নয়াদিল্লি, ২ জানুয়ারি: ভারতের প্রতিরক্ষা মন্ত্রক সামরিক বাহিনীর জন্য একটি অত্যন্ত উন্নত এবং সুরক্ষিত AEHF GEO স্যাটেলাইট তৈরির সিদ্ধান্ত নিয়েছে (Indian Army AEHF Satellite)। রিপোর্ট অনুসারে, এটি “MAKE-I” বিভাগের অধীনে তৈরি করা হবে, যার অর্থ সরকার উন্নয়ন ব্যয়ের ৭০ শতাংশ বহন করবে। এই উপগ্রহ যুদ্ধের সময় সামরিক যোগাযোগ সম্পূর্ণ গোপনীয় এবং সুরক্ষিত রাখবে। আধুনিক যুদ্ধগুলি কেবল বন্দুক দিয়ে নয়, সঠিক সময়ে সঠিক তথ্য দিয়েও জেতা যায়। রিপোর্ট অনুসারে, ভারত যে AEHF অর্থাৎ অ্যাডভান্সড এক্সট্রিমিলি হাই ফ্রিকোয়েন্সি স্যাটেলাইট তৈরি করতে চলেছে তা হবে মহাকাশে ভারতের চোখ এবং কান যা শত্রুরা চাইলেও বন্ধ করতে পারবে না। এটি হবে একটি জিও অর্থাৎ জিওস্টেশনারি স্যাটেলাইট, যার অর্থ এটি সর্বদা পৃথিবীর একটি নির্দিষ্ট অংশের উপর নজর রাখবে।
এই প্রকল্পের সবচেয়ে বড় বৈশিষ্ট্য হল এর নিরাপত্তা
প্রায়শই শত্রু দেশগুলো যুদ্ধের সময় রাডার এবং সিগন্যাল আটকে দেয় যাতে আমাদের সেনাবাহিনী একে অপরের সাথে যোগাযোগ করতে না পারে। কিন্তু এই নতুন উপগ্রহটি “জ্যাম-প্রতিরোধী” হবে, অর্থাৎ এর সংকেত আটকানো বা হ্যাক করা প্রায় অসম্ভব হবে। এই মিশনের জন্য সরকার প্রতিটি উন্নয়ন সংস্থাকে ২৫০ কোটি টাকা পর্যন্ত তহবিল প্রদান করবে।
এই উপগ্রহের বৈশিষ্ট্যগুলি কী কী?
এটি কোনও সাধারণ যোগাযোগ উপগ্রহ নয়; এটি যোদ্ধার মতো কাজ করবে। শত্রু যতই চেষ্টা করুক না কেন, সে এই উপগ্রহের সংকেত ধরতে পারবে না এবং ধ্বংসও করতে পারবে না। সমুদ্রের মাঝখানে আমাদের নৌবাহিনী হোক, আকাশে উড়ন্ত যুদ্ধবিমান হোক বা পাহাড়ে মোতায়েন সৈন্য হোক, এই উপগ্রহ সকলকে একটি নিরাপদ নেটওয়ার্কের সাথে সংযুক্ত রাখবে। এর মাধ্যমে কথোপকথন এবং তথ্য আদান-প্রদান এতটাই গোপন থাকবে যে বিশ্বের সবচেয়ে বড় হ্যাকারও এটি ডিকোড করতে পারবে না।
