
দিল্লি: ন্যাশনাল হেরাল্ড মামলায় কংগ্রেস শীর্ষ নেতৃত্বের জন্য মঙ্গলবার এল আংশিক স্বস্তি। দিল্লির রাউজ অ্যাভিনিউ আদালত এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেটের (ইডি) মানি লন্ডারিং মামলায় সোনিয়া গান্ধী, রাহুল গান্ধী ও পাঁচজনের বিরুদ্ধে অভিযোগ আপাতত আমলে নেবে না, তবে তদন্ত চালিয়ে যাওয়ার পথে কোনও বাধা নেই।
আদালতের নির্দেশ ও প্রাথমিক পর্যবেক্ষণ
বিশেষ বিচারক বিশাল গগনে ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের আগের নির্দেশ বাতিল করেছেন। তিনি বলেন, “অভিযোগ খারিজ করা হলো। তবে দিল্লি পুলিশ ইতিমধ্যে নতুন করে এফআইআর দায়ের করেছে, তাই ভবিষ্যতে শুনানি চালু হতে পারে।”
আদালত আরও স্পষ্ট করেছেন, অভিযুক্তরা নতুন এফআইআর-এর কপি পাওয়ার অধিকার রাখেন না। অর্থাৎ, তদন্ত চলাকালীন এফআইআর-এর নথি তাঁদের হাতে দেওয়ার বাধ্যবাধকতা নেই।
অভিযোগের সারসংক্ষেপ
ইডি-র চার্জশিটে মূল অভিযুক্ত হিসেবে রয়েছে সোনিয়া গান্ধী, রাহুল গান্ধী, সুমন দুবে, স্যাম পিত্রোদা, ইয়ং ইন্ডিয়ান, ডটেক্স মার্চেন্ডাইজ ও সুনীল ভাণ্ডারি। অভিযোগ, অ্যাসোসিয়েটেড জার্নালস লিমিটেড (AJL)-এর প্রায় ২,০০০ কোটি টাকার সম্পত্তি বেআইনিভাবে দখল করা হয়েছে।
দিল্লি পুলিশের অর্থনৈতিক অপরাধ শাখা (EOW) ৩ অক্টোবর এফআইআর দায়ের করেছে। অভিযোগে রয়েছে প্রতারণা, অসৎভাবে সম্পত্তি আত্মসাৎ, বিশ্বাসভঙ্গ ও ষড়যন্ত্র। এফআইআর দায়েরের তথ্য সরবরাহ করেছে ইডি, যা PMLA-এর ৬৬(২) ধারার আওতায় সংগৃহীত।
তদন্তের পরবর্তী ধাপ
সূত্রের খবর, আদালতের এই সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে ইডি উচ্চ আদালতে আপিল করতে পারে। ইতিমধ্যেই মানি লন্ডারিং তদন্ত চলছে, যা বিজেপি নেতা সুব্রহ্মণ্যম স্বামীর দায়ের করা অভিযোগের ভিত্তিতে।
প্রাথমিক পর্যবেক্ষণ স্পষ্ট, আদালতের রায় কংগ্রেস নেতাদের জন্য আংশিক স্বস্তি এনেছে, তবে তদন্ত ও আইনি চ্যালেঞ্জ এখনও রয়ে গেছে। রাজনৈতিক ও আইনি প্রেক্ষাপটে এই মামলার উত্তাপ আগামী দিনগুলোতে আরও বাড়তে চলেছে।










