
গুজরাটের ঐতিহাসিক সোমনাথ মন্দিরে বৃহস্পতিবার থেকে শুরু হয়েছে “সোমনাথ স্বাভিমান”, যা মন্দিরের সঙ্গে যুক্ত লক্ষ লক্ষ ভক্তের অটল বিশ্বাস ও অটল আত্মার প্রতি একটি শ্রদ্ধাঞ্জলি হিসেবে উদযাপিত হচ্ছে। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM MODI) এই অনুষ্ঠানের গুরুত্ব তুলে ধরেছেন এবং বলেছেন, এটি শুধু এক ঐতিহাসিক মন্দিরের কীর্তি স্মরণ করাই নয়, বরং সেই অসংখ্য মানুষদের সম্মান জানানোও, যারা বহু চ্যালেঞ্জের পরেও মন্দিরের সংস্কার ও রক্ষণাবেক্ষণে অবদান রেখেছেন।
এই বছরের সোমনাথ স্বাভিমান বিশেষ তাৎপর্য রয়েছে। ইতিহাসে জানা যায়, জানুয়ারি ১০২৬ সালে সোমনাথ মন্দির প্রথমবারের মতো আক্রমণের মুখে পড়েছিল। পরবর্তী বহু সময়েও মন্দিরকে নষ্ট করার চেষ্টা করা হয়, কিন্তু তা কখনোই ভক্তদের অটল বিশ্বাস বা সভ্যতার শক্তিকে ভাঙতে পারেনি। প্রধানমন্ত্রী মোদি(PM MODI) বিশেষভাবে এই স্থিরতা এবং আত্মবিশ্বাসকে শ্রদ্ধা জানিয়েছেন, যা মন্দিরকে বারবার পুনঃনির্মাণের মাধ্যমে টিকে থাকতে সাহায্য করেছে। প্রধানমন্ত্রী মোদি সোশ্যাল মিডিয়ায় এক পোস্টে বলেছেন, “আজ থেকে সোমনাথ স্বাভিমান শুরু হয়েছে। এক হাজার বছর আগে জানুয়ারি ১০২৬-এ সোমনাথ প্রথমবার আক্রমণের মুখে পড়েছিল।
এই বছর সোমনাথ স্বাভিমান ১১ জানুয়ারি একটি বিশেষ অনুষ্ঠানে সমাপ্ত হবে, যেখানে প্রধানমন্ত্রী মোদি নিজে উপস্থিত থাকার পরিকল্পনা করেছেন। অনুষ্ঠানটি মূলত সেই শক্তি এবং অধ্যবসায়কে সম্মান জানাবে, যা মন্দিরকে পুনর্নির্মাণ ও সংরক্ষণে বিশেষ অবদান রেখেছে। এটি কেবল একটি ধর্মীয় উদযাপন নয়, বরং ইতিহাস এবং সংস্কৃতির প্রতি শ্রদ্ধার প্রতীক।
প্রধানমন্ত্রী মোদি (PM MODI) বারবার উল্লেখ করেছেন যে সোমনাথ মন্দির শুধু এক ধর্মীয় স্থাপনাই নয়, বরং এটি ভারতের সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য ও সভ্যতার এক গুরুত্বপূর্ণ প্রতীক। বহু চ্যালেঞ্জ, আক্রমণ এবং ধ্বংসের পরও মন্দিরটি পুনঃনির্মাণ করা হয়েছে, যা দেশের ভক্ত, জনগণ এবং সমগ্র জাতীয় ইতিহাসের প্রতি একটি শক্তিশালী বার্তা প্রদান করে। গুজরাটে সোমনাথ মন্দিরের মাইলফলক উদযাপনকে ঘিরে পুরো রাজ্য এবং দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে মানুষ ভিড় করছে। ভক্তরা মন্দিরে পৌঁছে পুণ্য লাভের পাশাপাশি মন্দিরের ইতিহাস এবং তার পুনর্নির্মাণের গল্পও স্মরণ করছেন। স্থানীয় প্রশাসন এবং মন্দির কর্তৃপক্ষ অনুষ্ঠানটি নিরাপদ এবং সুশৃঙ্খলভাবে সম্পন্ন করার জন্য সমস্ত ব্যবস্থা গ্রহণ করেছে।










