
পিছিয়ে গেল রাজ্যে জয়েন্ট এন্ট্রান্স মেন (JEE) (JEE Mains 2026) সেশন-১ পরীক্ষার তারিখ। ন্যাশনাল টেস্টিং এজেন্সি (NTA) সম্প্রতি তাদের ওয়েবসাইটে নতুন পরীক্ষার সূচি প্রকাশ করেছে। পরিবর্তিত সূচি অনুযায়ী, পূর্বনির্ধারিত ২৩ জানুয়ারির পরিবর্তে এখন ২৯ জানুয়ারি, ২০২৬ তারিখে পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে। তবে, (JEE Mains 2026) এই তারিখ পরিবর্তন শুধুমাত্র পশ্চিমবঙ্গের পরীক্ষার্থীদের জন্য প্রযোজ্য।
এটি পশ্চিমবঙ্গের শিক্ষার্থীদের জন্য একটি বড় পরিবর্তন হিসেবে উঠে এসেছে, কারণ পূর্বের সূচি অনুযায়ী ২৩ জানুয়ারি পরীক্ষা হওয়ার কথা ছিল। কিন্তু, ঐদিনটি রাজ্যের জন্য (JEE Mains 2026) বিশেষ তাৎপর্যপূর্ণ, কারণ এটি নেতাজি সুভাষচন্দ্র বসুর জন্মদিন এবং একইদিনে সরস্বতী পুজোও অনুষ্ঠিত হবে। দুটি উল্লেখযোগ্য দিবসের সংমিশ্রণের কারণে, পরীক্ষার্থীদের জন্য ওই দিন পরীক্ষা দেওয়া কিছুটা সমস্যার সৃষ্টি করেছিল।
এই পরিস্থিতির প্রেক্ষিতে কেন্দ্রীয় মন্ত্রী সুকান্ত মজুমদার উচ্চ শিক্ষা দপ্তরের কাছে লিখিত আবেদন জানান, যাতে ২৩ জানুয়ারির তারিখ পরিবর্তন করে একটি নতুন তারিখ নির্ধারণ করা হয়। তার পরেই, NTA এই অনুরোধ গ্রহণ করে পরীক্ষার তারিখ পুনরায় নির্ধারণ করেছে এবং ২৯ জানুয়ারি ২০২৬-এ সেশন-১ পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে বলে ঘোষণা করেছে। এটা পশ্চিমবঙ্গের শিক্ষার্থীদের জন্য একটি বড় সিদ্ধান্ত, কারণ সরস্বতী পুজোর দিন সাধারণত বহু শিক্ষার্থী পরীক্ষা দিতে অসুবিধার সম্মুখীন হন। অনেক শিক্ষার্থী বিশেষত পুজোর প্রস্তুতির জন্য, বা পুজোর দিন নির্ধারিত পারিবারিক অনুষ্ঠানগুলোর কারণে পরীক্ষার প্রস্তুতি সঠিকভাবে করতে পারেন না। অন্যদিকে, নেতাজি সুভাষচন্দ্র বসুর জন্মদিনও একটি জাতীয় অনুষ্ঠান হিসেবে উপলক্ষে, তাই ওইদিন পরীক্ষা নেওয়া ঠিক হবে না এমন একটি যুক্তি উঠেছিল।
NTA তাদের(JEE Mains 2026) ওয়েবসাইটে পরীক্ষার নতুন সূচি প্রকাশ করে। যেখানে রাজ্যের জন্য পরিবর্তিত পরীক্ষার তারিখ ২৯ জানুয়ারি হিসেবে ঘোষিত হয়। নতুন সূচি অনুযায়ী, ২৩ জানুয়ারির পরিবর্তে পরীক্ষার এই তারিখে শিক্ষার্থীরা অংশগ্রহণ করবেন।
এ বিষয়ে (JEE Mains 2026) কেন্দ্রীয় মন্ত্রী সুকান্ত মজুমদারের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তিনি প্রথমে রাজ্যের শিক্ষার্থীদের জন্য লিখিত আবেদন করেন যাতে সঠিক সময়সূচি নির্ধারণ করা হয়। তাঁর আবেদন অনুসারে, পশ্চিমবঙ্গের ঐতিহ্যবাহী পুজো এবং নেতাজির জন্মদিনের সম্মান রক্ষা করতে একটি নতুন পরীক্ষার তারিখের অনুরোধ জানানো হয়। সুকান্ত মজুমদারের এই পদক্ষেপটি শিক্ষার্থীদের জন্য একটি বড় স্বস্তি নিয়ে এসেছে, কারণ পরীক্ষা দানের আগে পুজো এবং গুরুত্বপূর্ণ পারিবারিক অনুষ্ঠানগুলোতে অংশ নেওয়া এখন সম্ভব হবে।





