HomeBharatদিল্লি বিস্ফোরণ কাণ্ডে গ্রেফতার বিলালি মসজিদের ইমাম

দিল্লি বিস্ফোরণ কাণ্ডে গ্রেফতার বিলালি মসজিদের ইমাম

- Advertisement -

হলদওয়ানি, ২৯ নভেম্বর: দিল্লির লাল কেল্লার কাছে ১০ নভেম্বরের ভয়াবহ গাড়ি বিস্ফোরণের তদন্তে আজ নতুন একটা ধাক্কা লেগেছে। উত্তরাখণ্ডের হলদওয়ানির বনভূলপুরা এলাকায় বিলালি মসজিদের ইমামকে গ্রেফতার করেছে দিল্লি পুলিশ। অভিযোগ, ইমামের ফোন থেকে মারা যাওয়া মূল সন্দেহভাজন ডক্টর উমর নাবির সঙ্গে একাধিক কলের লিঙ্ক পাওয়া গেছে।

গত রাত ১:৩০-এর দিকে পুলিশের হঠাৎ রেইডে ইমামকে হলদওয়ানি থেকে দিল্লি নিয়ে যাওয়া হয়েছে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য। এই গ্রেফতার রাজনৈতিক ও সমাজিক মহলে চাঞ্চল্যের সৃষ্টি করেছে, বিশেষ করে মসজিদের সঙ্গে যুক্ত এই ঘটনা ধর্মীয় সংবেদনশীলতার প্রশ্ন তুলে ধরেছে।

   

৪০০টি ব্রহ্মোস-এনজি ক্ষেপণাস্ত্রের অর্ডার দেবে ভারতীয় বিমান বাহিনী

সবকিছুর সূত্র ১০ নভেম্বরের সেই রাত। দিল্লির লাল কেল্লার কাছে একটা সাদা হায়ুন্দাই আই২০ গাড়িতে বিস্ফোরণ ঘটে, যাতে ১৫ জন নিহত হন এবং অসংখ্য লোক আহত হয়। তদন্তে জানা যায়, গাড়িটি চালাচ্ছিলেন ডক্টর উমর উন নাবি, একজন কাশ্মীরি ডাক্তার এবং আল-ফালাহ ইউনিভার্সিটির অ্যাসিস্ট্যান্ট প্রফেসর। পুলিশের মতে, উমর একটা ‘হোয়াইট কলার’ টেরর মডিউলের সদস্য ছিলেন, যা ফরিদাবাদে বাস্তবায়িত হয়েছিল।

বিস্ফোরণের সময় গাড়িতে ছিল বিস্ফোরক পদার্থ, যা সম্ভবত প্যানিকের কারণে ফেটে পড়ে। সিসিটিভি ফুটেজে দেখা গেছে, বিস্ফোরণের কয়েক ঘণ্টা আগে উমর সুনেহরি মসজিদের কাছে গাড়ি পার্ক করে অপেক্ষা করছিলেন। তাঁর সঙ্গে যুক্ত ছিলেন অন্যান্য সন্দেহভাজনরা, যেমন ডক্টর মুজাম্মিল গানাই, ডক্টর আদিল রাদার এবং জাসির বিলাল ওয়ানি। এই মডিউলের পরিকল্পনায় ছিল হামাস-স্টাইল ড্রোন আক্রমণ এবং ছোট রকেট হামলা, যা বাবরি মসজিদ ভেঙে দেওয়ার বার্ষিকীতে (৬ ডিসেম্বর) সময়মতো হওয়ার কথা ছিল।

এই ঘটনায় এখন পর্যন্ত নয়জন সন্দেহভাজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে, যাদের মধ্যে কানপুর থেকে তিনজনকে নেওয়া হয়েছে। এনআইএ (ন্যাশনাল ইনভেস্টিগেশন এজেন্সি) তদন্তের দায়িত্ব নিয়েছে এবং জাসির বিলাল ওয়ানিকে ১০ দিনের কাস্টডিয়াল জিজ্ঞাসাবাদের অনুমতি পেয়েছে। ওয়ানি কাশ্মীরের কাজিগুণ্ডের বাসিন্দা এবং তিনি ড্রোন মডিফাই করে আক্রমণের প্রযুক্তিগত সাহায্য দিয়েছিলেন বলে অভিযোগ। উমরের সঙ্গে তাঁর যোগাযোগ অক্টোবর ২০২৪-এ কুলগামের এক মসজিদে শুরু হয়, যা পরে ফরিদাবাদের আল-ফালাহ ইউনিভার্সিটির একটা ভাড়া বাড়িতে স্থানান্তরিত হয়।

গতকাল রাত ১:৩০-এর দিকে দিল্লি পুলিশের স্পেশাল টিম হলদওয়ানির বনভূলপুরা এলাকায় পৌঁছায়। এলাকাটা মুসলিম-অধ্যুষিত এবং সাম্প্রতিক বছরগুলোতে বিক্ষোভের জন্য কুখ্যাত। পুলিশ সরাসরি বিলালি মসজিদে ঢুকে ইমামকে (নাম প্রকাশ করা হয়নি) গ্রেফতার করে। অভিযোগের মূলে উমর নবির মোবাইলের কল ডিটেলস যাতে ইমামের সঙ্গে একাধিক কলের রেকর্ড পাওয়া গেছে।

পুলিশের মতে, এই কলগুলো বিস্ফোরণের আগের দিনগুলোতে হয়েছে এবং সম্ভবত লজিস্টিক সাহায্য বা তথ্য বিনিময়ের জন্য। ইমামকে দিল্লি নিয়ে যাওয়ার পর তাঁকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে এবং এনআইএর সঙ্গে যৌথ তদন্ত চলছে। স্থানীয় এসপি মনোজ কুমার কটিয়াল নিশ্চিত করেছেন, “এটা দিল্লি পুলিশের অপারেশন, আমরা সুরক্ষা বাড়িয়েছি।

- Advertisement -
এই সংক্রান্ত আরও খবর
- Advertisment -

Most Popular