
প্রধানমন্ত্রী যাননি। তবে বিরোধী দলনেতা হিসেবে এবার রাহুল গান্ধী গেলেন সন্ত্রাস কবলিত মণিপুরে। তাঁর সফর শুরুর আগেই হয়ে গেল ভয়াবহ হামলা (Manipur violence)। রাহুলের সফরের প্রাক্কালে জিরিবামে গোলাগুলি চলেছে। আক্রান্ত রক্ষীদের কনভয়। মনে করা হচ্ছে হামলাকারীদের নিশানায় ছিলেন রাহুল গান্ধী। জিরিবাম হল মণিপুরের বাঙালি অধ্যুষিত এলাকা। এট্ অসম লাগোয়া অঞ্চল।
বিরোধী দলনেতা রাহুল গান্ধী পৌছার কয়েক ঘন্টা আগে জিরিবাম থানা এলাকার গুলালতল পাইতল এলাকায় সোমবার এলেপাথাড়ি গুলি চালানের ঘটনা ঘটে। মনিপুর পুলিশ এবং কুকি গোষ্ঠীর মধ্যে সংঘর্ষ সংঘটিত হয়েছে। হতাহতের কোন খবর পাওয়া যায়নি।
জানা যাচ্ছে, জিরিবামে রাহুল গান্ধীর আগমন প্রতিহত করতে কুকি গোষ্ঠী সক্রিয়। রবিবার গভীর রাতে জিরিবাম লালপানিতে একটি ফার্ম হাউসে অগ্নিসংযোগ করে জ্বালিয়ে দিয়েছে অপরিচিত দূস্কৃতীকারীরা। আর সোমবার হল হামলা।
মণিপুর প্রদেশ কংগ্রেস সূত্রে খবর ইম্ফলে পৌঁছানোর পর রাহুল গান্ধীকে জিরিবামের সামগ্রিক পরিস্থিতি জানানো হয়েছে। অভিযোগ, বিরোধী দলনেতার নিরাপত্তা নিয়ে গাফিলতি দেখিয়েছে বিজেপি শাসিত মণিপুরের প্রশাসন। গত এক বছরের বেশি সময় ধরে কুকি ও মেইতেই গোষ্ঠীর সংঘর্ষে শতাধিক নিহত। রক্তাক্ত পরিস্থিতি তৈরি হয়ে আছে মণিপুরে। মুখ্যমন্ত্রী বীরেন সিং ও প্রধানমন্ত্রী মোদী বারবার দাবি করেছেন মণিপুর শান্ত হচ্ছে। তবে হামলা অব্যাহত।
রাজ্যের জিরিবাম থেকে শতশত বাঙালি শরণার্থী আন্ত:রাজ্য সীমানার জিরি নদীর ঘাট পার করে পড়শি রাজ্য অসমের কাছাড় জেলায় ঢুকেছেন। কাছাড়ের সদর শহর শিলচর-সহ অন্যত্র চলছে শরণার্থীদের শিবির।
ইম্ফলের সংবাদমাধ্যম জানাচ্ছে, কংগ্রেস ও বিরোধী দলনেতা রাহুল গান্ধীর নির্ধারিত সফরের কয়েক ঘন্টা আগে জিরিবামে নিরাপত্তা বাহিনীর উপর হামলা চলে। জিরিবামে উত্তেজনা। নিরাপত্তা বাহিনী হামলাকারীদের লক্ষ্য করে গুলিবর্ষণ করে। হামলাকারীদের গুলিতে কয়েকজন নিরাপত্তা কর্মী আহত হয়েছেন।
এদিকে, রাহুল গান্ধী তার নির্ধারিত মণিপুর সফরের আগে অসমের শিলচরে পৌঁছে সে রাজ্যে ভয়াবহ বন্যায় ক্ষতিগ্রস্থদের সাথে দেখা করবেন বলে অসম প্রদেশ কংগ্রেস সূত্রে খবর। বিরোধী দলের নেতা হিসেবে দায়িত্ব নেওয়ার পর এটিই উত্তর পূর্বাঞ্চলে রাহুল গান্ধীর প্রথম সফর।










