ভারতের বায়ু শক্তি বৃদ্ধি করবে পারমাণবিক ক্ষেপণাস্ত্র, পাক-চিনের ফাঁপা উদ্দেশ্যকে দেবে কড়া জবাব

Indian Defence: ভারতীয় বায়ুসেনার (IAF) শক্তিতে বড় ধরনের বৃদ্ধি হতে চলেছে। পরমাণু হামলার পূর্ণ জবাব দিতে সক্ষম ভারতের বায়ুসেনা এখন আরও শক্তিশালী হবে। পাকিস্তান এবং চিনের…

Rafale

Indian Defence: ভারতীয় বায়ুসেনার (IAF) শক্তিতে বড় ধরনের বৃদ্ধি হতে চলেছে। পরমাণু হামলার পূর্ণ জবাব দিতে সক্ষম ভারতের বায়ুসেনা এখন আরও শক্তিশালী হবে। পাকিস্তান এবং চিনের মতো দেশগুলির বাড়তে থাকা বায়ু প্রতিরক্ষা ক্ষমতার পরিপ্রেক্ষিতে, প্রতিরক্ষা বিশেষজ্ঞরা একমত হয়েছেন যে ভারতের এখন এমন একটি সমাধান হওয়া উচিত যা কেবল নিরাপদ নয়, কৌশলগতভাবেও উপযুক্ত। এমন পরিস্থিতিতে আইএএফের কাছে ইতিমধ্যেই Mirage-2000, জাগুয়ার এবং Rafale-র মতো উন্নত ফাইটার জেট রয়েছে, যেগুলি যে কোনও আক্রমণকে একবারে ধ্বংস করার ক্ষমতা রাখে। কিন্তু আইএএফ-এর প্রয়োজন বায়ুচালিত পারমাণবিক ক্ষেপণাস্ত্র, যা সহজেই শত্রুর প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা ধ্বংস করতে পারে। যা নিয়ে আলোচনা তুঙ্গে।

পারমাণবিক হামলার ক্ষমতায় বড় পরিবর্তন
ভারতের পারমাণবিক নীতি ‘নো ফার্স্ট ইউজ’ এবং ‘ক্রেডিবল মিনিমাম ডিটারেন্স’-এর উপর ভিত্তি করে। যার মানে ভারত প্রথমে আক্রমণ করবে না, তবে আক্রমণ করলে উপযুক্ত জবাব দিতে পিছপা করবে না। বর্তমানে, ভারতীয় পারমাণবিক বিতরণ ব্যবস্থার মধ্যে রয়েছে স্থল থেকে উৎক্ষেপণ করা অগ্নি ক্ষেপণাস্ত্র এবং সমুদ্র থেকে উৎক্ষেপণ করা K-15 এবং K-4 ক্ষেপণাস্ত্র, তবে বায়ু-ভিত্তিক সিস্টেমকে আপগ্রেড করার প্রয়োজন এখন অনুভূত হচ্ছে। বর্তমানে আইএএফ যুদ্ধবিমান থেকে পারমাণবিক বোমা ফেলার কৌশল গ্রহণ করেছে।

   

যদি কোনো ফাইটার জেটকে শত্রু এলাকায় ঢুকে বোমা ফেলতে হয়, তাহলে উন্নত বায়ু প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার ফলে বিপদে পড়বে। চিনের HQ-9 এবং S-400 প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা এবং পাকিস্তানের ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরক্ষা ক্ষমতা বিবেচনা করে ভারত শীঘ্রই পারমাণবিক ক্ষেপণাস্ত্র তৈরি করবে যা দূরপাল্লার লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত হানতে সক্ষম হবে।

Advertisements

বায়ুচালিত পারমাণবিক ক্ষেপণাস্ত্রের খেলা পরিবর্তনকারী ভূমিকা
ভারত যদি একটি বায়ুচালিত পারমাণবিক ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবস্থা তৈরি করে, তবে এটি একটি গেম-চেঞ্জার হিসাবে প্রমাণিত হবে। ফ্রান্সের ASMP-A এবং আমেরিকার AGM-86 ALCM-এর মতো ক্ষেপণাস্ত্র 100 থেকে 1000 কিলোমিটার দূর থেকে আক্রমণ করতে সক্ষম। এমন পরিস্থিতিতে শত্রুর আকাশসীমায় প্রবেশ না করেই পারমাণবিক হামলা চালাতে পারবে IAF। এতে ভারতীয় বায়ুসেনার পাইলট ও বিমানের নিরাপত্তাও বাড়বে।

আইএএফের কাছে ইতিমধ্যেই রাফাল এবং Su-30 MKI-এর মতো চমৎকার ফাইটার জেট রয়েছে, যেগুলি এই ক্ষেপণাস্ত্র বহনের জন্য উপযুক্ত। এগুলোকে সঠিক ক্ষেপণাস্ত্র দিয়ে আপগ্রেড করা হলে ভারতীয় বায়ুসেনার ফায়ার পাওয়ার বহুগুণ বেড়ে যাবে।