
স্বাধীনতার ৭৫ বছর পূর্তি ও ৭৬ তম স্বাধীনতা দিবস (Independence Day) উপলক্ষে লালকেল্লা থেকে প্রধানমন্ত্রীর ভাষণে উঠে এল দুর্নীতি ও পরিবারতন্ত্র বিরোধী প্রসঙ্গ৷ তিনি বলেন, দুর্নীতি করে রক্ষা পেয়ে যাবেন, এই ধারণা ভুল। দুর্নীতি করলে কেউ বাঁচতে পারবেন না। দুর্নীতির বিরুদ্ধে আরও লড়াই করতে হবে। দুর্নীতিকে ঘৃণা করলে, তবেই দুর্নীতি রোখা সম্ভব। দেশ থেকে যত টাকা লুঠ হয়েছে, তা ফেরানোর চেষ্টা করতে হবে। দুর্নীতিগ্রস্তদের করুণা দেখালে চলবে না, তাদের প্রতি কঠোর মনোভাব দেখাতে হবে৷
একইসঙ্গে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর বার্তা, পরিবারতন্ত্রের রাজনীতিতে পরিবারের লাভ হয়। দেশের কোনও উপকার হয় না। দেশ থেকে পরিবারতন্ত্রের রাজনীতি দূর করতে হবে। দুর্নীতি ও পরিবারতন্ত্রের বিরুদ্ধে লড়তে হবে।
উল্লেখ্য, এর আগে একাধিকবার কংগ্রেসের বিরুদ্ধে তোপ দাগতে গিয়ে পরিবারতন্ত্রের কথা উল্লেখ করেছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী সহ বিজেপির অন্যান্য নেতারাও৷ সম্প্রতি রাহুল গান্ধী ও সোনিয়া গান্ধীকে ইডি তলবেও কটাক্ষ করতে বিন্দুমাত্র পিছপা হননি বিজেপি নেতারা। স্বাধীনতা দিবসের দিনে প্রধানমন্ত্রী এহেন মন্তব্যে আরও একবার জল্পনা শুরু হয়েছে৷
তিনি আরও বলেন, পঞ্চপ্রাণ সংকল্প পূরণের সময় এসে গিয়েছে। আগামী ২৫ বছরে ৫টি বড় সংকল্প পূরণ করতে হবে। এই কাজে সাহায্য করতে এগিয়ে আসতে হবে যুবসমাজকে। এই পাঁচ সংকল্প হল, ভারতের বিকাশ,দাসত্ব থেকে মুক্তি,উত্তরাধিকার নিয়ে গর্ব,ঐক্যবদ্ধ থাকতে হবে,নাগরিক কর্তব্যে অবিচল থাকতে হবে। প্রধানমন্ত্রীর কথায়, বড় সঙ্কল্প নিয়ে এগোতে হবে, তবেই স্বপ্নপূরণ হবে। আগামী ২৫ বছর দেশের জন্য গুরুত্বপূর্ণ৷
একইসঙ্গে প্রধানমন্ত্রী নিজের ভাষণে বলেন, উন্নতি ও অগ্রগতির পথে চলে দেশ আজ যে জায়গায় পৌঁছেছে, তা অনেক দেশের কাছে অনুপ্রেরণা। করোনাকালে নজিরবিহীনভাবে দেশবাসী ঐক্যবদ্ধ হয়ে সংক্রমণের বিরুদ্ধে লড়াই চালিয়েছেন। ভারতের চিন্তাভাবনা বিশ্বকে প্রভাবিত করে। আজ আমাদের শক্তি কারোর থেকে কম নয়। এর জন্য নিজেদের উপরে গর্ব হওয়া উচিত।
একইসঙ্গে স্বাধীনতার জন্য যারা লড়াই করেছেন, ডঃ রাজেন্দ্র প্রসাদ, নেহরুজী, সর্দার প্যাটেল, শ্য়ামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়, লাল বাহাদুর শ্রাস্ত্রী, দীনদয়াল উপাধ্যায়, আর এম লোহিয়া, নানাজী দেশমুখদের প্রতি শ্রদ্ধা জানালেন প্রধানমন্ত্রী৷ পাশাপাশি বীরসা মুন্ডা, সিধু-কানহু, আল্লুরি সীতারামা রাজু, গোবিন্দ গুরুবীরসা মুন্ডা, সিধু-কানহু, আল্লুরি সীতারামা রাজু, গোবিন্দ গুরুদের কথাও তুলে ধরলেন তিনি৷










