নৃশংস হত্যাকাণ্ড, পুকুর থেকে বস্তাবন্দী অবস্থায় শিক্ষকের দেহ উদ্ধার

বিহারের বেগুসরাইয়ে পুকুর থেকে বস্তাবন্দী (Wrapped in Bag) অবস্থায় শিক্ষকের দেহ (Teacher’s Body) উদ্ধার। খবর সামনে আসলে এলাকায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। মৃত ব্যক্তির নাম ২৪ বছর বয়সী বিট্টু কুমার। তিনি একজন কোচিং শিক্ষক ছিলেন। গত ১৯ অক্টোবর এক বন্ধুর কাছ থেকে ৬০০ টাকা নিয়েছিলেন বিট্টু। জানান তিনি পাটনা যাচ্ছেন। ফিরে এলে ফেরত দেব। কিন্তু তিনি ফিরে আসেননি। এদিকে পুলিশ নিখোঁজ শিক্ষকের টুকরো টুকরো দেহ বস্তাবন্দী অবস্থায় উদ্ধার করে।

Advertisements

কে বা কারা বিট্টুকে হত্যা করেছে তা খতিয়ে দেখছে পুলিশ। তথ্য অনুযায়ী, গত ১৯ অক্টোবর সকালে চকিয়া থানা এলাকার বাসিন্দা বিট্টু কুমার কোচিং পড়াতে যাবেন বলে বাড়ি থেকে বের হন। বিকেলে সে তার বন্ধু সুমিতের কাছে যায়। সেখানে তার কাছ থেকে ৬০০ টাকা ধার নেন। বললেন- পাটনা থেকে ফিরে এসে ফেরত দেব। বিট্টু বাড়িতে না এলে পরিবারের লোকজন তাঁর খোঁজ শুরু করেন।

   

এর পর থেকে শিক্ষকের ফোন বন্ধ পায়। পরিবারের লোকজন উদ্বিগ্ন হলে নিকটস্থ থানায় অভিযোগ দায়ের করেন। পুলিশ অবিলম্বে একটি মামলা দায়ের করে এবং বিট্টুর খোঁজ শুরু করে। তখন তারা পুকুরের কাছে একটি বস্তা দেখতে পান। বস্তা খুলতেই চমকে যায় পুলিশ। ভিতরে টুকরো টুকরো একটি দেহ। দেহের মাথা, এক হাত ও দুই পা নেই। তার পকেটে আধার কার্ড পাওয়া গেলে পরিচয় জানা যায়। বর্তমানে তার দেহের অবশিষ্টাংশ পাওয়া যায়নি। গত ২১ অক্টোবর সন্ধ্যায় চকিয়া থানা এলাকার থার্মাল হল্টের কাছে এই বস্তাবন্দী দেহ পাওয়া যায়।

দেহের অবশিষ্ট টুকরো উদ্ধারে ব্যস্ত পুলিশের দল। পরিবারের সদস্যরা জানান- বিট্টু কোচিং পড়ানোর কাজ করতেন এবং ইন্সপেক্টর নিয়োগের এসএসসি নিয়োগ প্রতিযোগিতার প্রস্তুতিও নিচ্ছিলেন। তারা বলছেন, গ্রামের আশেপাশেই বিট্টুকে খুন করা হয়েছে। কারণ এনটিপিসিতে কয়লা লোড করতে বস্তায় বাঁধা দড়ি ব্যবহার করা হয়। এখন পুলিশি তদন্তের পরই স্পষ্ট হবে বিট্টুকে কারা এত নৃশংসভাবে টুকরো টুকরো করে খুন করেছে।

এ বিষয়ে এসপি মনীশ বলেন, আমরা সব দিক দিয়ে মামলার তদন্ত করছি। সদর ডিএসপির নেতৃত্বে একটি টিম গঠন করা হয়েছে। আসামি বা আসামিদের দ্রুত গ্রেপ্তার করা হবে। বিট্টুর কল ডিটেইলসও খতিয়ে দেখা হচ্ছে সে কার সঙ্গে যোগাযোগ করেছিল?

এই ধরনের গুরুত্বপূর্ণ খবর পেতে Google News-এ Kolkata24x7 ফলো করুন
Advertisements