‘এক ভাঁড় ১৫ লক্ষ টাকা’, মোদীকে ঠুঁকলেন চা-বিক্রেতা মদন

Madan mitra

নিউজ ডেস্ক: মদন মিত্র মানেই আন লিমিটেড বিনোদন! ভোটে জেতার পর প্রথমদিন বিধানসভায় গিয়েছিলেন খোদ দুবাই থেকে আমদানী করা জুতো পা’য়ে দিয়ে। দিনকয়েক আগেই পেট্রোপণ্যের মূল্যবূদ্ধির প্রতিবাদে হাতে টানা রিকশা চালিয়েছিলেন। তারপর পেগাসাস ইস্যুতে পক্ষীরাজের আদলে সাজানো ঘোড়া নিয়ে চোখে কালো কাপড় বেঁধে কেন্দ্রের বিরুদ্ধে মিছিল করেছেন। চলতি সপ্তাহের রবিবারও তেমনই সবাইকে চমকে দিলেন তিনি।

রাজ্যের প্রাক্তন মন্ত্রী তথা বর্তমানের তৃণমূল বিধায়ক রবিবাসরীয় দুপুরে নিজের পাড়া ভবানীপুরে চা বিক্রি করলেন। যার এক ভাঁড়ের দাম ১৫ লক্ষ টাকা। চা বানাতে বানাতে দুকলি গানও গাইলেন বাংলার ক্রাশ। তাঁর পিছনে তখন অনুগামীরা সবাই প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর মুখোশ পরে দাঁড়িয়ে।

   

২০১৪ সালের লোকসভা ভোটের আগে বিদেশ থেকে কালো টাকা এনে দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন নরেন্দ্র দামোদরদাশ মোদী। আর তা হলে প্রত্যেক দেশবাসীর ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে পনেরো লক্ষ টাকা করে দেবেন, এমনটাও জানিয়েছিলেন তিনি। কিন্তু ক্ষমতায় আসার সাত বছর পরের দেশে ফেরেনি কালো টাকা। উল্টে জ্বালানি-রান্নার গ্যাসের দাম বৃদ্ধিতে নাভিশ্বাস আমজনতার। বহুদিন আগেই সেঞ্চুরি করে ফেলেছে পেট্রোলের দাম। সেই সমস্ত কিছুর প্রতিবাদেই অভিনব পন্থা নিলেন মমতার বিশ্বস্ত সঙ্গী।

এদিন মদন মিত্রের গলায় স্লোগান ছিল, “এক কাপ চায়ের দাম ১৫ লক্ষ টাকা। এমন চা আমেরিকার রাষ্ট্রপতিও খাওয়াতে পারেননি। যা নরেন্দ্র মোদী আমাদের খাওয়াচ্ছেন।” অন্যদিকে ভোটে জেতার জন্য নিজের চা-বিক্রেতা ইমেজকেও হাতিয়ার করেছেন প্রধানমন্ত্রী। সেই ইমেজকেও ঠুঁকে দিলেন বাংলার এই রসিক রাজনীতিবিদ।

এই ধরনের গুরুত্বপূর্ণ খবর পেতে Google News-এ Kolkata24x7 ফলো করুন