হায়দরাবাদের দারুসসালামে আজ AIMIM সদর দফতরে এক সাংবাদিক (Owaisi)সম্মেলনে আসাদুদ্দিন ওয়াইসি মহারাষ্ট্রের সাধারণ মানুষের প্রতি আন্তরিক কৃতজ্ঞতা জানিয়েছেন। তিনি বলেন, “মহারাষ্ট্রের আওয়ামের দিল থেকে শুকরিয়া, যাঁরা AIMIM-কে বিরাট সাফল্য দিয়েছেন।” সাম্প্রতিক পৌর নির্বাচনে AIMIM রাজ্যজুড়ে ১২৫-১২৬টি আসন জিতে নিয়েছে, যা দলের পূর্ববর্তী রেকর্ডকে ছাড়িয়ে গেছে।
ওয়াইসি বলেন, এই জয় সাধারণ মানুষের সমর্থনের ফল, বিশেষ করে সংখ্যালঘু ও দরিদ্র অংশের। তিনি দলের কর্পোরেটরদের নির্দেশ দিয়েছেন জনগণের মাঝে থেকে কাজ করতে, যাতে এই বিশ্বাস অটুট থাকে।এই সম্মেলনে ওয়াইসি আগামী পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচন নিয়েও কথা বলেন। তিনি ইঙ্গিত দেন যে AIMIM বাংলায় তার উপস্থিতি আরও মজবুত করবে।
দৌড় শুরু বন্দে ভারত স্লিপারের, কী থাকছে ট্রেনের মেনুতে?
সংখ্যালঘু ভোটের বিভাজন এবং স্থানীয় ইস্যু নিয়ে দল সক্রিয় হবে। ওয়াইসি বলেন, বাংলায় সংখ্যালঘুদের অধিকার রক্ষা, দুর্নীতি ও বেকারত্বের মতো বিষয়ে AIMIM লড়াই করবে। এটি ২০২৬-এর নির্বাচনে বিরোধীদের জন্য চ্যালেঞ্জ তৈরি করতে পারে।অন্যদিকে, তেলঙ্গানায় আসন্ন SIR নিয়ে ওয়াইসি গুরুতর উদ্বেগ প্রকাশ করেন। নির্বাচন কমিশনের এই বিশেষ সংশোধন প্রক্রিয়া এপ্রিল ২০২৬ থেকে শুরু হবে, যাতে ভোটার তালিকা পুনর্বিবেচনা করা হবে।
ওয়াইসি বলেন, এতে সংখ্যালঘু, বিশেষ করে মুসলিম সম্প্রদায়ের অনেকের নাম বাদ পড়ার আশঙ্কা রয়েছে। দল এই প্রক্রিয়ায় সক্রিয়ভাবে অংশ নেবে, যাতে কোনো যোগ্য ভোটার বঞ্চিত না হয়। তিনি সতর্ক করে বলেন, SIR-কে যেন কোনো রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে ব্যবহার না করা হয়।সম্মেলনে ওড়িশার একটি সাম্প্রতিক ঘটনা নিয়েও ওয়াইসি তীব্র নিন্দা করেন। বালাসোরে এক মুসলিম যুবক শেখ মকান্দর মহম্মদ-কে গরু পাচারের সন্দেহে আল্লাহর নামে মারধর করে হত্যা করা হয়েছে।
এই গণপিটুনির ঘটনায় পুলিশ কয়েকজনকে গ্রেফতার করলেও ওয়াইসি বলেন, এ ধরনের ঘটনা ক্রমাগত বাড়ছে। তিনি বলেন, “এটা শুধু একটা হত্যা নয়, এটা সমাজের নিয়ম-কানুন ভেঙে পড়ার লক্ষণ। সরকারকে কঠোর পদক্ষেপ নিতে হবে, যাতে কোনো ধর্মীয় সংখ্যালঘু নিরাপদ না থাকে।” ওয়াইসি এই ঘটনাকে ‘কাউ ভিজিলান্টিজম’-এর ফল বলে অভিহিত করেন এবং কেন্দ্র ও রাজ্য সরকারের সমালোচনা করেন।
