
নয়াদিল্লি, ১১ জানুয়ারি: ভারতীয় নৌবাহিনী (Indian Navy) তার উপকূলীয় নিরাপত্তা এবং সামুদ্রিক নজরদারি জোরদার করার জন্য চারটি অ্যাম্ফিবিয়াস এয়ারক্রাফট (Amphibious Aircraft) ভাড়া নিচ্ছে। প্রতিরক্ষা মন্ত্রক তথ্যের জন্য একটি অনুরোধ (RFI) জারি করেছে। এই বিমানগুলি চার বছরের জন্য ওয়েট লিজ দেওয়া হবে।
ওয়েট লিজ কী?
ওয়েট লিজে, লিজিং কোম্পানি বিমানের সাথে পাইলট, ক্রু, রক্ষণাবেক্ষণ এবং বীমা প্রদান করে। এর ফলে নৌবাহিনী বিলম্ব না করে তাৎক্ষণিকভাবে বিমানটি ব্যবহার করতে পারে।
এই বিমানগুলি কেন প্রয়োজন?
ভারতের একটি দীর্ঘ উপকূলরেখা রয়েছে। আন্দামান ও নিকোবর দ্বীপপুঞ্জ এবং লাক্ষাদ্বীপ দ্বীপপুঞ্জের মতো দ্বীপও রয়েছে। সন্ত্রাসবাদ, চোরাচালান এবং জলদস্যুতা সমুদ্রে হুমকিস্বরূপ। উভচর বিমান সমুদ্র এবং স্থল উভয় স্থানেই অবতরণ করতে পারে, যা জরুরি পরিস্থিতিতে খুবই কার্যকর।
এগুলো এই উদ্দেশ্যে ব্যবহার করা হবে:
- সমুদ্রে আটকে পড়া মানুষদের অনুসন্ধান ও উদ্ধার
- আহতদের উদ্ধার এবং চিকিৎসা সহায়তা প্রদান
- ত্রাণ ও উদ্ধার অভিযান
- সামুদ্রিক নজরদারি, চোরাচালান এবং জলদস্যুতার উপর নজরদারি
এগুলি কোথায় সবচেয়ে কার্যকর হবে?
আন্দামান, নিকোবর এবং লাক্ষাদ্বীপের মতো প্রত্যন্ত অঞ্চলে জাহাজ দুর্ঘটনা বা প্রাকৃতিক দুর্যোগের ক্ষেত্রে এই বিমানগুলি দ্রুত সহায়তা প্রদান করতে সক্ষম হবে।
কখন প্রতিক্রিয়া প্রয়োজন হবে?
RFI অনুসারে, বিমান লিজিং কোম্পানিগুলিকে ৫ মার্চ, ২০২৬ এর মধ্যে তাদের তথ্য জমা দিতে হবে। শুধুমাত্র বিমান প্রস্তুতকারক বা অনুমোদিত লিজিং কোম্পানিগুলি অংশগ্রহণ করতে পারবে।
কারিগরি বৈশিষ্ট্য
বিমানটি সামুদ্রিক পরিবেশের জন্য শক্তিশালী হবে এবং আধুনিক নেভিগেশন, যোগাযোগ এবং সুরক্ষা ব্যবস্থায় সজ্জিত থাকবে। বর্তমানে, ভারতীয় নৌবাহিনীর কোনও উভচর বিমান নেই। পূর্বে, জাপানের ইউএস-২ বিমান অর্জনের জন্য আলোচনা হয়েছিল, কিন্তু উচ্চ মূল্যের কারণে চুক্তিটি ব্যর্থ হয়েছিল। অতএব, নৌবাহিনী এখন লিজের মাধ্যমে এই ক্ষমতা অর্জনের চেষ্টা করছে।










