুলেছেন এটা কি শান্তিপূর্ণ রাজনীতির সীমা অতিক্রম করছে? টুইটারে (এখন এক্স) এই ভিডিওটি হাজার হাজার লাইক, রিপোস্ট এবং কমেন্ট পেয়েছে।

   

Mahindra XEV 9S: ভারতের প্রথম 7-সিটার ইলেকট্রিক SUV বদলে দেবে ইভি বাজারের গল্প!

একজন ইউজার লিখেছেন, “এটা খোলা চ্যালেঞ্জ আইনের বিরুদ্ধে। সেকুলার গ্রুপগুলো কেন চুপ?” আরেকজন বলেছেন, “ডেমোগ্রাফি ইজ ডেস্টিনি এই ধরনের কথা দেশের ভবিষ্যতকে বিপন্ন করছে।” এই ভিডিওটি শুধু হায়দ্রাবাদ নয়, দিল্লি থেকে মুম্বই পর্যন্ত ছড়িয়ে পড়েছে, এবং এটি রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে বিতর্কের জন্ম দিয়েছে। AIMIM এর প্রেক্ষাপটে এই ঘটনা নতুন নয়। আসাদুদ্দিন ওয়াইসী নেতৃত্বাধীন এই দল মুসলিম সম্প্রদায়ের অধিকারের পক্ষে সোচ্চার, কিন্তু প্রায়ই তাদের বক্তব্যগুলো সাম্প্রদায়িক রং নিয়ে আসে।

সাম্প্রতিককালে ওয়াইসী নিজে বাবরি মসজিদ রায় নিয়ে কথা বলেছেন, যা দেশব্যাপী বিতর্ক সৃষ্টি করেছে। মজিদ হুসেনের এই কথা শরিয়াহ আইনের প্রতি তাঁদের অটল সমর্থনের প্রতীক বলে মনে হচ্ছে, কিন্তু এটি ভারতের সেকুলার ফ্রেমওয়ার্কের সাথে সাংঘর্ষিক। বিজেপি নেতারা এখন এটিকে “জিহাদিস্ট মাইন্ডসেট” বলে অভিহিত করছেন এবং কেন্দ্রীয় তদন্তের দাবি জানাচ্ছেন।

একজন বিজেপি সাংসদ বলেছেন, “এই ধরনের হুমকি দেশের ঐক্যকে ছিন্নভিন্ন করে। আমরা অমিত শাহকে চিঠি লিখব।” অন্যদিকে, এআইএমআইএমের পক্ষ থেকে এখনও কোনো অফিসিয়াল বক্তব্য আসেনি, যা সন্দেহ আরও বাড়িয়েছে।

সাধারণ মানুষের মধ্যে এই ঘটনা ভয় এবং ক্রোধের মিশ্রণ তৈরি করেছে। হায়দ্রাবাদের একজন বাসিন্দা বললেন, “আমরা শান্তিতে থাকতে চাই, কিন্তু এই কথা শুনে ভয় লাগে। সরকারকে কড়া ব্যবস্থা নিতে হবে।” আরেকজন যুবক বললেন, “সোশ্যাল মিডিয়া এখন সত্যতা যাচাইয়ের জায়গা নয়, কিন্তু এমন ভিডিও ছড়ালে সমাজ বিভক্ত হয়।” এই ঘটনা দেশের রাজনৈতিক মিডিয়া ল্যান্ডস্কেপকে প্রতিফলিত করে—যেখানে একটা ক্লিপই পুরো দেশকে নাড়িয়ে দিতে পারে।

- Advertisement -
এই সংক্রান্ত আরও খবর
- Advertisment -

Most Popular