HomeBharatরেজিস্ট্রি সার্টিফিকেট না থাকলেও বিবাহ বৈধ! রায় এলাহাবাদ হাইকোর্টের

রেজিস্ট্রি সার্টিফিকেট না থাকলেও বিবাহ বৈধ! রায় এলাহাবাদ হাইকোর্টের

- Advertisement -

নিবন্ধন শংসাপত্র (Registration Certificate) না থাকা মানেই ‘বিবাহ অবৈধ’ নয়! জানাল এলাহাবাদ হাইকোর্ট (Allahabad HC)। সুনীল দুবের দায়ের করা পিটিশনের শুনানির জবাবে পারিবারিক আদালতের রায়ের পরিপ্রেক্ষিতে এলাহাবাদ হাইকোর্ট জানায়, “শুধুমাত্র রেজিস্ট্রি সার্টিফিকেট না থাকার কারণে বিবাহ অবৈধ বলা যাবে না”।

পারিবারিক আদালতের (Family Court) রায়কে খারিজ করে এলাহাবাদ হাইকোর্ট বলে, “সুপ্রিম কোর্ট (SC) থেকে শুরু করে বিভিন্ন হাইকোর্ট সহ এই আদালতও মানে যে একমাত্র নিবন্ধন শংসাপত্রই বিবাহকে মান্যতা দেয়। তবে হিন্দু বিবাহ আইন ১৯৫৫-এর ৮ নং সেকশনের ৫ নং উপ বিভাগ অনুযায়ী, সেই শংসাপত্র না থাকার অর্থ বিবাহ অবৈধ নয়”।

   

আদালত জানায় যে রাজ্য সরকারগুলিকে বিবাহ নিবন্ধনের জন্য নিয়ম তৈরি করার ক্ষমতা দেওয়া হয়েছে। যার মধ্যে নির্ধারিতভাবে বিবাহের বিবরণ লিপিবদ্ধ করার জন্য একটি হিন্দু বিবাহ নিবন্ধন রক্ষণাবেক্ষণ অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। এই ধরনের নিবন্ধনের উদ্দেশ্য কেবল বিবাহের সুবিধাজনক প্রমাণ সরবরাহ করা।

বস্তুত, গত বছর অক্টোবর মাসে হিন্দু বিবাহ আইনের (Hindu Marriage Act)সেকশন ১৩ (বি) অনুসারে পারিবারিক আদালতে বিচ্ছেদের আবেদন দায়ের করেন সুনীল দুবে এবং তাঁর স্ত্রী মীনাক্ষী। আবেদনটি বিচারাধীন থাকাকালীন, পারিবারিক আদালত চলতি বছরের ৪ জুলাই বিবাহের নিবন্ধন শংসাপত্র (Marriage Registration Certificate) দাখিলের তারিখ ২৯ জুলাই নির্ধারণ করে।

আবেদনকারী বলেন যে নিবন্ধন শংসাপত্রটি পাওয়া যাচ্ছে না এবং হিন্দু বিবাহ আইনের অধীনে বিবাহ নিবন্ধনের জন্য কোনও বাধ্যবাধকতা নেই। শংসাপত্র দাখিল থেকে অব্যাহতি চেয়ে তিনি আরও বলেন যে আবেদনটিকে বিরোধী পক্ষও সমর্থন জানিয়েছে।

৩১ জুলাই, পারিবারিক আদালত আবেদনটি খারিজ করে দেয়। এতে বলা হয়েছে যে, ১৯৫৬ সালের হিন্দু বিবাহ ও বিবাহবিচ্ছেদ বিধির ৩(ক) বিধি অনুসারে, হিন্দু বিবাহ আইনের অধীনে প্রতিটি কার্যক্রমে একটি বিবাহ শংসাপত্র সংযুক্ত করা বাধ্যতামূলক।

- Advertisement -
Devi Bhattacharya
Devi Bhattacharyahttps://kolkata24x7.in/
প্রশ্ন করতে, খুঁটিয়ে জানতে এবং উত্তর খুঁজতে ভালোবাসি। খবর অনুসন্ধান, ঘটনার অন্তরালের কারণ বিশ্লেষণ এবং সেগুলোকে শব্দে বুনে তোলার চেষ্টা করি। স্বচ্ছ, নির্ভীক ও নিরপেক্ষ সাংবাদিকতা করার লক্ষ্য নিয়ে গত ৪ বছর ধরে এই প্রফেশনে যুক্ত আছি। এছাড়াও আবৃত্তি করতে, ভ্রমণ এবং সেই ভ্রমণকাহিনি লিখতে ভালোবাসি।
এই সংক্রান্ত আরও খবর
- Advertisment -

Most Popular