মহাকুম্ভ নয় এ যেন “মৃত্যু কুম্ভ” এই বিস্ফোরক মন্তব্যের জেরে ক্রমশ ঘনীভূত হচ্ছে বিতর্ক। মঙ্গলবার যোগী সরকারকে আক্রমণ করতে গিয়ে মমতা বন্দোপাধ্যায় এই মন্তব্য করেন। চরম অব্যবস্থা আর নিয়ম শৃঙ্খলার অভাব কত মানুষের প্রাণ নিয়েছে তাও উল্লেখ করেন তিনি। এই মন্তব্যের জেরে আচার্য প্রমোদ কৃষ্ণম আগেই সমালোচনা করেছেন সনাতন হিন্দু ধর্মের বিরোধী মমতা এবং হিন্দু ধর্মকে আঘাত করা এখন ফ্যাশনে পরিনত হয়েছে। এবার মমতার মন্তব্যের বিরোধিতা করে মুখ খুললেন সন্ত সমাজ, প্রকাশ্যে ক্ষমা চাওয়ারও দাবি জানিয়েছেন তারা। শ্রী পঞ্চায়েতি আখড়ার মহা নির্বানীর জাতীয় সেক্রেটারি যমুনা পুরি বলেছেন এই রকম দায়িত্বশীল পদে থেকে এ ধরণের মন্তব্য কি করে করতে পারেন মমতা। মহাকুম্ভ ১২ বছর পর পর অনুষ্ঠিত হয়, এবং এই মহাকুম্ভের যোগ এসেছে ১৪৪ বছর পর। তাই এই ধরণের অবমাননাকর বক্তব্য করা মোটেই ঠিক নয়।
মহামণ্ডলেশ্বর স্বামী অরুন গিরি ও তীব্র সমালোচনা করে বলেছেন, পশ্চিমবঙ্গ সনাতনীদের জন্য নিরাপদ নয়। প্রত্যেকদিন সনাতনীদের হত্যা করা হচ্ছে। প্রত্যেকদিন সনাতন হিন্দুদের পালতে বাদ্ধ করা হচ্ছে। তাই মমতা নিজের রাজ্য নিয়ে চিন্তা করলেই সকলের মঙ্গল হবে এ কথা সাফ জানিয়েছেন স্বামী অরুন গিরি। সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ মন্তব্য করেছেন নির্মোহী আনি আখড়ার মহান্ত রাজেন্দ্র দাস। তিনি বলেছেন এই ধরণের অবমাননাকর মন্ত্যব করে তৃণমূল কংগ্রেস সুপ্রিমো বিদায়ী মুখ্যমন্ত্রী অরবিন্দ কেজরিওয়ালের পথ অবলম্বন করছেন এবং তার ও এক ই অবস্থা হবে।
মহামন্ডলেশ্বর ঈশ্বর দাস মহারাজ বলেছেন, এই ধরণের মন্তব্য তার মানসিকতার পরিচয় দেয়। পশ্চিমবঙ্গ কে উনি আরেকটা বাংলাদেশ বানাতে চান বলেও অভিযোগ করেছেন তিনি। অল ইন্ডিয়া সন্ত সমিতির জাতীয় সাধারণ সম্পাদক জিতেদ্রানন্দ সরস্বতী বলেছেন সন্ত সমাজ মমতা বন্দোপাধ্যারের এই বিস্ফোরক মন্তব্য কে কখনোই সমর্থন করেনা। তিনি আরো বলেন মমতা এখানে এসে ঘুরে যান নিজের চোখে দেখুন কিভাবে ৫০ কোটিরও বেশি মানুষ মহাকুম্ভে পুণ্যস্নান করছে।