
কলকাতা: বাংলাদেশি পেসার মুস্তাফিজুর রহমানকে নিয়ে উত্তেজনা চরমে (Mustafizur Rahman)। ৯.৫ কোটি টাকা দিয়ে মুস্তাফিজকে দলে নিলেও রাজনৈতিক মহল থেকে সোশ্যাল মিডিয়া সব জায়গাতেই মুস্তাফিজকে কলকাতা নাইট রাইডার্স থেকে ছেড়ে দেওয়ার জন্য প্রতিবাদ উঠতে থাকে। এই রাজনৈতিক চাপানউতোরের মধ্যেই গতকাল শনিবার দেবজিত সাইকিয়া ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ডের তরফ থেকে জানিয়েছেন মুস্তাফিজকে ছেড়ে দেওয়ার কথা।
এই ঘটনার প্রতিক্রিয়াতেই বাংলাদেশের অধ্যাপক আসিফ নজরুল সোশ্যাল মিডিয়াতে তার প্রতিক্রিয়া জানিয়ে বলেছেন ভারতের উগ্র সাম্প্রদায়িক গোষ্ঠীর কাছে মাথা নত করে মুস্তাফিজকে বাদ দেওয়া হয়েছে। সবচেয়ে বিস্ফোরক মন্তব্য বাংলাদেশ ক্রিকেট দল নাকি এই ঘটনায় নিরাপত্তা হীনতায় ভুগছে। তাই তারা আবেদন করেছে যাতে টি ২০ বিশ্বকাপের বাংলাদেশের ম্যাচ গুলি ভারতের কোথাও না দেওয়া হয়।
ছুটির সকালে রাজস্থানে বিশাল সেনাবাহিনী
যদিও ভারতীয় বোর্ড বা ICC এই আবেদনের কোনও অফিসিয়াল উত্তর দেয়নি। তবে এই ইস্যুতেই ফের সরব হয়েছে ভারতের রাজনৈতিক মহল। শুধু রাজনৈতিক মহল নয় সাধারণ মানুষ ও সোশ্যাল মিডিয়াতে এই ধরণের মন্তব্যের প্রতিবাদ জানিয়েছেন। তারা মন্তব্য করেছেন বাংলাদেশের মৌলবাদীরা যখন প্রকাশ্যে ‘নারায়ে তাকবীর’ স্লোগান দেয়।
প্রকাশ্যে হিন্দু যুবক দীপু দাসকে পিটিয়ে মারে এবং রাজপথে তার দেহ ঝুলিয়ে তাতে আগুন ধরিয়ে দেয় তখন সংখ্যালঘু হিন্দুদের নিরাপত্তা ক্ষুন্ন হয় না? সম্প্রতি দীপু দাস, খোকন দাস তো বটেই তার সঙ্গে সংবাদ মাধ্যমের অফিস এবং সাংস্কৃতিক কেন্দ্র উদীচী এবং ছায়ানট ও মৌলবাদী হামলা থেকে রেহাই পাইনি। তখন তো আসিফ নজরুলের মত মানুষদের কলম চলে না, এমনটাও মনে করছে রাজনৈতিক মহলের একাংশ।
এছাড়াও গতকাল রাজনৈতিক সভায় এক নেতা প্রকাশ্যে বলেছেন যে BNP কে ভোট না দিলে বাংলাদেশে আর জায়গা হবে না হিন্দুদের। এই ধরণের মন্তব্যের পরও সেখানকার তথাকথিত বিখ্যাত ব্যাক্তি চুপ কেন ছিলেন ? এই উত্তর ও চেয়েছেন ভারতের নেটিজেন থেকে শুরু করে রাজনীতিবিদরা। তারা আরও বলেছেন এই সমস্ত উদাহরণের পরে বাংলাদেশ ক্রিকেট দল বা আসিফ নজরুলের মত মানুষরা যখন বলে ভারতে খেলতে গিয়ে নিরাপত্তা হীনতায় ভুগছে বাংলাদেশ ক্রিকেট দল তখন এই ধরণের মন্তব্যকে প্রহসন ছাড়া আর কিছুই বলা যেতে পারে না।










