
নয়াদিল্লি, ২১ ডিসেম্বর: ভারতের উচ্চাভিলাষী গগনযান মিশন (Gaganyaan Mission) এখন আরও এক ধাপ এগিয়েছে। যখন মহাকাশচারীরা মহাকাশ থেকে ফিরে আসবেন, তখন তাদের মডিউলটি খুব দ্রুত গতিতে বায়ুমণ্ডলে প্রবেশ করবে। সেই সময়ে, সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ হল গতি কমানো এবং মডিউলটিকে উল্টে যাওয়া থেকে বিরত রাখা। এই সমস্যার সমাধান হল ISRO-এর ডিসিলারেশন সিস্টেম, যা মোট ১০টি প্যারাসুট ব্যবহার করে। Drogue Parachute Tests
পরীক্ষাটি কোথায় করা হয়?
রিপোর্ট অনুসারে, এই প্যারাসুটগুলি সম্প্রতি চণ্ডীগড়ের টার্মিনাল ব্যালিস্টিকস রিসার্চ ল্যাবরেটরিতে (TBRL) ‘রেল ট্র্যাক রকেট স্লেড’ (RTRS) সুবিধায় পরীক্ষা করা হয়েছে। বিজ্ঞানীরা খুব কঠিন এবং পরিবর্তনশীল পরিস্থিতিতে এগুলি পরীক্ষা করেছেন, এবং সুখবর হল যে প্যারাসুটগুলি প্রতিটি পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়েছে। ISRO-র পাশাপাশি, DRDO এবং বিক্রম সারাভাই স্পেস সেন্টারের মতো সংস্থাগুলিও এই সাফল্যে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছে। এই সাফল্য আমাদের সেই দিনের কাছাকাছি নিয়ে এসেছে যখন ভারতীয় মহাকাশচারীরা দেশীয় প্রযুক্তি ব্যবহার করে মহাকাশ ভ্রমণ করবেন।
‘ড্রোগ প্যারাসুট’ কী?
ড্রোগ প্যারাসুট (Drogue) কোনও সাধারণ প্যারাসুট নয়। এটি মিশনের সময় একটি সুরক্ষা জাল হিসেবে কাজ করে। যখন গগনযানের ক্রু মডিউল (যাত্রীদের ধারণক্ষমতা সম্পন্ন অংশ) পৃথিবীর দিকে পতিত হবে, তখন এটি ঘন্টায় হাজার হাজার কিলোমিটার বেগে ভ্রমণ করবে। ড্রোগ প্যারাসুট এই গতি কমিয়ে দেয়। এই প্যারাসুটগুলি মডিউলটিকে সোজা রাখে যাতে এটি তীব্র বাতাসে দুলতে না পারে। ইতিমধ্যে, চণ্ডীগড়ে পরিচালিত পরীক্ষাগুলি নির্ধারণ করেছে যে এই প্যারাসুটগুলি উচ্চ গতি এবং চাপ সহ্য করতে পারে কিনা। পরীক্ষার ফলাফল বিজ্ঞানীদের আশ্বস্ত করেছে যে এগুলি সম্পূর্ণরূপে শক্তিশালী।










