CPIM: হাত ছোড়ে তো মগর…সিপিএমের শশী ‘ওয়েলকাম’ প্রস্তুতি !

হাত ছোড়ে তো মগর রিস্তে নেহি….মিলে যেতে পারে কবি গুলজারের অনবদ্য সম্পর্ক ভাঙা-গড়ার সুর। আক্ষরিক অর্থেই হাত ছাড়লে ‘ওয়েলকাম’ এমনই ইঙ্গিত দিল সিপিআইএম। তীব্র রাজনৈতিক…

Shashi Tharoor

হাত ছোড়ে তো মগর রিস্তে নেহি….মিলে যেতে পারে কবি গুলজারের অনবদ্য সম্পর্ক ভাঙা-গড়ার সুর। আক্ষরিক অর্থেই হাত ছাড়লে ‘ওয়েলকাম’ এমনই ইঙ্গিত দিল সিপিআইএম। তীব্র রাজনৈতিক বিতর্কিত ব্যক্তিত্ব শশী থারুরে দল বদলানো অর্থাৎ কংগ্রেস ছেড়ে সিপিআইএমে যোগদান সম্ভাবনা বাড়ছে।

গত কয়েকটি দশক ধরে কেরলের রাজনীতিতে দুুই মেরু কংগ্রস ও সিপিআইএম। পরপর পালাবদলের রীতি গত বিধানসভা নির্বাচনে ভেঙে দুবার টানা বাম সরকার চলেছে কেরলে। তবে পরবর্তী নির্বাচনে এ রাজ্যে বাম সরকার আর থাকবে না বলেই মনে করা হচ্ছে। সেরকম হলে দেশে আর কোনো রাজ্যেই বাম সরকার না থাকার সম্ভাবনা। পশ্চিমবঙ্গ ও ত্রিপুরায় আগেই বাম জমানার পতন হয়েছে। এই পরিস্থিতিতে শশী থারুরের মতো বিদগ্ধ ও বিতর্কিত কংগ্রেস নেতাকে পেলে স্বাগত জানাতে তৈরি সিপিআইএমের কেরল রাজ্য কমিটি। India Today জানিয়েছে, সিপিআইএমের তরফে শশী থারুরকে গ্রহণ করার ইঙ্গিত এসেছে।

   

সিনিয়র সিপিআই(এম) নেতা টমাস আইজ্যাক বলেছেন থারুর কেরলের রাজনীতিতে অনাথ হবেন না। যদি তিনি কংগ্রেস ছেড়ে যান তাকে তার অবস্থান পরিষ্কার করতে দিন, কিন্তু থারুরকে মেনে নিতে সিপিআই(এম)-এর কোনো বাধা নেই। আমাদের দল অতীতে অনেক কংগ্রেস নেতাকে স্বাগত জানিয়েছে,।

আইজ্যাক বলেছেন যে থারুর এতদিন কংগ্রেসে রয়েছেন সেটাই অবাক করার বিষয়।

দ্য ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেসের মালয়ালম-ভাষার পডকাস্ট সংস্করণ ভার্থমানাম-এ থারুরের সাক্ষাতকার প্রকাশ হয়। তিনি কেরালা কংগ্রেসে স্পষ্ট নেতার অভাব নির্দেশ করেছিলেন এবং ভোটারদের মধ্যে তার স্বাধীন আবেদনের উপর জোর দিয়েছিলেন। থারুর বলেন, “স্বাধীন সংস্থাগুলির দ্বারা পরিচালিত মতামত জরিপও দেখিয়েছে যে আমি কেরলে নেতৃত্বের ক্ষেত্রে অন্যদের থেকে এগিয়ে ছিলাম। তিনি আরও বলেন, তার জনপ্রিয়তা কংগ্রেসের অনুগতদের ছাড়িয়ে গেছে।

থারুরের মন্তব্যে মিশ্র প্রতিক্রিয়া হয়েছে কংগ্রেস শিবিরে। সিনিয়র কংগ্রেস নেতা রমেশ চেন্নিথালা সাক্ষাত্কারটি খারিজ করে দেন। তিনি বলেন, এটি গত ১৮ ফেব্রুয়ারি রাহুল গান্ধীর সাথে থারুর সাক্ষাতের আগে রেকর্ড করা হয়েছিল। এরপর থারুরকে নিয়ে কংগ্রেস সিপিআইএমের মধ্যে দড়ি টানাটানি চলছে।

এদিকে, কেরালার প্রবীণ কংগ্রেস নেতা কে মুরালীধরন, 2026 সালের বিধানসভা নির্বাচনের জন্য একজন সম্ভাব্য মুখ্যমন্ত্রীর মুখ হিসাবে বিবেচিত, সিপিআই(এম) এর দাবিগুলিকে খারিজ করে দিয়েছিলেন, “এটি আমাদের অভ্যন্তরীণ বিষয়।” তিনি পুনর্ব্যক্ত করেছেন যে কংগ্রেস 2026 সালের নির্বাচনে মুখ্যমন্ত্রীর মুখ ছাড়াই প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবে, ঐতিহ্যগত প্রক্রিয়া অনুসরণ করে যেখানে নির্বাচিত বিধায়ক এবং হাইকমান্ড বিজয়ের পরে নেতৃত্বের সিদ্ধান্ত নেয়।

কেরলের প্রবীণ কংগ্রেস নেতা কে মুরলীধরন, 2026 সালের বিধানসভা নির্বাচনের জন্য মূখ্য ভূমিকা নেবেন। তিন শশী থারুরকে নিয়ে সিপিআইএম দলের দাবি খারিজ করে বলেন, এটি আমাদের অভ্যন্তরীণ বিষয়। তিনি বলেন কংগ্রেস 2026 সালের নির্বাচনে মুখ্যমন্ত্রীর মুখ ছাড়াই প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবে। নির্বাচিত বিধায়কদের নিয়ে হাইকমান্ড পরবর্তী সিদ্ধান্ত নেবে।