
পাকিস্তান সেনাবাহিনী ভারতের ‘অপারেশন সিঁদুর’-এ নিহত (Sindoor)তাদের সেনাদের ছবি প্রকাশ্যে এনেছে। এই ছবিগুলোতে দেখা যাচ্ছে, ২০২৫ সালে, বিশেষ করে অপারেশন সিঁদুরের সময় নিহত পাক সেনাদের। অনানুষ্ঠানিক অনুমান অনুযায়ী, এই অভিযানে ৬০০-এরও বেশি পাকিস্তানি সেনা প্রাণ হারিয়েছে, যদিও এখনও কোনো স্বাধীন সূত্র থেকে এই সংখ্যার নিশ্চিতকরণ পাওয়া যায়নি।
পাকিস্তানের তরফে এখনও এই ছবি প্রকাশের পিছনের কারণ স্পষ্ট করে বলা হয়নি, কিন্তু এতে তাদের ক্ষতির পরিমাণ প্রকাশ্যে আসায় ভারতীয় মহলে উল্লাসের হাওয়া বইছে।অপারেশন সিঁদুরের সূত্রপাত হয় ২০২৫ সালের মে মাসে। ২২ এপ্রিল জম্মু-কাশ্মীরের পহেলগাঁওয়ের বৈসরন উপত্যকায় পাক-মদতপুষ্ট জঙ্গিদের হামলায় ২৬ জন পর্যটকসহ নিরীহ মানুষ প্রাণ হারান।
কোভিড কালে মিড ডে মিল কেলেঙ্কারিতে শাস্তির মুখে প্রাক্তন মন্ত্রী
এই নৃশংস হামলার প্রত্যুত্তরে ভারতীয় সেনাবাহিনী, বিমানবাহিনী এবং নৌবাহিনী যৌথভাবে ‘অপারেশন সিঁদুর’ চালায়। এতে পাকিস্তান ও পাকিস্তান-অধিকৃত কাশ্মীরে ৯টি জঙ্গি ঘাঁটি এবং সামরিক ঘাঁটিকে লক্ষ্য করে নির্ভুল আঘাত হানা হয়। ভারতীয় বিমানবাহিনী একাধিক পাক বিমানঘাঁটি যেমন মুরিদ, জ্যাকবাবাদ, রহিম ইয়ার খান ধ্বংস করে। স্যাটেলাইট ছবিতে দেখা গেছে, রানওয়ে ফাটল, হ্যাঙ্গার ধসে পড়া এবং ধ্বংসস্তূপ।
ভারতীয় সেনা দাবি করেছে, এতে ১০০-এরও বেশি জঙ্গি নিহত হয়েছে এবং পাক সেনাবাহিনীর বড় ক্ষতি হয়েছে।পাকিস্তান প্রথমে এই ক্ষতি লুকিয়ে রাখার চেষ্টা করেছিল। মে মাসে তারা মাত্র ১১ জন সেনা নিহতের কথা স্বীকার করেছিল এবং ৪০ জন সাধারণ নাগরিকের মৃত্যুর দাবি করেছিল।
কিন্তু পরে তাদের স্বাধীনতা দিবসের পুরস্কার তালিকা এবং সামা টিভির একটি রিপোর্টে (যা পরে মুছে ফেলা হয়) ১৫৫ জন সেনার নাম উঠে আসে, যাদের মরণোত্তর পুরস্কার দেওয়া হয়েছে। এর মধ্যে পাকিস্তান এয়ার ফোর্সের ৫৪ জনের নাম আলাদা। এখন ২০২৬ সালের জানুয়ারিতে পাক সেনাবাহিনী নিহত সেনাদের ছবি প্রকাশ করে দিয়েছে, যা অনেকের কাছে ‘স্বীকারোক্তি’ হিসেবে দেখা হচ্ছে।
ভারতীয় প্রতিরক্ষা বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এই ছবি প্রকাশ পাকিস্তানের অভ্যন্তরীণ চাপের ফল। ২০২৫-এর অপারেশনে পাকিস্তানের বিমানবাহিনী ৫টি ফাইটার জেট এবং একটি বড় নজরদারি বিমান হারিয়েছে। ভারতীয় বিমানবাহিনীর এয়ার চিফ মার্শাল এপি সিং-এর প্রেজেন্টেশনে এই ধ্বংসের ছবি দেখানো হয়েছে। অপারেশনের পর পাকিস্তান যুদ্ধবিরতির জন্য আমেরিকার কাছে মধ্যস্থতা চেয়েছিল।










